
ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্কটল্যান্ডের বালমোরালে নিজের প্রাসাদে ৯৬ বছর বয়সে শান্তিপূর্ণভাবে মারা গেছেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্য লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সারা বিশ্বের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেখানে যোগ দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ১৯৫৩ সালে যে চার্চে রানির মাথায় মুকুট পরানো হয়েছিল, সেই চার্চেই রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, রাজা-বাদশাসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেবেন। তবে একজন বিশ্বনেতা সম্ভবত এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন না। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কারণ ইউক্রেনে রাশিয়া আক্রমণ করার পর দুই দেশের সম্পর্ক মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। তবে নতুন রাজা তৃতীয় চার্লসকে তিনি সান্ত্বনা জানিয়েছেন।
এদিকে এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন জানিয়েছে, বহু দশক ধরে দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁর প্রজাদের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জনের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে কর্তৃত্ব করার আনন্দ উপভোগ করেছেন। রুশরা তাঁর প্রজ্ঞার জন্য তাঁকে সম্মান করে। তবে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় পুতিনের উপস্থিতি বিবেচনা করা হচ্ছে না।
অন্যদিকে রাশিয়ার এক ঘোরতর প্রতিপক্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিশ্চিত করেছেন যে তিনি রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন। তিনি বলেছেন, ‘রানি ছিলেন ব্রিটিশদের মাথার ওপর ছায়ার মতো। তিনি ছিলেন ব্রিটিশদের গর্ব।’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানও রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘রানির সঙ্গে বাকিংহাম প্যালেসে আমার দুবার দেখা হয়েছিল। যদি সুযোগ পাই, অবশ্যই তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেব।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ব্রিটিশ দূতাবাসে রানির জন্য শোক বইতে ইতিমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি নিশ্চিতভাবেই রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পেন, বেলজিয়াম, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের রাজপরিবারের সদস্যরাও অংশ নেবেন।

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্কটল্যান্ডের বালমোরালে নিজের প্রাসাদে ৯৬ বছর বয়সে শান্তিপূর্ণভাবে মারা গেছেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্য লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সারা বিশ্বের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেখানে যোগ দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ১৯৫৩ সালে যে চার্চে রানির মাথায় মুকুট পরানো হয়েছিল, সেই চার্চেই রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, রাজা-বাদশাসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেবেন। তবে একজন বিশ্বনেতা সম্ভবত এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন না। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কারণ ইউক্রেনে রাশিয়া আক্রমণ করার পর দুই দেশের সম্পর্ক মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। তবে নতুন রাজা তৃতীয় চার্লসকে তিনি সান্ত্বনা জানিয়েছেন।
এদিকে এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন জানিয়েছে, বহু দশক ধরে দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁর প্রজাদের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জনের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে কর্তৃত্ব করার আনন্দ উপভোগ করেছেন। রুশরা তাঁর প্রজ্ঞার জন্য তাঁকে সম্মান করে। তবে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় পুতিনের উপস্থিতি বিবেচনা করা হচ্ছে না।
অন্যদিকে রাশিয়ার এক ঘোরতর প্রতিপক্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিশ্চিত করেছেন যে তিনি রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন। তিনি বলেছেন, ‘রানি ছিলেন ব্রিটিশদের মাথার ওপর ছায়ার মতো। তিনি ছিলেন ব্রিটিশদের গর্ব।’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানও রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘রানির সঙ্গে বাকিংহাম প্যালেসে আমার দুবার দেখা হয়েছিল। যদি সুযোগ পাই, অবশ্যই তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেব।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ব্রিটিশ দূতাবাসে রানির জন্য শোক বইতে ইতিমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি নিশ্চিতভাবেই রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পেন, বেলজিয়াম, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের রাজপরিবারের সদস্যরাও অংশ নেবেন।

আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে ভেনেজুয়েলায় এক নজিরবিহীন ও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৫ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে ফৌজদারি অপরাধের বিচার করা হবে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি।
৩৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র আসলেই ডেল্টা ফোর্স পাঠিয়ে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে থাকলে— আধুনিককালের ইতিহাসে তা হবে নজিরবিহীন ঘটনা।
১ ঘণ্টা আগে
সংলাপের বিষয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে উদ্ভূত পরিস্থিতির ন্যায্য সমাধান নিয়ে আলোচনা করতে রিয়াদে একটি সর্বাত্মক সম্মেলনের মাধ্যমে সব দক্ষিণাঞ্চলীয় পক্ষকে একত্র করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে