আজকের পত্রিকা ডেস্ক

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গতকাল সোমবার একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকায় ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ছবি প্রকাশের অভিযোগ ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ‘লে মান’ নামের সেই পত্রিকার বিরুদ্ধে ‘ধর্মীয় মূল্যবোধে অপমানজনক’ কার্টুন প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেন ইস্তাম্বুলের প্রধান কৌঁসুলি।
এরপরই ‘লে মান’ পত্রিকার সাংবাদিকেরা নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন একটি বারে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সংঘর্ষে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন জড়িত ছিল।
পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক তুনচাই আকগুন দাবি করেছেন, ওই কার্টুন কোনোভাবেই নবী মুহাম্মদের চিত্র নয়। তিনি জানান, কার্টুনটি মূলত ফিলিস্তিনি এক মুসলমান শিশুর কল্পিত নাম ‘মুহাম্মদ’ ব্যবহার করে তৈরি করা চিত্র। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে ২০ কোটিরও বেশি মানুষের নাম মুহাম্মদ। এর সঙ্গে ধর্মীয় অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই।’
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত লে মান পত্রিকাটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্রের জন্য সুপরিচিত। বিশেষ করে, ২০১৫ সালে ফরাসি পত্রিকা শার্লি হেবদোর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই এটি রক্ষণশীলদের চোখে সমালোচনার পাত্র।
ঘটনার পর তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়েরলিকায়া জানিয়েছেন, ওই চিত্রকরের পাশাপাশি পত্রিকার গ্রাফিক ডিজাইনারকেও আটক করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে লে মান একাধিক পোস্টে কার্টুনটির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছে, ‘ইসরায়েলের হাতে নিহত এক মুসলমানের পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়েই এই চিত্র। আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই ধর্মকে অবমাননা করা নয়।’ তারা আরও জানায়, কার্টুনটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী ও ইস্তাম্বুলের গভর্নর দুজনই বলেছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত কখনোই সহ্য করা হবে না। ঘটনা নিয়ে এখন তদন্ত চলছে।

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গতকাল সোমবার একটি ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকায় ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ছবি প্রকাশের অভিযোগ ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ‘লে মান’ নামের সেই পত্রিকার বিরুদ্ধে ‘ধর্মীয় মূল্যবোধে অপমানজনক’ কার্টুন প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেন ইস্তাম্বুলের প্রধান কৌঁসুলি।
এরপরই ‘লে মান’ পত্রিকার সাংবাদিকেরা নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন একটি বারে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সংঘর্ষে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন জড়িত ছিল।
পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক তুনচাই আকগুন দাবি করেছেন, ওই কার্টুন কোনোভাবেই নবী মুহাম্মদের চিত্র নয়। তিনি জানান, কার্টুনটি মূলত ফিলিস্তিনি এক মুসলমান শিশুর কল্পিত নাম ‘মুহাম্মদ’ ব্যবহার করে তৈরি করা চিত্র। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে ২০ কোটিরও বেশি মানুষের নাম মুহাম্মদ। এর সঙ্গে ধর্মীয় অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই।’
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত লে মান পত্রিকাটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্রের জন্য সুপরিচিত। বিশেষ করে, ২০১৫ সালে ফরাসি পত্রিকা শার্লি হেবদোর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই এটি রক্ষণশীলদের চোখে সমালোচনার পাত্র।
ঘটনার পর তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়েরলিকায়া জানিয়েছেন, ওই চিত্রকরের পাশাপাশি পত্রিকার গ্রাফিক ডিজাইনারকেও আটক করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে লে মান একাধিক পোস্টে কার্টুনটির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছে, ‘ইসরায়েলের হাতে নিহত এক মুসলমানের পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়েই এই চিত্র। আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই ধর্মকে অবমাননা করা নয়।’ তারা আরও জানায়, কার্টুনটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী ও ইস্তাম্বুলের গভর্নর দুজনই বলেছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত কখনোই সহ্য করা হবে না। ঘটনা নিয়ে এখন তদন্ত চলছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে