
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভাগনার বিদ্রোহের নেতাদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। বিদ্রোহীরা রাশিয়াকে রক্তাক্ত ও দ্বিধাবিভক্ত দেখতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি সরাসরি ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোশিনের নাম উচ্চারণ করেননি।
এদিকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগদান, বেলারুশে যেতে বা দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক ভাগনার সৈন্যদের ‘দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেছেন পুতিন। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করেছে।
গত সপ্তাহে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সংগঠন ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোশিন রুশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ক্রেমলিন তাঁকে ‘অস্ত্রধারী বিদ্রোহী’ বলে অভিযুক্ত করার কয়েক ঘণ্টা পরেই তিনি এ ঘোষণা দেন। এরপর ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার রোস্তভ শহর দখলে নেন এবং মস্কো অভিমুখে রওনা দেন। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি এই বিদ্রোহ পুতিনকে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে বটে।
গত ১২ জুন রাশিয়া ভাগনার বাহিনীকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়। এ সময় রুশ উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোলাই পানকভ বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটিকে (ভাগনার) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলা হবে।’ কিন্তু রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তিতে গেলে ভাগনারের কলকাঠি আর প্রিগোজিনের হাতে থাকবে না। তখনই ঘুরে বসেছিলেন প্রিগোজিন।
তবে প্রিগোশিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের সময় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ কারণেই ভাগনার বিদ্রোহ করেছে। তবে ভাগনার সব সময় এবং শুধু রাশিয়ার স্বার্থেই কাজ করেছে।
রাশিয়া ছেড়ে বেলারুশে যাওয়ার আগে এমনটিই জানিয়েছিলেন প্রিগোশিন। রক্তপাত এড়াতেই এই বিদ্রোহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে রাশিয়ার নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভাগনার বিদ্রোহের নেতাদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। বিদ্রোহীরা রাশিয়াকে রক্তাক্ত ও দ্বিধাবিভক্ত দেখতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি সরাসরি ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোশিনের নাম উচ্চারণ করেননি।
এদিকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগদান, বেলারুশে যেতে বা দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক ভাগনার সৈন্যদের ‘দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেছেন পুতিন। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করেছে।
গত সপ্তাহে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সংগঠন ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোশিন রুশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ক্রেমলিন তাঁকে ‘অস্ত্রধারী বিদ্রোহী’ বলে অভিযুক্ত করার কয়েক ঘণ্টা পরেই তিনি এ ঘোষণা দেন। এরপর ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার রোস্তভ শহর দখলে নেন এবং মস্কো অভিমুখে রওনা দেন। কিন্তু স্বল্পমেয়াদি এই বিদ্রোহ পুতিনকে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে বটে।
গত ১২ জুন রাশিয়া ভাগনার বাহিনীকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়। এ সময় রুশ উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোলাই পানকভ বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটিকে (ভাগনার) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলা হবে।’ কিন্তু রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তিতে গেলে ভাগনারের কলকাঠি আর প্রিগোজিনের হাতে থাকবে না। তখনই ঘুরে বসেছিলেন প্রিগোজিন।
তবে প্রিগোশিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের সময় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ কারণেই ভাগনার বিদ্রোহ করেছে। তবে ভাগনার সব সময় এবং শুধু রাশিয়ার স্বার্থেই কাজ করেছে।
রাশিয়া ছেড়ে বেলারুশে যাওয়ার আগে এমনটিই জানিয়েছিলেন প্রিগোশিন। রক্তপাত এড়াতেই এই বিদ্রোহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে রাশিয়ার নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে