
নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দ্রিস ভ্যান অ্যাগট তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছেন। দ্রিস ভ্যান ও তাঁর স্ত্রী ইগুইন—দুজনই ৯৩ বছর বয়সী ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান আজ রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার তাঁদের মৃত্যু হয়; যা নেদারল্যান্ডসে ‘যুগলদের স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের’ ক্রমবর্ধমান ট্রেন্ডের একটি প্রতিচ্ছবি।
নেদারল্যান্ডসে ২০২০ সালে ২৬ দম্পতিকে একসঙ্গে মৃত্যুবরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর এটি ৩২ এ দাঁড়ায়। আর ২০২৩ সালে দেশটিতে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন ৫৮টি যুগল।
ডাচ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দ্রিস ভ্যান ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক আপিল পার্টির নেতা ছিলেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি ক্যাথলিক খ্রিস্টান ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও সব সময় নিজের পথে চলেছেন।
দ্রিস ভ্যানের প্রতিষ্ঠিত একটি অধিকার সংস্থা তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির পরিচালক জেরার্ড জোনকম্যান সংবাদমাধ্যম এনওএসকে বলেছেন, গত সপ্তাহে ‘একসঙ্গে হাতে হাত রেখে’ তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দ্রিস ভ্যান গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর স্ত্রীকে রেখে আগে চলে যেতে পারতেন না। ফলে তাঁরা দুজনই একসঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন।
২০১৯ সালে দ্রিস ভ্যানের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন। যেখান থেকে আর কখনো সুস্থ হননি তিনি।
নেদারল্যান্ডসে ২০০২ সাল থেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা সাহায্য নিয়ে আত্মহত্যার অনুমতি রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে ছয়টি শর্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, যদি কেউ স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের আগ্রহ দেখান, তাহলে তাঁকে অসহ্যকর যন্ত্রণার মধ্যে থাকতে হবে। সুস্থ হবেন এমন কোনো সম্ভাবনা থাকা যাবে না এবং মৃত্যুবরণের নিজ ইচ্ছা থাকতে হবে।
যাচাই-বাছাইয়ের পর আগ্রহী ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের অনুমতি দেওয়া হবে। আর এতে সহযোগিতা করবেন পারিবারিক চিকিৎসক।

নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দ্রিস ভ্যান অ্যাগট তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছেন। দ্রিস ভ্যান ও তাঁর স্ত্রী ইগুইন—দুজনই ৯৩ বছর বয়সী ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান আজ রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার তাঁদের মৃত্যু হয়; যা নেদারল্যান্ডসে ‘যুগলদের স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের’ ক্রমবর্ধমান ট্রেন্ডের একটি প্রতিচ্ছবি।
নেদারল্যান্ডসে ২০২০ সালে ২৬ দম্পতিকে একসঙ্গে মৃত্যুবরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর এটি ৩২ এ দাঁড়ায়। আর ২০২৩ সালে দেশটিতে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন ৫৮টি যুগল।
ডাচ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দ্রিস ভ্যান ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক আপিল পার্টির নেতা ছিলেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি ক্যাথলিক খ্রিস্টান ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও সব সময় নিজের পথে চলেছেন।
দ্রিস ভ্যানের প্রতিষ্ঠিত একটি অধিকার সংস্থা তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির পরিচালক জেরার্ড জোনকম্যান সংবাদমাধ্যম এনওএসকে বলেছেন, গত সপ্তাহে ‘একসঙ্গে হাতে হাত রেখে’ তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দ্রিস ভ্যান গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর স্ত্রীকে রেখে আগে চলে যেতে পারতেন না। ফলে তাঁরা দুজনই একসঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন।
২০১৯ সালে দ্রিস ভ্যানের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন। যেখান থেকে আর কখনো সুস্থ হননি তিনি।
নেদারল্যান্ডসে ২০০২ সাল থেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা সাহায্য নিয়ে আত্মহত্যার অনুমতি রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে ছয়টি শর্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, যদি কেউ স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের আগ্রহ দেখান, তাহলে তাঁকে অসহ্যকর যন্ত্রণার মধ্যে থাকতে হবে। সুস্থ হবেন এমন কোনো সম্ভাবনা থাকা যাবে না এবং মৃত্যুবরণের নিজ ইচ্ছা থাকতে হবে।
যাচাই-বাছাইয়ের পর আগ্রহী ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের অনুমতি দেওয়া হবে। আর এতে সহযোগিতা করবেন পারিবারিক চিকিৎসক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই মর্মে ‘আশ্বস্ত’ করা হয়েছে যে—ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে ফাঁসি কার্যকর করার ‘কোনো পরিকল্পনা নেই।’
৬ মিনিট আগে
ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৮ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে