
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট কাটাতে বিদ্যুতের বাজার নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। স্থানীয় সময় আজ বুধবার বার্ষিক ভাষণে ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়ন জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ‘গভীর এবং ব্যাপক’ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের ওই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের মুনাফা কমানোর ব্যবস্থা করা হবে। এতে প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলার বেঁচে যাবে যা দিয়ে ভোক্তাদের বাড়তি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। এই পরিকল্পনায় অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো, অস্থায়ী রাষ্ট্রীয় সাহায্য হ্রাস এবং গ্যাস–বিদ্যুতের দাম কমানো।
উরসুলা ভন ডার লেয়ন তাঁর ভাষণে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে হাইড্রোজেনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, এই খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোতে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে যে কেউ চাইলে হাইড্রোজেন জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি ইউরো পর্যন্ত লোন নিয়ে হাইড্রোজেন জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন।
বিগত কয়েক দশক ধরেই জীবাশ্ম জ্বালানির জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল ছিল ইইউ। ইউক্রেন সংকটের কারণে দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞার কারণে বেড়ে গেছে ইউরোপের বাজারে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম। বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে জনজীবনেও। তাই রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং বাড়তি ব্যয় থেকে জনগণকে রক্ষা করতে নতুন এসব পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইইউ।
আগামী শীতের সংকটের কথা ভেবে আগে থেকেই তড়িঘড়ি করে গ্যাসের রিজার্ভ বাড়িয়েছে ইইউ। কিন্তু এরই মধ্যে রাশিয়ার সরবরাহ না থাকায় সংকট শুরু হয়েছে। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট কাটাতে বিদ্যুতের বাজার নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। স্থানীয় সময় আজ বুধবার বার্ষিক ভাষণে ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়ন জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ‘গভীর এবং ব্যাপক’ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের ওই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের মুনাফা কমানোর ব্যবস্থা করা হবে। এতে প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলার বেঁচে যাবে যা দিয়ে ভোক্তাদের বাড়তি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। এই পরিকল্পনায় অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো, অস্থায়ী রাষ্ট্রীয় সাহায্য হ্রাস এবং গ্যাস–বিদ্যুতের দাম কমানো।
উরসুলা ভন ডার লেয়ন তাঁর ভাষণে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে হাইড্রোজেনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, এই খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোতে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে যে কেউ চাইলে হাইড্রোজেন জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি ইউরো পর্যন্ত লোন নিয়ে হাইড্রোজেন জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন।
বিগত কয়েক দশক ধরেই জীবাশ্ম জ্বালানির জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল ছিল ইইউ। ইউক্রেন সংকটের কারণে দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞার কারণে বেড়ে গেছে ইউরোপের বাজারে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম। বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে জনজীবনেও। তাই রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং বাড়তি ব্যয় থেকে জনগণকে রক্ষা করতে নতুন এসব পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইইউ।
আগামী শীতের সংকটের কথা ভেবে আগে থেকেই তড়িঘড়ি করে গ্যাসের রিজার্ভ বাড়িয়েছে ইইউ। কিন্তু এরই মধ্যে রাশিয়ার সরবরাহ না থাকায় সংকট শুরু হয়েছে। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের।

ভেনেজুয়েলায় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বিচারের জন্য নিউইয়র্কে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর, দেশটিতে নিজেদের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং স্টেশন ও অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে চীন। হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায় মর্নিং...
১ ঘণ্টা আগে
আবর দেশ সিরিয়ায় ঢুকে পড়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। আজ মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ সিরিয়ার কুনেইত্রা প্রদেশের সাইদা আল-গোলান নামে একটি গ্রামে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ১২টি সামরিক যান প্রবেশ করে। সেখানে উপস্থিত আল–জাজিরার সংবাদদাতা এ তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। সেই অস্থিরতার পারদে বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। এবার, একই ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ইরানকে ঘিরে।
২ ঘণ্টা আগে
শিগগিরই শুল্ক বাবদ ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত। এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শুল্ক নীতি দেশের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে