ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি ইউক্রেনকে ‘প্রার্থীর মর্যাদা’ দেয় তবে দেশটি রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে জিতে যাবে। শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই কথা বলেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি ইউরোপীয় কমিশনের পরামর্শ মোতাবেক ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘প্রার্থীর মর্যাদা’ দেয় তবে তাঁর দেশ রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।
এক টুইটে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রার্থিতা পদের ব্যাপারে ইউরোপীয় কমিশনের ইতিবাচক অবস্থানের প্রশংসা করি। এটি ইইউয়ের সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রথম ধাপ যা নিশ্চিতভাবে আমাদের জয়ের আরও অনেক কাছাকাছি নিয়ে যাবে।’
জেলেনস্কি টুইটে আরও বলেন, ‘আমি এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য উরসুলা ভ্যান ডার লেয়ন এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রতিটি সদস্য দেশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আশা করি, এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় কাউন্সিলের কাছ থেকেও ইতিবাচক সিদ্ধান্তই আসবে।’
এদিকে, একই বিষয়ে ইউক্রেনীয়দের হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড্যানিশ শ্যামিহাল বলেছেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তের জন্য কৃতজ্ঞ। এই টুইটে শ্যামিহাল লিখেন, ‘এই সিদ্ধান্তের জন্য উরসুলা ভ্যান ডার লেয়নের কাছে কৃতজ্ঞ। এটি ইউক্রেনকে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ বাজারের সঙ্গে একীভূত হতে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ইউক্রেনকে পুনর্গঠন করে আবারও ইউরোপের মানে নিয়ে যাবে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
১০ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১১ ঘণ্টা আগে