
গ্রিসে নৌকা ডুবে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির লেসবস দ্বীপের উপকূলে স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার ভোরে নৌকা ডুবে ১ শিশুসহ মোট ১৭ জন মারা যান। শিশু ছাড়া নিহতদের সবাই নারী। এ ছাড়া এই দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের কাছাকাছি আরোহী নিখোঁজ রয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
গ্রিসের কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, লেসবস উপকূলে ডুবে যাওয়া ওই নৌকাটিতে ৪০ জনের বেশি আরোহী ছিল। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত ১৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত ১০ জন নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১৫ জন। নৌকাটির আরোহীদের সবাই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলেও জানিয়েছে গ্রিক কোস্ট গার্ড।
এর আগে, গত বুধবার দক্ষিণ গ্রিসের দ্বীপ কিথিরার উপকূলে ৯৫ শরণার্থী নিয়ে আরেকটি নৌকা ডুবে যায়। এ দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৫ জন। গ্রিসের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—ভুক্তভোগীরা ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তানের নাগরিক। উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও দরিদ্র দেশের মানুষ।
ইউরোপে ২০১৫–১৬ সালের অভিবাসী সংকটের সময় ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম পথ ছিল গ্রিস। সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের লোকজন সর্বস্ব হারিয়ে আশ্রয়ের আশায় ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করত। সেই ধারা এখন খানিকটা ক্ষীণ হলেও অব্যাহত রয়েছে।

গ্রিসে নৌকা ডুবে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির লেসবস দ্বীপের উপকূলে স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার ভোরে নৌকা ডুবে ১ শিশুসহ মোট ১৭ জন মারা যান। শিশু ছাড়া নিহতদের সবাই নারী। এ ছাড়া এই দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের কাছাকাছি আরোহী নিখোঁজ রয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
গ্রিসের কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, লেসবস উপকূলে ডুবে যাওয়া ওই নৌকাটিতে ৪০ জনের বেশি আরোহী ছিল। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত ১৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত ১০ জন নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১৫ জন। নৌকাটির আরোহীদের সবাই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলেও জানিয়েছে গ্রিক কোস্ট গার্ড।
এর আগে, গত বুধবার দক্ষিণ গ্রিসের দ্বীপ কিথিরার উপকূলে ৯৫ শরণার্থী নিয়ে আরেকটি নৌকা ডুবে যায়। এ দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৫ জন। গ্রিসের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—ভুক্তভোগীরা ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তানের নাগরিক। উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও দরিদ্র দেশের মানুষ।
ইউরোপে ২০১৫–১৬ সালের অভিবাসী সংকটের সময় ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম পথ ছিল গ্রিস। সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের লোকজন সর্বস্ব হারিয়ে আশ্রয়ের আশায় ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করত। সেই ধারা এখন খানিকটা ক্ষীণ হলেও অব্যাহত রয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩৪ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে