
অ্যাঙ্গোলার সাবেক প্রেসিডেন্টের স্বেচ্ছা নির্বাসিত বিলিয়নিয়ার কন্যা ইসাবেল ডোস স্যান্টোসের সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে ইসাবেলের জব্দ সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৮ হাজার ৬১ কোটি টাকারও বেশি।
আফ্রিকার প্রথম নারী বিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিত ইসাবেলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি মামলা করেছে অ্যাঙ্গোলার টেলিকম কোম্পানি ইউনিটেল। এই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাজ্যে তাঁর সম্পদ জব্দের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাঙ্গোলায় ইউনিটেল টেলিকম কোম্পানিটি ইসাবেলই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যখন তাঁর বাবা জোস অ্যাডুয়ার্ডো ডোস স্যান্টোস টানা ৩৮ বছর ধরে প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত অ্যাঙ্গোলা শাসন করা জোস অ্যাডুয়ার্ডো গত বছর মারা গেছেন।
ইউনিটেল টেলিকম কোম্পানি গত মাসে একটি শুনানিতে লন্ডনের হাইকোর্টকে বিশ্বব্যাপী ইসাবেলের সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেওয়ার অনুরোধ করেছিল এবং গত বুধবার বিচারক রবার্ট ব্রাইট সেই আদেশটি মঞ্জুর করেছেন। তিনি ইসাবেলকে লন্ডন, মোনাকো ও দুবাইয়ে থাকা সম্পদের বিষয়ে ইউনিটেলের কাছে বিবরণী প্রকাশের জন্য আগামী মাস পর্যন্ত সময় দিয়েছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ কেনসিংটনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলের কাছাকাছি একটি বাড়িও আছে ইসাবেলের। বাড়িটির মূল্য প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড।
ইউনিটেলের অভিযোগ, ২০১২ ও ২০১৩ সালে ইউনিটেলের পরিচালক থাকা অবস্থায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন ইসাবেল। তবে ইসাবেল নিজেকে অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রীয় মিথ্যা প্রচারণার শিকার বলে দাবি করেছেন এবং ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার জন্য তিনি ইউনিটেলকেই দায়ী করেছেন। তবে গত মাসে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিটেল বলেছিল—ইসাবেল তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে তাঁর বাবার পরে প্রেসিডেন্ট হওয়া জোয়াও লরেনকোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুলিয়ে ফেলতে চাইছেন।
ইতিপূর্বে ২০২০ সালে ইসাবেলের সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে ২০ দেশের অংশীদার সংস্থাগুলোর সাংবাদিকদের মাধ্যমে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করেছিল দ্য গার্ডিয়ান। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়—ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসাবেলকে অসাধারণ সব সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল অ্যাঙ্গোলায় ক্ষমতাসীন তাঁর বাবার সরকার।
ইসাবেল এবং তাঁর ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগ্রাহক স্বামী কিন্দিকা ডোকোলো বলেছেন—তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যায়ভাবে ইতিপূর্বে তাঁদের কর্মচারী এবং আইনি উপদেষ্টাদের কম্পিউটারগুলো পর্যন্ত হ্যাক করা হয়েছে।

অ্যাঙ্গোলার সাবেক প্রেসিডেন্টের স্বেচ্ছা নির্বাসিত বিলিয়নিয়ার কন্যা ইসাবেল ডোস স্যান্টোসের সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে ইসাবেলের জব্দ সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৮ হাজার ৬১ কোটি টাকারও বেশি।
আফ্রিকার প্রথম নারী বিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিত ইসাবেলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি মামলা করেছে অ্যাঙ্গোলার টেলিকম কোম্পানি ইউনিটেল। এই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাজ্যে তাঁর সম্পদ জব্দের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাঙ্গোলায় ইউনিটেল টেলিকম কোম্পানিটি ইসাবেলই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যখন তাঁর বাবা জোস অ্যাডুয়ার্ডো ডোস স্যান্টোস টানা ৩৮ বছর ধরে প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত অ্যাঙ্গোলা শাসন করা জোস অ্যাডুয়ার্ডো গত বছর মারা গেছেন।
ইউনিটেল টেলিকম কোম্পানি গত মাসে একটি শুনানিতে লন্ডনের হাইকোর্টকে বিশ্বব্যাপী ইসাবেলের সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেওয়ার অনুরোধ করেছিল এবং গত বুধবার বিচারক রবার্ট ব্রাইট সেই আদেশটি মঞ্জুর করেছেন। তিনি ইসাবেলকে লন্ডন, মোনাকো ও দুবাইয়ে থাকা সম্পদের বিষয়ে ইউনিটেলের কাছে বিবরণী প্রকাশের জন্য আগামী মাস পর্যন্ত সময় দিয়েছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ কেনসিংটনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলের কাছাকাছি একটি বাড়িও আছে ইসাবেলের। বাড়িটির মূল্য প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড।
ইউনিটেলের অভিযোগ, ২০১২ ও ২০১৩ সালে ইউনিটেলের পরিচালক থাকা অবস্থায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন ইসাবেল। তবে ইসাবেল নিজেকে অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রীয় মিথ্যা প্রচারণার শিকার বলে দাবি করেছেন এবং ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার জন্য তিনি ইউনিটেলকেই দায়ী করেছেন। তবে গত মাসে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিটেল বলেছিল—ইসাবেল তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে তাঁর বাবার পরে প্রেসিডেন্ট হওয়া জোয়াও লরেনকোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুলিয়ে ফেলতে চাইছেন।
ইতিপূর্বে ২০২০ সালে ইসাবেলের সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে ২০ দেশের অংশীদার সংস্থাগুলোর সাংবাদিকদের মাধ্যমে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করেছিল দ্য গার্ডিয়ান। সেই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়—ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসাবেলকে অসাধারণ সব সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল অ্যাঙ্গোলায় ক্ষমতাসীন তাঁর বাবার সরকার।
ইসাবেল এবং তাঁর ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগ্রাহক স্বামী কিন্দিকা ডোকোলো বলেছেন—তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যায়ভাবে ইতিপূর্বে তাঁদের কর্মচারী এবং আইনি উপদেষ্টাদের কম্পিউটারগুলো পর্যন্ত হ্যাক করা হয়েছে।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
১৭ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৩৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
২ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে