
ইউক্রেন পুনর্গঠনে দাতাদের কাছে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই আহ্বান জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেন পুনর্গঠনের বিষয়ে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে আয়োজিত এক পুনর্গঠন কনফারেন্সে জেলেনস্কি বলেন, ‘এই সম্মেলনেই আমাদের ইউক্রেনের জন্য আগামী বছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে সহায়তার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ জন্য আমাদের প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার প্রয়োজন।’
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠকে যুক্ত হন জেলেনস্কি। বৈঠকে তিনি ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি ইউক্রেনকে সহায়তা দিতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের আহ্বান জানান। ওই বৈঠকেই যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনের জন্য নতুন একটি ‘মার্শাল প্ল্যান’ হাতে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ ও ইউরোপীয় কমিশনের ডাকে বার্লিনে মিলিত হয়েছিলেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রধান কার্যনির্বাহীরা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া ‘মার্শাল প্ল্যানের’ সঙ্গে তুলনীয় এই পরিকল্পনার আওতায় ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে এই ব্যয়ে অংশগ্রহণের বিষয়ে বৈঠকে কোনো প্রতিশ্রুতি আসেনি। এ পরিমাণ অর্থের মধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ব্যয় করা হবে ৩৪৯ বিলিয়ন ডলার বলে প্রাথমিক হিসেবে অনুমান করা হয়েছে।
বৈঠকে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ বলেন, ‘ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে চায় জার্মানি। দেশটির পুনর্গঠনে দাতা সংস্থাগুলো যেন বিষয়টি বিবেচনায় রাখে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুতিনের এই যুদ্ধ জার্মানি ও ইউক্রেনকে একত্রে কাজ করতে প্রেরণা দিয়েছে।’

ইউক্রেন পুনর্গঠনে দাতাদের কাছে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই আহ্বান জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেন পুনর্গঠনের বিষয়ে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে আয়োজিত এক পুনর্গঠন কনফারেন্সে জেলেনস্কি বলেন, ‘এই সম্মেলনেই আমাদের ইউক্রেনের জন্য আগামী বছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে সহায়তার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ জন্য আমাদের প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার প্রয়োজন।’
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠকে যুক্ত হন জেলেনস্কি। বৈঠকে তিনি ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি ইউক্রেনকে সহায়তা দিতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের আহ্বান জানান। ওই বৈঠকেই যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনের জন্য নতুন একটি ‘মার্শাল প্ল্যান’ হাতে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ ও ইউরোপীয় কমিশনের ডাকে বার্লিনে মিলিত হয়েছিলেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রধান কার্যনির্বাহীরা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া ‘মার্শাল প্ল্যানের’ সঙ্গে তুলনীয় এই পরিকল্পনার আওতায় ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে এই ব্যয়ে অংশগ্রহণের বিষয়ে বৈঠকে কোনো প্রতিশ্রুতি আসেনি। এ পরিমাণ অর্থের মধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ব্যয় করা হবে ৩৪৯ বিলিয়ন ডলার বলে প্রাথমিক হিসেবে অনুমান করা হয়েছে।
বৈঠকে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ বলেন, ‘ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে চায় জার্মানি। দেশটির পুনর্গঠনে দাতা সংস্থাগুলো যেন বিষয়টি বিবেচনায় রাখে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুতিনের এই যুদ্ধ জার্মানি ও ইউক্রেনকে একত্রে কাজ করতে প্রেরণা দিয়েছে।’

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৫ মিনিট আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবির বিরোধিতা করলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা তিনি ‘শতভাগ’ বাস্তবায়ন করবেন। গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ইউরোপীয় মিত্ররা একযোগে অবস্থান নিয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, তুরস্ক ও কাতারের কোনো সেনাকে তিনি গাজায় পা রাখতে দেবেন না। এর কয়েক দিন আগেই হোয়াইট হাউস ঘোষণা দেয়, গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী শাসনব্যবস্থা তদারকির জন্য গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে এই দুই দেশের কর্মকর্তারা থাকবেন।
৪ ঘণ্টা আগে