
রাশিয়া থেকেই একটি ভিডিওর মাধ্যমে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে বার্তা পাঠিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। তবে ভাষণের সময় পুতিন যে স্বরে কথা বলেছেন—তা অস্বাভাবিক বলে দাবি করেছে পশ্চিমা বিভিন্ন গণমাধ্যম।
মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—রুশ প্রেসিডেন্ট জোহানেসবার্গে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের সমাবেশে যোগ দেননি। কারণ ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের জের ধরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সম্পর্কিত রোম সনদে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাক্ষর করায় দেশটিতে গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য থাকবে কর্তৃপক্ষ।
এ অবস্থায় রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন সের্গেই ল্যাভরভ। সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকায় ব্রিকস নেতাদের উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন পুতিন। এতে তিনি বলেছেন, ‘শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়া তার কৃষ্ণ সাগরের শস্য চুক্তিতে ফিরে আসবে না।’
আশ্চর্যের বিষয় হলো—জোহানেসবার্গে বাজিয়ে শোনানো ওই ভিডিওটিতে পুতিনের কথাগুলো একজন বাচিক শিল্পীর দ্বারা ডাবিং করা হয়েছে। এতে ভিডিওর মধ্যে পুতিনের কথাগুলো ৭০ দশকের হলিউড ভিলেন ব্যারি হোয়াইটের গলার আওয়াজের মতো শোনা যাচ্ছিল। বিষয়টি অনেকটা এমন যে, কোনো গ্যাংস্টার একটি টিভি প্রোগ্রামে নকল কণ্ঠে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন যেন তাঁর পরিচয় গোপন থাকে।
এ ছাড়া ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা ভিডিও বার্তাটির মূল সংস্করণে দেখা গেছে, পুতিন একটি লিখিত বক্তব্য পড়তে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকবার কাশি দিয়েছেন।
পুতিনের প্রকৃত কণ্ঠস্বর কেন ব্রিকসে পাঠানো বার্তায় শোনা যায়নি, সে বিষয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ স্বীকার করেছে যে, ভিডিও লিংকের মাধ্যমে পাঠানো পুতিনের বার্তাটি তাঁর নিজের কণ্ঠে নয়।

রাশিয়া থেকেই একটি ভিডিওর মাধ্যমে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে বার্তা পাঠিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। তবে ভাষণের সময় পুতিন যে স্বরে কথা বলেছেন—তা অস্বাভাবিক বলে দাবি করেছে পশ্চিমা বিভিন্ন গণমাধ্যম।
মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—রুশ প্রেসিডেন্ট জোহানেসবার্গে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের সমাবেশে যোগ দেননি। কারণ ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের জের ধরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সম্পর্কিত রোম সনদে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাক্ষর করায় দেশটিতে গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য থাকবে কর্তৃপক্ষ।
এ অবস্থায় রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন সের্গেই ল্যাভরভ। সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকায় ব্রিকস নেতাদের উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন পুতিন। এতে তিনি বলেছেন, ‘শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়া তার কৃষ্ণ সাগরের শস্য চুক্তিতে ফিরে আসবে না।’
আশ্চর্যের বিষয় হলো—জোহানেসবার্গে বাজিয়ে শোনানো ওই ভিডিওটিতে পুতিনের কথাগুলো একজন বাচিক শিল্পীর দ্বারা ডাবিং করা হয়েছে। এতে ভিডিওর মধ্যে পুতিনের কথাগুলো ৭০ দশকের হলিউড ভিলেন ব্যারি হোয়াইটের গলার আওয়াজের মতো শোনা যাচ্ছিল। বিষয়টি অনেকটা এমন যে, কোনো গ্যাংস্টার একটি টিভি প্রোগ্রামে নকল কণ্ঠে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন যেন তাঁর পরিচয় গোপন থাকে।
এ ছাড়া ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা ভিডিও বার্তাটির মূল সংস্করণে দেখা গেছে, পুতিন একটি লিখিত বক্তব্য পড়তে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকবার কাশি দিয়েছেন।
পুতিনের প্রকৃত কণ্ঠস্বর কেন ব্রিকসে পাঠানো বার্তায় শোনা যায়নি, সে বিষয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ স্বীকার করেছে যে, ভিডিও লিংকের মাধ্যমে পাঠানো পুতিনের বার্তাটি তাঁর নিজের কণ্ঠে নয়।

লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২৮ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
১০ ঘণ্টা আগে