
প্রয়োজন পড়লে রাশিয়াও ইউক্রেন গুচ্ছবোমা ব্যবহার করবে। রাশিয়ার কাছে গুচ্ছবোমার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে এসব বোমা ব্যবহারের অধিকার মস্কো রাখে বলে হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার কিয়েভ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা গুচ্ছবোমার চালান তাদের কাছে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা ইউক্রেনে ভূখণ্ডে অবস্থানরত রুশ সেনাদের হটাতে গুচ্ছবোমা ব্যবহার করবেন। তবে তাঁরা কোনোভাবেই এসব বোমা রাশিয়ার ভূখণ্ডে ব্যবহার করবে না।
ইউক্রেনের এমন অবস্থানের বিপরীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ রোববার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম মস্কো টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, প্রয়োজন হলে রাশিয়াও এমন অস্ত্র ব্যবহার করে জবাব দেবে। তবে পুতিন জানিয়েছেন, তিনি এ ধরনের বোমার ব্যবহারকে অপরাধ বলেই গণ্য করেন।
পুতিন বলেন, ‘আমি জানিয়ে দিতে চাই যে রাশিয়ান ফেডারেশনেও বিভিন্ন ধরনের গুচ্ছবোমার বোমার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমরা এখনো সেগুলো ব্যবহার করিনি। তবে অবশ্যই সে রকম বোমা আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে তবে আমরা অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখি।’
সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, তিনি গুচ্ছবোমার ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করেন এবং অতীতে গোলাবারুদের সমস্যা সহ্য করেও রাশিয়ার এখনো সেগুলো ব্যবহার করেনি।
এদিকে টেসলা এবং স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক দাবি করেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই নিষিদ্ধঘোষিত গুচ্ছবোমা ইউক্রেনকে দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকেই অপমানিত করেছে। এই বোমা চলমান ইউক্রেন সংকট সমাধানে তেমন কোনো ভূমিকাই রাখবে না।
গতকাল শনিবার ইলন মাস্ক টুইটারের লেখেন, ‘ইউক্রেনে পাঠানোর মতো স্বাভাবিক গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেছে। তাই এখন আমরা সেখানে গুচ্ছবোমার মতো অস্ত্র পাঠাচ্ছি। কিন্তু এর অর্থ হলো, সেখানে (ইউক্রেনে) পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন আনতে না পারা নিজেদের (যুক্তরাষ্ট্রকে) অপমানিত করা।’

প্রয়োজন পড়লে রাশিয়াও ইউক্রেন গুচ্ছবোমা ব্যবহার করবে। রাশিয়ার কাছে গুচ্ছবোমার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে এসব বোমা ব্যবহারের অধিকার মস্কো রাখে বলে হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার কিয়েভ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা গুচ্ছবোমার চালান তাদের কাছে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা ইউক্রেনে ভূখণ্ডে অবস্থানরত রুশ সেনাদের হটাতে গুচ্ছবোমা ব্যবহার করবেন। তবে তাঁরা কোনোভাবেই এসব বোমা রাশিয়ার ভূখণ্ডে ব্যবহার করবে না।
ইউক্রেনের এমন অবস্থানের বিপরীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ রোববার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম মস্কো টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, প্রয়োজন হলে রাশিয়াও এমন অস্ত্র ব্যবহার করে জবাব দেবে। তবে পুতিন জানিয়েছেন, তিনি এ ধরনের বোমার ব্যবহারকে অপরাধ বলেই গণ্য করেন।
পুতিন বলেন, ‘আমি জানিয়ে দিতে চাই যে রাশিয়ান ফেডারেশনেও বিভিন্ন ধরনের গুচ্ছবোমার বোমার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমরা এখনো সেগুলো ব্যবহার করিনি। তবে অবশ্যই সে রকম বোমা আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে তবে আমরা অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখি।’
সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, তিনি গুচ্ছবোমার ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করেন এবং অতীতে গোলাবারুদের সমস্যা সহ্য করেও রাশিয়ার এখনো সেগুলো ব্যবহার করেনি।
এদিকে টেসলা এবং স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক দাবি করেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই নিষিদ্ধঘোষিত গুচ্ছবোমা ইউক্রেনকে দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকেই অপমানিত করেছে। এই বোমা চলমান ইউক্রেন সংকট সমাধানে তেমন কোনো ভূমিকাই রাখবে না।
গতকাল শনিবার ইলন মাস্ক টুইটারের লেখেন, ‘ইউক্রেনে পাঠানোর মতো স্বাভাবিক গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেছে। তাই এখন আমরা সেখানে গুচ্ছবোমার মতো অস্ত্র পাঠাচ্ছি। কিন্তু এর অর্থ হলো, সেখানে (ইউক্রেনে) পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন আনতে না পারা নিজেদের (যুক্তরাষ্ট্রকে) অপমানিত করা।’

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৪ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৬ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৭ ঘণ্টা আগে