
রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার পর এ প্রথম কানাডা সফরে গিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কানাডার টেলিভিশনে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ওটাওয়ার বিমানবন্দরে জেলেনস্কি ও ফার্স্ট লেডি ওলেনাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন।
ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধের মধ্যে কিয়েভকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায় তা নিয়ে চলছে নানান তোড়জোড়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আরও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিতের প্রত্যাশায় যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সাহায্য চালিয়ে যাবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে জেলেনস্কি বিশ্বনেতাদের রুশবাহিনী মোকাবিলার জন্য ইউক্রেনের সহযোগিতা চালিয়ে যেতে আহ্বান জানান।
সম্প্রতি ইউক্রেনের খাদ্যশস্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় জেলেনস্কি পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান। এতে দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যায়।
কানাডা সফরে জেলেনস্কির সঙ্গী হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী ওলেনা জেলেনস্কা। সেখানে বিমান বন্দরেই তাঁদের জাস্টিন ট্রুডোসহ কানাডার অন্যান্য কর্মকর্তারা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
গত জুনে ট্রুডো ইউক্রেনের সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। জেলেনস্কির আগমনে ইউক্রেনকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনরায় নিশ্চিত করেছে কানাডা। জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত বব রে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, সহায়তার জন্য তাঁদের আরও কিছু করা উচিত।
বব রে বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণকে সহযোগিতা করতে যা যা করা সম্ভব আমরা তা করব।’
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সশরীরে পার্লামেন্টে না গেলেও জেলেনস্কি এর আগে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। এ সাহায্য চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আবারও আবেদন করবেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়। কানাডা এরই মধ্যে অস্ত্র, ট্যাংক ও ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছে, অর্থের হিসেবে যা প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের সমান।
এ সফরে টরোন্টোর ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন জেলেনস্কি।
তবে বাইডেন বারবার ইউক্রেনকে সাহায্য চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করার পরও যুক্তরাষ্ট্রে এ যুদ্ধের অর্থায়ন নিয়ে আশঙ্কা শুরু হয়েছে।
বাইডেন বলেন, ‘রাশিয়ার বিশ্বাস, বিশ্ব এক সময় ক্লান্ত হয়ে যাবে এবং কোনো পরিণতি ছাড়াই ইউক্রেনে নৃশংসতা চালানোর অনুমতি দেবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে ১১ হাজার কোটি ডলারের সহায়তা করেছে। তবে, পোল বলছে অর্থায়ন চালিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিনিদের মধ্যে সমর্থন হ্রাস পাচ্ছে।
রিপাবলিকানদের যুক্তি হলো এ অর্থ দেশের অভ্যন্তরে বেশি কাজে লাগবে। তবে, জেলেনস্কির সফরকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও ২৬ কোটি ডলার সহায়তার অনুমোদন দেন।
এ সহযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে আকাশ পথের প্রতিরোধ ব্যবস্থা হালনাগাদ করা। কিন্তু জেলেনস্কির দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আবেদন নাকচ করেছেন বাইডেন।
গত বুধবার পোল্যান্ড ঘোষণা দেয়, এটি ইউক্রেনে আর নতুন অস্ত্র পাঠাবে না। বরং পোল্যান্ডের প্রতিরোধ ব্যবস্থায় আরও আধুনিক অস্ত্র যোগ করার ওপর গুরুত্ব দেবে।

রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার পর এ প্রথম কানাডা সফরে গিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কানাডার টেলিভিশনে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ওটাওয়ার বিমানবন্দরে জেলেনস্কি ও ফার্স্ট লেডি ওলেনাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন।
ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধের মধ্যে কিয়েভকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায় তা নিয়ে চলছে নানান তোড়জোড়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আরও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিতের প্রত্যাশায় যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সাহায্য চালিয়ে যাবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে জেলেনস্কি বিশ্বনেতাদের রুশবাহিনী মোকাবিলার জন্য ইউক্রেনের সহযোগিতা চালিয়ে যেতে আহ্বান জানান।
সম্প্রতি ইউক্রেনের খাদ্যশস্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় জেলেনস্কি পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান। এতে দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যায়।
কানাডা সফরে জেলেনস্কির সঙ্গী হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী ওলেনা জেলেনস্কা। সেখানে বিমান বন্দরেই তাঁদের জাস্টিন ট্রুডোসহ কানাডার অন্যান্য কর্মকর্তারা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
গত জুনে ট্রুডো ইউক্রেনের সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। জেলেনস্কির আগমনে ইউক্রেনকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনরায় নিশ্চিত করেছে কানাডা। জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত বব রে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, সহায়তার জন্য তাঁদের আরও কিছু করা উচিত।
বব রে বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণকে সহযোগিতা করতে যা যা করা সম্ভব আমরা তা করব।’
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সশরীরে পার্লামেন্টে না গেলেও জেলেনস্কি এর আগে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। এ সাহায্য চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আবারও আবেদন করবেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়। কানাডা এরই মধ্যে অস্ত্র, ট্যাংক ও ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছে, অর্থের হিসেবে যা প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের সমান।
এ সফরে টরোন্টোর ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন জেলেনস্কি।
তবে বাইডেন বারবার ইউক্রেনকে সাহায্য চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করার পরও যুক্তরাষ্ট্রে এ যুদ্ধের অর্থায়ন নিয়ে আশঙ্কা শুরু হয়েছে।
বাইডেন বলেন, ‘রাশিয়ার বিশ্বাস, বিশ্ব এক সময় ক্লান্ত হয়ে যাবে এবং কোনো পরিণতি ছাড়াই ইউক্রেনে নৃশংসতা চালানোর অনুমতি দেবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে ১১ হাজার কোটি ডলারের সহায়তা করেছে। তবে, পোল বলছে অর্থায়ন চালিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিনিদের মধ্যে সমর্থন হ্রাস পাচ্ছে।
রিপাবলিকানদের যুক্তি হলো এ অর্থ দেশের অভ্যন্তরে বেশি কাজে লাগবে। তবে, জেলেনস্কির সফরকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও ২৬ কোটি ডলার সহায়তার অনুমোদন দেন।
এ সহযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে আকাশ পথের প্রতিরোধ ব্যবস্থা হালনাগাদ করা। কিন্তু জেলেনস্কির দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আবেদন নাকচ করেছেন বাইডেন।
গত বুধবার পোল্যান্ড ঘোষণা দেয়, এটি ইউক্রেনে আর নতুন অস্ত্র পাঠাবে না। বরং পোল্যান্ডের প্রতিরোধ ব্যবস্থায় আরও আধুনিক অস্ত্র যোগ করার ওপর গুরুত্ব দেবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
১ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৪ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে