
ব্রিটিশ রাজবধূ ও প্রিন্সেস অব ওয়ালেস কেট উইলিয়াম জানিয়েছেন, তিনি তাঁর কেমোথেরাপি কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ব্রিটিশ রাজপরিবারের কেনসিংটন প্যালেস থেকে প্রকাশিত অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি ভিডিওতে এই কথা জানিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন কেট। এর আগে গত মার্চে ক্যানসারের চিকিৎসা নেওয়ার কথা তিনি ফাঁস করেছিলেন। চিকিৎসাজনিত কারণে চলতি বছরের বেশির ভাগ সময় তিনি জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে ছিলেন।
সোমবার বিবিসি জানিয়েছে, একটি আবেগঘন ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন কেট। এই বার্তায় চলতি বছরটিকে ‘অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন’ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি। আর বলেন, ‘যে জীবন আপনি জানেন, তা মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেতে পারে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেটের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ আপডেটটি চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে একটি ইতিবাচক বার্তা পাঠালেও সুস্থ হতে তাঁর এখনো অনেক পথ বাকি রয়ে গেছে। কেনসিংটন প্যালেস ইঙ্গিত দিয়েছে, কেট ক্যানসারমুক্ত কি-না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
নরফোকে ধারণ করা অত্যন্ত ব্যক্তিগত ওই ভিডিও বার্তায় নিজের ক্যানসার অভিজ্ঞতাকে বর্ণনা করতে গিয়ে ঝোড়ো জলোচ্ছ্বাস, জটিল, ভীতিকর—এমন নানা বিশেষণ ব্যবহার করেছেন রাজবধূ। তিনি বলেছেন, ‘ধীর পায়ে এটি আপনাকে আপনার নিজের দুর্বলতার সঙ্গে এমনভাবে মুখোমুখি করে, যা আপনি আগে কখনো ভাবেননি। একই সঙ্গে সবকিছুর ওপর এটি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দেয়।’
ভিডিওটিতে এটাই পরিষ্কার হয়েছে যে, চলমান চিকিৎসায় কেমোথেরাপি পর্ব শেষ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত এখন কেট। ভিডিওতে পরিবারের সঙ্গে তাঁকে গাড়ি চালাতে এবং হাঁটতেও দেখা গেছে। আর বলতে শোনা গেছে, ‘আমি আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না যে, গ্রীষ্ম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার কেমোথেরাপির চিকিৎসা শেষ করা কতটা স্বস্তির বিষয়।’
আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরেরই শেষ দিকে খুব অল্পসংখ্যক অনুষ্ঠানে হাজির হতে পারেন। তবে রাজপ্রাসাদ সূত্রগুলো জোর দিয়ে জানিয়েছে, কেটের সুস্থ হতে আরও অনেক পথ বাকি। আগামী কয়েক মাস তিনি তাঁর স্বাস্থ্যের ওপরই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেবেন। এ বিষয়ে কেট নিজেও বলেছেন, ‘নিরাময় এবং সম্পূর্ণরূপে ফিরে আসার জন্য আমার পথ দীর্ঘ এবং আমাকে অবশ্যই প্রতিটি দিন যেমন আসে তেমনি নিতে হবে।’
এমন কঠিন সময়ের মধ্যে এই অভিজ্ঞতা জীবনকে নতুন করে আশা এবং উপলব্ধি দিয়েছে বলেও জানান কেট।

ব্রিটিশ রাজবধূ ও প্রিন্সেস অব ওয়ালেস কেট উইলিয়াম জানিয়েছেন, তিনি তাঁর কেমোথেরাপি কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ব্রিটিশ রাজপরিবারের কেনসিংটন প্যালেস থেকে প্রকাশিত অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি ভিডিওতে এই কথা জানিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন কেট। এর আগে গত মার্চে ক্যানসারের চিকিৎসা নেওয়ার কথা তিনি ফাঁস করেছিলেন। চিকিৎসাজনিত কারণে চলতি বছরের বেশির ভাগ সময় তিনি জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে ছিলেন।
সোমবার বিবিসি জানিয়েছে, একটি আবেগঘন ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন কেট। এই বার্তায় চলতি বছরটিকে ‘অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন’ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি। আর বলেন, ‘যে জীবন আপনি জানেন, তা মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেতে পারে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেটের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ আপডেটটি চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে একটি ইতিবাচক বার্তা পাঠালেও সুস্থ হতে তাঁর এখনো অনেক পথ বাকি রয়ে গেছে। কেনসিংটন প্যালেস ইঙ্গিত দিয়েছে, কেট ক্যানসারমুক্ত কি-না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
নরফোকে ধারণ করা অত্যন্ত ব্যক্তিগত ওই ভিডিও বার্তায় নিজের ক্যানসার অভিজ্ঞতাকে বর্ণনা করতে গিয়ে ঝোড়ো জলোচ্ছ্বাস, জটিল, ভীতিকর—এমন নানা বিশেষণ ব্যবহার করেছেন রাজবধূ। তিনি বলেছেন, ‘ধীর পায়ে এটি আপনাকে আপনার নিজের দুর্বলতার সঙ্গে এমনভাবে মুখোমুখি করে, যা আপনি আগে কখনো ভাবেননি। একই সঙ্গে সবকিছুর ওপর এটি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দেয়।’
ভিডিওটিতে এটাই পরিষ্কার হয়েছে যে, চলমান চিকিৎসায় কেমোথেরাপি পর্ব শেষ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত এখন কেট। ভিডিওতে পরিবারের সঙ্গে তাঁকে গাড়ি চালাতে এবং হাঁটতেও দেখা গেছে। আর বলতে শোনা গেছে, ‘আমি আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না যে, গ্রীষ্ম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার কেমোথেরাপির চিকিৎসা শেষ করা কতটা স্বস্তির বিষয়।’
আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরেরই শেষ দিকে খুব অল্পসংখ্যক অনুষ্ঠানে হাজির হতে পারেন। তবে রাজপ্রাসাদ সূত্রগুলো জোর দিয়ে জানিয়েছে, কেটের সুস্থ হতে আরও অনেক পথ বাকি। আগামী কয়েক মাস তিনি তাঁর স্বাস্থ্যের ওপরই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেবেন। এ বিষয়ে কেট নিজেও বলেছেন, ‘নিরাময় এবং সম্পূর্ণরূপে ফিরে আসার জন্য আমার পথ দীর্ঘ এবং আমাকে অবশ্যই প্রতিটি দিন যেমন আসে তেমনি নিতে হবে।’
এমন কঠিন সময়ের মধ্যে এই অভিজ্ঞতা জীবনকে নতুন করে আশা এবং উপলব্ধি দিয়েছে বলেও জানান কেট।

মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
৯ মিনিট আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
১৬ মিনিট আগে
থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন ওভারহেড রেলপথের ক্রেন ভেঙে চলন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৬ জন। আহতদের মধ্যে এক বছরের একটি শিশু ও ৮৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধও রয়েছেন। আহত সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৮ সালের লন্ডন মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে লড়তে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে রিফর্ম ইউকে। দলটির পক্ষ থেকে ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিলের বর্তমান কাউন্সিলর লায়লা কানিংহামের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে