
ব্রিটিশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার গোপন অভিযান থেকে যুক্তরাজ্যের জলসীমা রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইয়ান্টার নামে রাশিয়ার গুপ্তচর জাহাজটিকে এই সপ্তাহে ইংলিশ চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যেতে দেখা গেছে। চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এটি ব্রিটিশ নৌবাহিনীর এইচএমএস সমারসেট জাহাজকে পাশ কাটিয়ে যায়।
ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার সিএনএন জানিয়েছে, ইয়ান্টার জাহাজটি গত নভেম্বরে প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ জলসীমায় প্রবেশ করেছিল এবং সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বিঘ্ন ঘটিয়েছিল। পরে একটি ব্রিটিশ সাবমেরিন থেকে সতর্ক করা হলে এটি যুক্তরাজ্যের জলসীমা ছেড়ে ভূমধ্যসাগরের দিকে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো এটি আবারও ফিরে এসেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং বাল্টিক সাগরে আরও কয়েকটি ঘটনার পর আন্তর্জাতিক জলসীমায় রাশিয়ার সন্দেহজনক গতিবিধির তীব্র উদ্বেগের মধ্যেই এবার যুক্তরাজ্যের দাবিটি সামনে এল।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাল্টিক সাগরের তলদেশ দিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কেবল (তার) এবং অন্যান্য অফশোর অবকাঠামোর সুরক্ষা জোরদার করছে যুক্তরাজ্য। ন্যাটোর প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য সামুদ্রিক টহল জোরদারের পাশাপাশি তারা নজরদারি বিমানও সরবরাহ করছে।
হিলি বলেন, ‘পুতিনের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা জানি, তোমরা কী করছো এবং ব্রিটেনকে রক্ষা করার জন্য আমরা জোরালো পদক্ষেপ নিতে পিছপা হব না।’
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে নর্ডিক ওয়ার্ডেন নামে পরিচিত একটি উন্নত এআই সিস্টেম মোতায়েন করা হবে বলেও জানিয়েছেন হিলি। গত ডিসেম্বরেই এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মধ্যকার সমুদ্রতলে তারের ক্ষতি হলে ব্রিটিশ সরকার এই ঘোষণা দিয়েছিল।
হিলি আরও বলেন, ‘আমাদের যৌথ বাহিনী এবং ন্যাটো মিত্রদের পাশাপাশি, আমরা রাশিয়ান জাহাজ এবং বিমান যেন যুক্তরাজ্য বা ন্যাটো অঞ্চলের কাছাকাছি গোপনে চলাচল করতে না পারে তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া জোরদার করছি।
‘আমরা পুতিনের নির্দেশিত ক্ষতিকারক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখব। ইউক্রেনে অবৈধ আক্রমণের জন্য তাঁর অর্থায়ন রোধ করতে রাশিয়ার ছায়া নৌবহরের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি ব্রিফিংয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ যুক্তরাজ্যের বিবৃতিতে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

ব্রিটিশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার গোপন অভিযান থেকে যুক্তরাজ্যের জলসীমা রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইয়ান্টার নামে রাশিয়ার গুপ্তচর জাহাজটিকে এই সপ্তাহে ইংলিশ চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যেতে দেখা গেছে। চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এটি ব্রিটিশ নৌবাহিনীর এইচএমএস সমারসেট জাহাজকে পাশ কাটিয়ে যায়।
ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার সিএনএন জানিয়েছে, ইয়ান্টার জাহাজটি গত নভেম্বরে প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ জলসীমায় প্রবেশ করেছিল এবং সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বিঘ্ন ঘটিয়েছিল। পরে একটি ব্রিটিশ সাবমেরিন থেকে সতর্ক করা হলে এটি যুক্তরাজ্যের জলসীমা ছেড়ে ভূমধ্যসাগরের দিকে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো এটি আবারও ফিরে এসেছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং বাল্টিক সাগরে আরও কয়েকটি ঘটনার পর আন্তর্জাতিক জলসীমায় রাশিয়ার সন্দেহজনক গতিবিধির তীব্র উদ্বেগের মধ্যেই এবার যুক্তরাজ্যের দাবিটি সামনে এল।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাল্টিক সাগরের তলদেশ দিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কেবল (তার) এবং অন্যান্য অফশোর অবকাঠামোর সুরক্ষা জোরদার করছে যুক্তরাজ্য। ন্যাটোর প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য সামুদ্রিক টহল জোরদারের পাশাপাশি তারা নজরদারি বিমানও সরবরাহ করছে।
হিলি বলেন, ‘পুতিনের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা জানি, তোমরা কী করছো এবং ব্রিটেনকে রক্ষা করার জন্য আমরা জোরালো পদক্ষেপ নিতে পিছপা হব না।’
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে নর্ডিক ওয়ার্ডেন নামে পরিচিত একটি উন্নত এআই সিস্টেম মোতায়েন করা হবে বলেও জানিয়েছেন হিলি। গত ডিসেম্বরেই এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মধ্যকার সমুদ্রতলে তারের ক্ষতি হলে ব্রিটিশ সরকার এই ঘোষণা দিয়েছিল।
হিলি আরও বলেন, ‘আমাদের যৌথ বাহিনী এবং ন্যাটো মিত্রদের পাশাপাশি, আমরা রাশিয়ান জাহাজ এবং বিমান যেন যুক্তরাজ্য বা ন্যাটো অঞ্চলের কাছাকাছি গোপনে চলাচল করতে না পারে তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া জোরদার করছি।
‘আমরা পুতিনের নির্দেশিত ক্ষতিকারক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখব। ইউক্রেনে অবৈধ আক্রমণের জন্য তাঁর অর্থায়ন রোধ করতে রাশিয়ার ছায়া নৌবহরের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি ব্রিফিংয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ যুক্তরাজ্যের বিবৃতিতে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে