
কম্পিউটারে নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে ক্যাথলিক খ্রিষ্ট মতবাদ প্রচারে অবদান রাখায় মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে ‘সেইন্ট’ উপাধি দিতে যাচ্ছে ভ্যাটিকান। ক্যাথলিক খ্রিষ্ট মতবাদের সর্বোচ্চ নেতা পোপ ফ্রান্সিস কার্লো অ্যাকুতিস নামের ওই কিশোরকে সেইন্টহুড উপাধি দেওয়ার ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, কার্লো অ্যাকুতিস মিলেনিয়াল জেনারেশন বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সেইন্ট উপাধি পেতে যাচ্ছে। ডিজিটাল দুনিয়া ও জনপরিসরে অ্যাকুতিস ‘গডস ইনফ্লুয়েন্সার’ নামে পরিচিত। ১৯৯১ সালে লন্ডনে জন্ম নেওয়া এই কিশোর ২০০৬ সালে মারা যায় লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে।
কার্লো অ্যাকুতিস লন্ডনে জন্মগ্রহণ করলেও বেড়ে ওঠে ইতালির মিলানে। সেখানেই সে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত ডিজিটাল দুনিয়ায় ক্যাথলিক খ্রিষ্টধর্ম প্রচারে অবদান রাখে তার কম্পিউটার ব্যবহার করে। তার একটি ওয়েবসাইট ছিল, যেখান থেকে সে ক্যাথলিক খ্রিষ্টান মতবাদ প্রচার করত। প্রথমে নিজে নিজে করলেও পরে সে ভ্যাটিক্যান একাডেমির নির্দেশনায় কাজ করতে থাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ভ্যাটিকানের কার্ডিনাল মার্সেলো সেমেরারো জানান, কাউকে সেইন্ট উপাধি দেওয়ার জন্য ভ্যাটিকানের নির্ধারিত কমিটি ডিক্যাস্টারি ফর দ্য কজেস অব সেইন্টসের এক সভায় পোপ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে সম্মতি জানান। ২০২০ সালে অ্যাকুতিসকে বিটিফাই করার অনুমতি দেন পোপ। বিটিফাই এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে সেইন্টহুডের আগের ধাপে তুলে আনা হয়।
আনুষ্ঠানিকভাবে বিটিফাই প্রক্রিয়াটিকে পোপের প্রথম মিরাকল বলা হয় এবং সেইন্টহুড দেওয়ার অনুমতিকে দ্বিতীয় মিরাকল বলা হয়। এদিকে, সেইন্টহুড দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও ঠিক কবে নাগাদ তাকে এই উপাধি দেওয়া হবে, তা জানায়নি ভ্যাটিকান।
উল্লেখ্য, অ্যাকুতিস ১৯৯১ সালে ৩ মে লন্ডনে এক ইতালীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করে এবং কিছুদিন পরেরই তার পরিবার মিলানে চলে যায়। শিশু বয়সেই অ্যাকুতিস খ্রিষ্টধর্মের প্রতি তার দৃঢ় ভক্তি দেখায়। যদিও তার মা–বাবা সেই অর্থে খ্রিষ্টধর্ম মানতেন না। বিষয়টি অ্যাকুতিসের পিতামাতাকে অবাক করেছিল।

কম্পিউটারে নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে ক্যাথলিক খ্রিষ্ট মতবাদ প্রচারে অবদান রাখায় মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে ‘সেইন্ট’ উপাধি দিতে যাচ্ছে ভ্যাটিকান। ক্যাথলিক খ্রিষ্ট মতবাদের সর্বোচ্চ নেতা পোপ ফ্রান্সিস কার্লো অ্যাকুতিস নামের ওই কিশোরকে সেইন্টহুড উপাধি দেওয়ার ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, কার্লো অ্যাকুতিস মিলেনিয়াল জেনারেশন বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সেইন্ট উপাধি পেতে যাচ্ছে। ডিজিটাল দুনিয়া ও জনপরিসরে অ্যাকুতিস ‘গডস ইনফ্লুয়েন্সার’ নামে পরিচিত। ১৯৯১ সালে লন্ডনে জন্ম নেওয়া এই কিশোর ২০০৬ সালে মারা যায় লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে।
কার্লো অ্যাকুতিস লন্ডনে জন্মগ্রহণ করলেও বেড়ে ওঠে ইতালির মিলানে। সেখানেই সে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত ডিজিটাল দুনিয়ায় ক্যাথলিক খ্রিষ্টধর্ম প্রচারে অবদান রাখে তার কম্পিউটার ব্যবহার করে। তার একটি ওয়েবসাইট ছিল, যেখান থেকে সে ক্যাথলিক খ্রিষ্টান মতবাদ প্রচার করত। প্রথমে নিজে নিজে করলেও পরে সে ভ্যাটিক্যান একাডেমির নির্দেশনায় কাজ করতে থাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ভ্যাটিকানের কার্ডিনাল মার্সেলো সেমেরারো জানান, কাউকে সেইন্ট উপাধি দেওয়ার জন্য ভ্যাটিকানের নির্ধারিত কমিটি ডিক্যাস্টারি ফর দ্য কজেস অব সেইন্টসের এক সভায় পোপ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে সম্মতি জানান। ২০২০ সালে অ্যাকুতিসকে বিটিফাই করার অনুমতি দেন পোপ। বিটিফাই এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে সেইন্টহুডের আগের ধাপে তুলে আনা হয়।
আনুষ্ঠানিকভাবে বিটিফাই প্রক্রিয়াটিকে পোপের প্রথম মিরাকল বলা হয় এবং সেইন্টহুড দেওয়ার অনুমতিকে দ্বিতীয় মিরাকল বলা হয়। এদিকে, সেইন্টহুড দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও ঠিক কবে নাগাদ তাকে এই উপাধি দেওয়া হবে, তা জানায়নি ভ্যাটিকান।
উল্লেখ্য, অ্যাকুতিস ১৯৯১ সালে ৩ মে লন্ডনে এক ইতালীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করে এবং কিছুদিন পরেরই তার পরিবার মিলানে চলে যায়। শিশু বয়সেই অ্যাকুতিস খ্রিষ্টধর্মের প্রতি তার দৃঢ় ভক্তি দেখায়। যদিও তার মা–বাবা সেই অর্থে খ্রিষ্টধর্ম মানতেন না। বিষয়টি অ্যাকুতিসের পিতামাতাকে অবাক করেছিল।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে