আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আবারও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোরে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে চালানো এ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩০ জন।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর লিমেঙ্কো জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে দুজন শিশুও রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে চাপা পড়ে আছে উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
কিয়েভের স্থানীয় সরকারের তথ্যমতে, রাজধানীর অন্তত ২০টি স্থানে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ডিকয় ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে চালানো হয়েছে হামলা। এ হামলায় কিয়েভের শ-খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ প্রশাসনের প্রধান তিমার কাচেঙ্কো।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর হাতে এসে পৌঁছেছে ধ্বংসস্তূপের ছবি। সেসব ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কিয়েভের একেবারে কেন্দ্রস্থলে হামলা চালিয়েছে রুশ সেনারা। বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে ধোয়া উড়ছে। কিছু কিছু স্থানে আগুন ধরে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধে খুব কম সময়ই ইউক্রেনের একেবারে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছে রাশিয়ার ছোড়া ড্রোন কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র। তাই এই হামলাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইউক্রেনের জাতীয় রেল অপারেটর, উকরজালিজনিৎসিয়া জানিয়েছে যে ভিনিৎসিয়া এবং কিয়েভ অঞ্চলের রেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে কারণে ব্যাহত হচ্ছে ট্রেন চলাচল।
আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর ইউক্রেনে এটিই রাশিয়ার বড় হামলা। ওই বৈঠকের পর যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গতি পাচ্ছে বলে মনে হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য সামনে আসেনি। পশ্চিমা নেতারা অভিযোগ করেছেন, শান্তি প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছেন পুতিন এবং আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে রুশ সেনারা ইউক্রেনের ভেতরে আরও অগ্রসর হচ্ছে। এ সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক নেতারা স্বীকার করেছেন, রুশ বাহিনী দেশটির অষ্টম অঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবং আরও এলাকা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আজকের হামলার পর এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘পুতিন আলোচনার টেবিল ছেড়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে বেছে নিচ্ছেন। আমি বিশ্বের সেই সব নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যারা প্রায়শই শান্তির কথা বলে কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই যখন আদর্শের জন্য সরব হওয়ার কথা, তখন তাদের চুপ থাকতে দেখা যায়।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘সব ডেডলাইন শেষ। কূটনীতির সব সুযোগ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।’

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আবারও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোরে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে চালানো এ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩০ জন।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর লিমেঙ্কো জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে দুজন শিশুও রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে চাপা পড়ে আছে উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
কিয়েভের স্থানীয় সরকারের তথ্যমতে, রাজধানীর অন্তত ২০টি স্থানে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ডিকয় ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে চালানো হয়েছে হামলা। এ হামলায় কিয়েভের শ-খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ প্রশাসনের প্রধান তিমার কাচেঙ্কো।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর হাতে এসে পৌঁছেছে ধ্বংসস্তূপের ছবি। সেসব ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কিয়েভের একেবারে কেন্দ্রস্থলে হামলা চালিয়েছে রুশ সেনারা। বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে ধোয়া উড়ছে। কিছু কিছু স্থানে আগুন ধরে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধে খুব কম সময়ই ইউক্রেনের একেবারে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরেছে রাশিয়ার ছোড়া ড্রোন কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র। তাই এই হামলাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইউক্রেনের জাতীয় রেল অপারেটর, উকরজালিজনিৎসিয়া জানিয়েছে যে ভিনিৎসিয়া এবং কিয়েভ অঞ্চলের রেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে কারণে ব্যাহত হচ্ছে ট্রেন চলাচল।
আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর ইউক্রেনে এটিই রাশিয়ার বড় হামলা। ওই বৈঠকের পর যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গতি পাচ্ছে বলে মনে হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য সামনে আসেনি। পশ্চিমা নেতারা অভিযোগ করেছেন, শান্তি প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছেন পুতিন এবং আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে রুশ সেনারা ইউক্রেনের ভেতরে আরও অগ্রসর হচ্ছে। এ সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক নেতারা স্বীকার করেছেন, রুশ বাহিনী দেশটির অষ্টম অঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবং আরও এলাকা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আজকের হামলার পর এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘পুতিন আলোচনার টেবিল ছেড়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে বেছে নিচ্ছেন। আমি বিশ্বের সেই সব নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যারা প্রায়শই শান্তির কথা বলে কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই যখন আদর্শের জন্য সরব হওয়ার কথা, তখন তাদের চুপ থাকতে দেখা যায়।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘সব ডেডলাইন শেষ। কূটনীতির সব সুযোগ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে