
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিতর্কিত ছিটমহল নাগোরনো–কারাবাখে সর্বশেষ সংঘাতে অন্তত ৩ সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন আর্মেনিয়ার সৈন্য। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ১৪ আর্মেনিয় সৈন্য। নিহত আরেক ব্যক্তি আজারবাইজানের। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্মেনিয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—আজারবাইজানের সৈন্যরা ২০২০ সালের অস্ত্রবিরতি ভঙ্গ করে ড্রোন ব্যবহার করে আর্মেনিয় সৈন্যদের ওপর গ্রেনেড হামলা করলে ঘটনাস্থলেই ২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ১৪ জন।
এদিকে, আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আর্মেনিয় বাহিনী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের একজন সৈন্যকে হত্যা করে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কারাবাখে থাকা আর্মেনিয় সৈন্যরা লাচিন করিডরে অবস্থিত বেশ কিছু কৌশলগত অবস্থানে হামলা চালিয়েছিল। সর্বশেষ, ২ বছর আগে উদ্ভূত সংকটময় পরিস্থিতর পর থেকে এই করিডরটি রাশিয়ার শান্তিরক্ষীবাহিনীর অধীনে রয়েছে।
নাগোরনো–কারাবাখে ছিটমহলটি নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান কয়েক যুগ ধরেই লড়ছে। তবে, ১৯৯৪ সালে শেষ হওয়া যুদ্ধের পর থেকেই ছিটমহলটি আর্মেনিয়ার মদদপুষ্ট আর্মেনিয় নৃ–গোষ্ঠীর সদস্যরাই প্রাধান্য বিস্তার করে আসছে।
সর্বশেষ, ২০২০ সালে ৬ সপ্তাহের সংঘাতে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ লোকের মৃত্যু হয় এবং আজারবাইজান ছিটমহলটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ওই যুদ্ধ শেষ হয়। তারপর থেকেই সেখানে রাশিয়ার প্রায় ২০০০ সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের বিতর্কিত ছিটমহল নাগোরনো–কারাবাখে সর্বশেষ সংঘাতে অন্তত ৩ সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন আর্মেনিয়ার সৈন্য। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ১৪ আর্মেনিয় সৈন্য। নিহত আরেক ব্যক্তি আজারবাইজানের। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্মেনিয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—আজারবাইজানের সৈন্যরা ২০২০ সালের অস্ত্রবিরতি ভঙ্গ করে ড্রোন ব্যবহার করে আর্মেনিয় সৈন্যদের ওপর গ্রেনেড হামলা করলে ঘটনাস্থলেই ২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ১৪ জন।
এদিকে, আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আর্মেনিয় বাহিনী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের একজন সৈন্যকে হত্যা করে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কারাবাখে থাকা আর্মেনিয় সৈন্যরা লাচিন করিডরে অবস্থিত বেশ কিছু কৌশলগত অবস্থানে হামলা চালিয়েছিল। সর্বশেষ, ২ বছর আগে উদ্ভূত সংকটময় পরিস্থিতর পর থেকে এই করিডরটি রাশিয়ার শান্তিরক্ষীবাহিনীর অধীনে রয়েছে।
নাগোরনো–কারাবাখে ছিটমহলটি নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান কয়েক যুগ ধরেই লড়ছে। তবে, ১৯৯৪ সালে শেষ হওয়া যুদ্ধের পর থেকেই ছিটমহলটি আর্মেনিয়ার মদদপুষ্ট আর্মেনিয় নৃ–গোষ্ঠীর সদস্যরাই প্রাধান্য বিস্তার করে আসছে।
সর্বশেষ, ২০২০ সালে ৬ সপ্তাহের সংঘাতে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ লোকের মৃত্যু হয় এবং আজারবাইজান ছিটমহলটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ওই যুদ্ধ শেষ হয়। তারপর থেকেই সেখানে রাশিয়ার প্রায় ২০০০ সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে