
ইউক্রেনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল দনবাসে জোর আক্রমণ শুরু করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। গোলন্দাজ বাহিনী এবং রকেট হামলার সহায়তা নিয়ে কয়েক হাজার রুশ সৈন্য দ্বারা তাদের ‘বহুল প্রত্যাশিত’ আক্রমণ শুরু করেছে। ইউক্রেন সরকার রাশিয়ার এই আক্রমণ প্রতিরোধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে এই যুদ্ধকে ‘ব্যাটল অব দনবাস’ নামে আখ্যা দিয়েছে। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে—তাদের সৈন্যরা এই আক্রমণ প্রতিরোধ করবে এবং তাঁরা এই যুদ্ধকে ‘ব্যাটল অব দনবাস’ বা দনবাসের যুদ্ধ বলে অভিহিত করেছে।
তবে, রুশ সৈন্যরা প্রায় সমগ্র দনবাস অঞ্চলজুড়েই আক্রমণ চালিয়েছে এবং আক্রমণ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই অঞ্চলের একটি ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর’ ক্রেমিনা দখল করে নেয়। ব্যাপক গোলাবর্ষণ ও হামলার পর রুশ বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে জানান স্থানীয় কর্মকর্তারা।
লুহানস্কের আঞ্চলিক গভর্নর সের্গেই গেইডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘রোববার রাত থেকে রুশ বাহিনী ক্রেমিনাতে বড় ধরনের হামলা করতে শুরু করে। এরপর সোমবার তারা শহরটির দখল নেয়।’
সের্গেই গেইডে আরও বলেন, ‘দোনেৎস্ক, লুহানস্ক এবং খারকিভ অঞ্চলের প্রায় পুরো ফ্রন্ট লাইন বরাবর রুশ বাহিনী আমাদের প্রতিরক্ষা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে। সৌভাগ্যবশত আমাদের সামরিক বাহিনী সেখানে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।’ ক্রেমিনা দখলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ক্রেমিনা এবং আরেকটি ছোট শহরে (রুবিঝন) তারা ঢুকে পড়েছে। আমাদের সেনারা পিছু হটেছে। তবে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আমরা আমাদের জায়গাগুলো এত সহজে ছেড়ে দেব না।’
ইউক্রেনের প্রশাসনিক কেন্দ্র ক্রামতোর্স্ক থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের শহর ক্রেমিনা। এখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বাস করেন। এটি রুশ বাহিনীর একটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু।
এদিকে, ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।
বিশ্ব সম্পর্কিত পড়ুন:

ইউক্রেনের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল দনবাসে জোর আক্রমণ শুরু করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। গোলন্দাজ বাহিনী এবং রকেট হামলার সহায়তা নিয়ে কয়েক হাজার রুশ সৈন্য দ্বারা তাদের ‘বহুল প্রত্যাশিত’ আক্রমণ শুরু করেছে। ইউক্রেন সরকার রাশিয়ার এই আক্রমণ প্রতিরোধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে এই যুদ্ধকে ‘ব্যাটল অব দনবাস’ নামে আখ্যা দিয়েছে। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে—তাদের সৈন্যরা এই আক্রমণ প্রতিরোধ করবে এবং তাঁরা এই যুদ্ধকে ‘ব্যাটল অব দনবাস’ বা দনবাসের যুদ্ধ বলে অভিহিত করেছে।
তবে, রুশ সৈন্যরা প্রায় সমগ্র দনবাস অঞ্চলজুড়েই আক্রমণ চালিয়েছে এবং আক্রমণ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই অঞ্চলের একটি ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর’ ক্রেমিনা দখল করে নেয়। ব্যাপক গোলাবর্ষণ ও হামলার পর রুশ বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে জানান স্থানীয় কর্মকর্তারা।
লুহানস্কের আঞ্চলিক গভর্নর সের্গেই গেইডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘রোববার রাত থেকে রুশ বাহিনী ক্রেমিনাতে বড় ধরনের হামলা করতে শুরু করে। এরপর সোমবার তারা শহরটির দখল নেয়।’
সের্গেই গেইডে আরও বলেন, ‘দোনেৎস্ক, লুহানস্ক এবং খারকিভ অঞ্চলের প্রায় পুরো ফ্রন্ট লাইন বরাবর রুশ বাহিনী আমাদের প্রতিরক্ষা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে। সৌভাগ্যবশত আমাদের সামরিক বাহিনী সেখানে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।’ ক্রেমিনা দখলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ক্রেমিনা এবং আরেকটি ছোট শহরে (রুবিঝন) তারা ঢুকে পড়েছে। আমাদের সেনারা পিছু হটেছে। তবে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আমরা আমাদের জায়গাগুলো এত সহজে ছেড়ে দেব না।’
ইউক্রেনের প্রশাসনিক কেন্দ্র ক্রামতোর্স্ক থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের শহর ক্রেমিনা। এখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বাস করেন। এটি রুশ বাহিনীর একটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু।
এদিকে, ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।
বিশ্ব সম্পর্কিত পড়ুন:

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগে