
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর পথে নেমে এসেছেন পৃথিবীর বহু শান্তিকামী মানুষ। তাঁরা হাতে ‘আমরা যুদ্ধ চাই না’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টোকিও থেকে তেল আবিব, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রুশ দূতাবাসের সামনে এবং জনসমাগমস্থলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন হাজার হাজার শান্তিকামী মানুষ। এমনকি খোদ রাশিয়ায়ও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে। রাশিয়ার মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গ, ইয়েকাটেরিনবার্গসহ ৫৩টি শহরে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ স্লোগান দিয়েছেন।
রুশ সংস্থা ওভিডি ইনফো মনিটর জানিয়েছে, পুলিশ অন্তত ১ হাজার ৬৬৭ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। এর মধ্যে শুধু মস্কো থেকেই ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।
বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসের সামনে প্রথম বিক্ষোভটি দেখা যায়। ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার মাত্র তিন ঘণ্টা পরই মার্কিন জনতা রাশিয়াবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে রাস্তায় নেমে আসেন।
স্থানীয় পত্রিকাগুলো লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে ইউক্রেনের পতাকা নেড়ে ‘রুশ আগ্রাসন বন্ধ করো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া নিউইয়র্ক সিটির
ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ারে কয়েক শ বিক্ষোভকারীকে বিশাল একটি পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
লন্ডনেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ব্রিটিশ নাগরিকেরা। শত শত বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বাড়ি ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে জড়ো হয়ে ব্রিটেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেক ইউক্রেনীয় ছিলেন। তাদের কাঁদতে দেখা গেছে।
রাশিয়াবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও। প্যারিসে একজন বিক্ষোভকারী রয়টার্স বলেছেন, আমি বুঝতে পারছি এই মুহূর্তে পুরো বিশ্ব এক বিরাট বিপর্যয়কর সময় পার করছে।
বিক্ষোভ দেখা গেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদেও। সেখানে শত শত বিক্ষোভকারীর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অস্কার বিজয়ী স্প্যানিশ অভিনেতা জাভিয়ের বারডেম। মাদ্রিদে রুশ দূতাবাসের সামনে তাঁরা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন।
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে ইউক্রেনের পতাকা তুলে ধরেছেন। তাঁরা ‘ইউক্রেনে শান্তি আসুক’ স্লোগান দিচ্ছিলেন।
গ্রিসে থাকা ইউক্রেনীয়রা বিক্ষোভ করেছেন। রাজধানী এথেন্সে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে রাশিয়াবিরোধী স্লোগান দিয়েছেন।
জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করেছেন শান্তিকামী মানুষ।
এ ছাড়া বিক্ষোভ দেখা গেছে বৈরুত, তেল আবিব, ডাবলিন ও প্রাগে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর পথে নেমে এসেছেন পৃথিবীর বহু শান্তিকামী মানুষ। তাঁরা হাতে ‘আমরা যুদ্ধ চাই না’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টোকিও থেকে তেল আবিব, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রুশ দূতাবাসের সামনে এবং জনসমাগমস্থলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন হাজার হাজার শান্তিকামী মানুষ। এমনকি খোদ রাশিয়ায়ও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে। রাশিয়ার মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গ, ইয়েকাটেরিনবার্গসহ ৫৩টি শহরে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ স্লোগান দিয়েছেন।
রুশ সংস্থা ওভিডি ইনফো মনিটর জানিয়েছে, পুলিশ অন্তত ১ হাজার ৬৬৭ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। এর মধ্যে শুধু মস্কো থেকেই ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।
বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসের সামনে প্রথম বিক্ষোভটি দেখা যায়। ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার মাত্র তিন ঘণ্টা পরই মার্কিন জনতা রাশিয়াবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে রাস্তায় নেমে আসেন।
স্থানীয় পত্রিকাগুলো লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে ইউক্রেনের পতাকা নেড়ে ‘রুশ আগ্রাসন বন্ধ করো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া নিউইয়র্ক সিটির
ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ারে কয়েক শ বিক্ষোভকারীকে বিশাল একটি পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
লন্ডনেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ব্রিটিশ নাগরিকেরা। শত শত বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বাড়ি ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে জড়ো হয়ে ব্রিটেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেক ইউক্রেনীয় ছিলেন। তাদের কাঁদতে দেখা গেছে।
রাশিয়াবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও। প্যারিসে একজন বিক্ষোভকারী রয়টার্স বলেছেন, আমি বুঝতে পারছি এই মুহূর্তে পুরো বিশ্ব এক বিরাট বিপর্যয়কর সময় পার করছে।
বিক্ষোভ দেখা গেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদেও। সেখানে শত শত বিক্ষোভকারীর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অস্কার বিজয়ী স্প্যানিশ অভিনেতা জাভিয়ের বারডেম। মাদ্রিদে রুশ দূতাবাসের সামনে তাঁরা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন।
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে ইউক্রেনের পতাকা তুলে ধরেছেন। তাঁরা ‘ইউক্রেনে শান্তি আসুক’ স্লোগান দিচ্ছিলেন।
গ্রিসে থাকা ইউক্রেনীয়রা বিক্ষোভ করেছেন। রাজধানী এথেন্সে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে রাশিয়াবিরোধী স্লোগান দিয়েছেন।
জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করেছেন শান্তিকামী মানুষ।
এ ছাড়া বিক্ষোভ দেখা গেছে বৈরুত, তেল আবিব, ডাবলিন ও প্রাগে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে