
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। এই ব্যর্থতা ঢাকতে তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। এমন আশঙ্কার কথাই ব্যক্ত করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক অ্যানালিস্ট ল্যারি জনসন। গত সপ্তাহে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগকারী ও টিভি উপস্থাপক ক্লেটন মরিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারটির ক্লেটন মরিসের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে।
ল্যারি জনসন বলেন, ‘আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হতে পারে জেলেনস্কিকে। কারণ পূর্ব রণাঙ্গনে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।’ এ সময় তিনি জাপোরিঝিয়াসহ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে পালটা আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যর্থতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা প্রশিক্ষণ, ন্যাটোর ট্যাংক-সাঁজোয়া যান এবং অন্যান্য অস্ত্র সহযোগিতার পরও ইউক্রেন ব্যর্থ হয়েছে।
জনসন আরও বলেন, যেভাবে সংঘাত এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে দেশ হিসেবে ইউক্রেনের টিকে থাকাটাই ‘গভীর সন্দেহ’। কিয়েভ এরই মধ্যে পশ্চিমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। কিয়েভের সক্ষমতা কমছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিমের ওপর তাদের নির্ভরশীলতাও বাড়বে।
তবে জনসনই যে প্রথম সামরিক অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করলেন তা কিন্তু নয়। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন মেরিন কর্পসের কর্মকর্তা স্কট রিটারও এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, সম্ভবত ইউক্রেনের প্রতিটি বিধ্বস্ত ব্রিগেডেই জেলেনস্কির বিরুদ্ধে অসন্তোষ জমা হচ্ছে।
প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ জর্জ গ্যালোওয়েকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিটার বলেছিলেন, ‘আমরা ১৯১৭ সালের কেরনস্কির সময়কার ঘটনা আমলে নিতে পারি। যে সময় তিনি হতাশায় পড়ে বলেছিলেন, আমি আর পারছি না।’ ১৯১৭ সালে কেরেনস্কি রুশ বিপ্লবীদের বিপরীতে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি।
এ সময় রিটার মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর একটি নিবন্ধের কথাও উল্লেখ করেন। সেখানে বলা হয়েছিল, রাশিয়া যদি জেলেনস্কিকে হত্যা করে, তবে ইউক্রেন পরিচালনা করবে কে? সেই নিবন্ধে আরও বলা হয়েছিল, সম্ভবত জেলেনস্কির চেয়েও কট্টর কেউ কিয়েভের ক্ষমতায় আসবে।

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। এই ব্যর্থতা ঢাকতে তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। এমন আশঙ্কার কথাই ব্যক্ত করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক অ্যানালিস্ট ল্যারি জনসন। গত সপ্তাহে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগকারী ও টিভি উপস্থাপক ক্লেটন মরিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারটির ক্লেটন মরিসের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে।
ল্যারি জনসন বলেন, ‘আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হতে পারে জেলেনস্কিকে। কারণ পূর্ব রণাঙ্গনে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।’ এ সময় তিনি জাপোরিঝিয়াসহ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে পালটা আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যর্থতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা প্রশিক্ষণ, ন্যাটোর ট্যাংক-সাঁজোয়া যান এবং অন্যান্য অস্ত্র সহযোগিতার পরও ইউক্রেন ব্যর্থ হয়েছে।
জনসন আরও বলেন, যেভাবে সংঘাত এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে দেশ হিসেবে ইউক্রেনের টিকে থাকাটাই ‘গভীর সন্দেহ’। কিয়েভ এরই মধ্যে পশ্চিমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। কিয়েভের সক্ষমতা কমছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিমের ওপর তাদের নির্ভরশীলতাও বাড়বে।
তবে জনসনই যে প্রথম সামরিক অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করলেন তা কিন্তু নয়। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন মেরিন কর্পসের কর্মকর্তা স্কট রিটারও এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, সম্ভবত ইউক্রেনের প্রতিটি বিধ্বস্ত ব্রিগেডেই জেলেনস্কির বিরুদ্ধে অসন্তোষ জমা হচ্ছে।
প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ জর্জ গ্যালোওয়েকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিটার বলেছিলেন, ‘আমরা ১৯১৭ সালের কেরনস্কির সময়কার ঘটনা আমলে নিতে পারি। যে সময় তিনি হতাশায় পড়ে বলেছিলেন, আমি আর পারছি না।’ ১৯১৭ সালে কেরেনস্কি রুশ বিপ্লবীদের বিপরীতে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি।
এ সময় রিটার মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর একটি নিবন্ধের কথাও উল্লেখ করেন। সেখানে বলা হয়েছিল, রাশিয়া যদি জেলেনস্কিকে হত্যা করে, তবে ইউক্রেন পরিচালনা করবে কে? সেই নিবন্ধে আরও বলা হয়েছিল, সম্ভবত জেলেনস্কির চেয়েও কট্টর কেউ কিয়েভের ক্ষমতায় আসবে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৬ ঘণ্টা আগে