
গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বোমা হামলাকে অমানবিক আখ্যা দিয়ে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে বেলজিয়াম। গতকাল বুধবার বেলজিয়ামের উপপ্রধানমন্ত্রী পেত্রা দে সাতার এই আহ্বান জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা এক টুইটে তিনি এই আহ্বান জানান।
এক্সে শেয়ার করা টুইটে পেত্রা দে সাতার বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের এখনই উপযুক্ত সময়। তাঁরা যে বোমাবাজি করছে, তা অমানবিক।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজায় যুদ্ধাপরাধের পাশাপাশি ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক আহ্বানকেও উপেক্ষা করছে।’
পরে এক বিবৃতিতে বেলজিয়ান এই রাজনীতিবিদ অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইসরায়েলের মধ্যে যত সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে তা স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বেলজিয়াম সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে অতিরিক্ত তহবিল জোগানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নিরপেক্ষভাবে ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করা সম্ভব হয়।
বেলজিয়ামের এই নেতা এ সময় জোর দিয়ে বলেন, যারা হামাসকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করছে, তাদেরও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা উচিত। আর যেসব সহিংস ইসরায়েলি সেটেলার, রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা রয়েছেন, তাঁদেরও ইউরোপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত।
দে সাতার বলেন, ‘ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বোমা হামলা ফিলিস্তিনিদের চূড়ান্তভাবে হতাশ করেছে। একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান ছাড়া এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকবে। আর এ কারণেই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এমন রাজনৈতিক সমাধান সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ এর আগে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্দর দে ক্রোও গাজায় ইসরায়েলি হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এর আগে ইসরায়েল গাজায় পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে স্পেন। এই গণহত্যার জন্য ইসরায়েলের ওপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান দেশটির সামাজিক অধিকারবিষয়ক মন্ত্রী ইয়ন বেলারা। বেলারা ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বনেতাদের দ্বিমুখী নীতির নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, বিশ্বনেতারা ইউক্রেনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানালেও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের ব্যাপারে বধির নীরবতা পালন করেছে। এটি অসহ্যকর।
বেলারা বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের এই পরিকল্পিত গণহত্যা অবশ্যই শেষ করতে হবে। কেন আমরা অন্যান্য সংঘাতে মানবাধিকারের কথা বলব আর এখানে বিশ্ব কেবল ভয়ানক নৃশংসতা দেখে যাবে? এখানে হাজার হাজার শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তাদের মায়েরা এসব হত্যার দৃশ্য দেখে চিৎকার করছে।’

গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বোমা হামলাকে অমানবিক আখ্যা দিয়ে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে বেলজিয়াম। গতকাল বুধবার বেলজিয়ামের উপপ্রধানমন্ত্রী পেত্রা দে সাতার এই আহ্বান জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা এক টুইটে তিনি এই আহ্বান জানান।
এক্সে শেয়ার করা টুইটে পেত্রা দে সাতার বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের এখনই উপযুক্ত সময়। তাঁরা যে বোমাবাজি করছে, তা অমানবিক।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজায় যুদ্ধাপরাধের পাশাপাশি ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক আহ্বানকেও উপেক্ষা করছে।’
পরে এক বিবৃতিতে বেলজিয়ান এই রাজনীতিবিদ অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইসরায়েলের মধ্যে যত সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে তা স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বেলজিয়াম সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে অতিরিক্ত তহবিল জোগানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নিরপেক্ষভাবে ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করা সম্ভব হয়।
বেলজিয়ামের এই নেতা এ সময় জোর দিয়ে বলেন, যারা হামাসকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করছে, তাদেরও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা উচিত। আর যেসব সহিংস ইসরায়েলি সেটেলার, রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা রয়েছেন, তাঁদেরও ইউরোপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত।
দে সাতার বলেন, ‘ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বোমা হামলা ফিলিস্তিনিদের চূড়ান্তভাবে হতাশ করেছে। একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান ছাড়া এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকবে। আর এ কারণেই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এমন রাজনৈতিক সমাধান সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ এর আগে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্দর দে ক্রোও গাজায় ইসরায়েলি হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এর আগে ইসরায়েল গাজায় পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে স্পেন। এই গণহত্যার জন্য ইসরায়েলের ওপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান দেশটির সামাজিক অধিকারবিষয়ক মন্ত্রী ইয়ন বেলারা। বেলারা ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বনেতাদের দ্বিমুখী নীতির নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, বিশ্বনেতারা ইউক্রেনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানালেও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের ব্যাপারে বধির নীরবতা পালন করেছে। এটি অসহ্যকর।
বেলারা বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের এই পরিকল্পিত গণহত্যা অবশ্যই শেষ করতে হবে। কেন আমরা অন্যান্য সংঘাতে মানবাধিকারের কথা বলব আর এখানে বিশ্ব কেবল ভয়ানক নৃশংসতা দেখে যাবে? এখানে হাজার হাজার শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তাদের মায়েরা এসব হত্যার দৃশ্য দেখে চিৎকার করছে।’

ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভ আজ রোববার তৃতীয় সপ্তাহে পা রেখেছে। রাজধানী তেহরান এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদসহ বিভিন্ন প্রান্তের রাজপথ এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, এই দুই সপ্তাহের সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারে—এমন সম্ভাবনায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে