
ইউক্রেন যুদ্ধে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ভয়ানক বার্তা দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এখন হাতেগোনা কয়েকটি দেশের হাতে আছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়াও এ ধরনের মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের দাবি করেছে। অনেকে সেই দাবিকে নির্ভরযোগ্য বলেই মনে করছেন।
এ অস্ত্র প্রতিহত করার কার্যকর প্রযুক্তি নেই বললেই চলে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধে এমন অস্ত্রের ব্যবহার পশ্চিমাদের প্রতিও যে কড়া হুঁশিয়ারি বার্তা, তাতে সন্দেহ নেই।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ইউক্রেনের পশ্চিমে একটি অস্ত্রাগারে ১৭ মার্চ কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেটি ধ্বংস করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য
লক্ষ করার বিষয় হলো, রাশিয়া কিন্তু আগে কখনো কোনো যুদ্ধে হাই প্রিসিশন (প্রায় নির্ভুল) অস্ত্র ব্যবহার করার কথা স্বীকার করেনি। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, ইউক্রেন সংঘাতে কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের এটিই প্রথম ব্যবহার।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (১৯ মার্চ) বলেছে, কিনঝাল এভিয়েশন মিসাইল সিস্টেম থেকে হাইপারসনিক অ্যারো ব্যালিস্টিক মিসাইল ইভানো-ফ্রাঙ্কিভস্ক অঞ্চলের দেলিয়াতিন গ্রামে ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোলাবারুদের একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ গুদাম ধ্বংস করেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই কিনঝাল (ড্যাগার) ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘একটি আদর্শ অস্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি সর্বোচ্চ শব্দের ১০ গুণ গতিতে উড়তে পারে। ফলে এর সামনে যেকোনো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর।
২০১৮ সালে পুতিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যেসব নতুন অস্ত্রের ঘোষণা দেন, তার মধ্যে কিনঝাল একটি। কোড নাম ড্যাগার।
কেএইচ-৪২ এম২ কিনঝাল পারমাণবিক ওয়্যারহেড বহনে সক্ষম হাইপারসনিক অ্যারো-ব্যালিস্টিক আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। এর পাল্লা ২ হাজার কিলোমিটারের বেশি বলে দাবি করা হয়। অর্থাৎ এটি একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। এর সর্বোচ্চ গতি মাক ১০ বা ঘণ্টায় ১২ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার। অর্থাৎ শব্দের ১০ গুণ গতিতে উড়তে পারে। যেখানে আদর্শ পরিবেশে শব্দের গতি সেকেন্ডে ৩৩১ দশমিক ২৯ মিটার। এর দৈর্ঘ্য ৮ মিটার। ব্যাস এক মিটার।
উড্ডয়নের প্রতিটি পর্যায়ে পাল্টা হামলা এড়ানোর কৌশল অবলম্বনের সক্ষমতা রয়েছে এ ক্ষেপণাস্ত্রের।
কিনঝাল প্রচলিত এবং পারমাণবিক উভয় ওয়্যারহেড বহন করতে পারে। ১০০ থেকে ৫০০ কিলো টন ক্ষমতার পারমাণবিক ওয়্যারহেড বহন করতে পারে এটি। আর ওয়্যারহেডের সর্বোচ্চ ওজন হতে পারে ৫০০ কেজি। এটি টিইউ-২২ এম৩ বোমারু বিমান বা মিগ-৩১কে ইন্টারসেপ্টর থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করতে পারে এবং মাঝ আকাশে শত্রুর রাডার বা ইন্টারসেপ্টর ফাঁকি দেওয়ার কৌশল চালাতে পারে—এসব কারণে এ অস্ত্রকে শনাক্ত এবং প্রতিহত করা অনেক কঠিন।
রাশিয়া ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ভারতের কাছে এমন অস্ত্র রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ফ্রান্সও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি অর্জনের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে তাদের অগ্রগতি এখনো দৃশ্যমান নয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাশিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যুদ্ধের মোড় ঘোরানোই উদ্দেশ্য—এমন নয়। মূলত পশ্চিমাকে একটি কড়া বার্তা দেওয়াই পুতিনের লক্ষ্য। এমন ব্যাপক বিধ্বংসী হাই প্রিসিশন অস্ত্রের ব্যবহার ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার দাবি-দাওয়া মেটাতে সহায়ক হবে বলে অনেকে মনে করছেন। যেমনটি পুতিন বারবার বলে আসছেন, ইউক্রেন দখল করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়।
পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ প্রচেষ্টা বন্ধ করা এবং এই অঞ্চলে রাশিয়ার ক্ষমতাবলয় আরও সুসংহত করাই পুতিনের একমাত্র লক্ষ্য। অন্তত এক দশক ধরেই এ বিষয়ে পশ্চিমাকে ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন তিনি।
এদিকে এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার (১৮ মার্চ) রাশিয়ার সঙ্গে জরুরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। একটি ফেসবুক ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়ার নিজের ভুলের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কমানোর এটাই সুযোগ।’ অবশ্য বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। যদিও পুতিন এ ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেননি।
মস্কো দাবি করছে, এর আগে কয়েক দফা আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। তাদের অন্যতম প্রধান দাবি— ইউক্রেন হোক একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তবে কিয়েভ বারবার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি চাইছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, তাদের এ অবস্থান এখনো পরিবর্তন হয়নি।

ইউক্রেন যুদ্ধে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ভয়ানক বার্তা দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এখন হাতেগোনা কয়েকটি দেশের হাতে আছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়াও এ ধরনের মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের দাবি করেছে। অনেকে সেই দাবিকে নির্ভরযোগ্য বলেই মনে করছেন।
এ অস্ত্র প্রতিহত করার কার্যকর প্রযুক্তি নেই বললেই চলে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধে এমন অস্ত্রের ব্যবহার পশ্চিমাদের প্রতিও যে কড়া হুঁশিয়ারি বার্তা, তাতে সন্দেহ নেই।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ইউক্রেনের পশ্চিমে একটি অস্ত্রাগারে ১৭ মার্চ কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেটি ধ্বংস করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য
লক্ষ করার বিষয় হলো, রাশিয়া কিন্তু আগে কখনো কোনো যুদ্ধে হাই প্রিসিশন (প্রায় নির্ভুল) অস্ত্র ব্যবহার করার কথা স্বীকার করেনি। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, ইউক্রেন সংঘাতে কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের এটিই প্রথম ব্যবহার।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (১৯ মার্চ) বলেছে, কিনঝাল এভিয়েশন মিসাইল সিস্টেম থেকে হাইপারসনিক অ্যারো ব্যালিস্টিক মিসাইল ইভানো-ফ্রাঙ্কিভস্ক অঞ্চলের দেলিয়াতিন গ্রামে ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোলাবারুদের একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ গুদাম ধ্বংস করেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই কিনঝাল (ড্যাগার) ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘একটি আদর্শ অস্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি সর্বোচ্চ শব্দের ১০ গুণ গতিতে উড়তে পারে। ফলে এর সামনে যেকোনো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর।
২০১৮ সালে পুতিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে যেসব নতুন অস্ত্রের ঘোষণা দেন, তার মধ্যে কিনঝাল একটি। কোড নাম ড্যাগার।
কেএইচ-৪২ এম২ কিনঝাল পারমাণবিক ওয়্যারহেড বহনে সক্ষম হাইপারসনিক অ্যারো-ব্যালিস্টিক আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। এর পাল্লা ২ হাজার কিলোমিটারের বেশি বলে দাবি করা হয়। অর্থাৎ এটি একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। এর সর্বোচ্চ গতি মাক ১০ বা ঘণ্টায় ১২ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার। অর্থাৎ শব্দের ১০ গুণ গতিতে উড়তে পারে। যেখানে আদর্শ পরিবেশে শব্দের গতি সেকেন্ডে ৩৩১ দশমিক ২৯ মিটার। এর দৈর্ঘ্য ৮ মিটার। ব্যাস এক মিটার।
উড্ডয়নের প্রতিটি পর্যায়ে পাল্টা হামলা এড়ানোর কৌশল অবলম্বনের সক্ষমতা রয়েছে এ ক্ষেপণাস্ত্রের।
কিনঝাল প্রচলিত এবং পারমাণবিক উভয় ওয়্যারহেড বহন করতে পারে। ১০০ থেকে ৫০০ কিলো টন ক্ষমতার পারমাণবিক ওয়্যারহেড বহন করতে পারে এটি। আর ওয়্যারহেডের সর্বোচ্চ ওজন হতে পারে ৫০০ কেজি। এটি টিইউ-২২ এম৩ বোমারু বিমান বা মিগ-৩১কে ইন্টারসেপ্টর থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করতে পারে এবং মাঝ আকাশে শত্রুর রাডার বা ইন্টারসেপ্টর ফাঁকি দেওয়ার কৌশল চালাতে পারে—এসব কারণে এ অস্ত্রকে শনাক্ত এবং প্রতিহত করা অনেক কঠিন।
রাশিয়া ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ভারতের কাছে এমন অস্ত্র রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ফ্রান্সও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি অর্জনের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে তাদের অগ্রগতি এখনো দৃশ্যমান নয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাশিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যুদ্ধের মোড় ঘোরানোই উদ্দেশ্য—এমন নয়। মূলত পশ্চিমাকে একটি কড়া বার্তা দেওয়াই পুতিনের লক্ষ্য। এমন ব্যাপক বিধ্বংসী হাই প্রিসিশন অস্ত্রের ব্যবহার ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার দাবি-দাওয়া মেটাতে সহায়ক হবে বলে অনেকে মনে করছেন। যেমনটি পুতিন বারবার বলে আসছেন, ইউক্রেন দখল করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়।
পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ প্রচেষ্টা বন্ধ করা এবং এই অঞ্চলে রাশিয়ার ক্ষমতাবলয় আরও সুসংহত করাই পুতিনের একমাত্র লক্ষ্য। অন্তত এক দশক ধরেই এ বিষয়ে পশ্চিমাকে ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন তিনি।
এদিকে এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার (১৮ মার্চ) রাশিয়ার সঙ্গে জরুরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। একটি ফেসবুক ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়ার নিজের ভুলের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কমানোর এটাই সুযোগ।’ অবশ্য বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। যদিও পুতিন এ ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেননি।
মস্কো দাবি করছে, এর আগে কয়েক দফা আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। তাদের অন্যতম প্রধান দাবি— ইউক্রেন হোক একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তবে কিয়েভ বারবার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি চাইছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, তাদের এ অবস্থান এখনো পরিবর্তন হয়নি।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৫ ঘণ্টা আগে