
ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি করছে সেখানকার প্রশাসন। পাঁচ দিনের কথিত গণভোটের পর এই ফলাফলের কথা জানান এসব অঞ্চলে রাশিয়া-সমর্থিত কর্মকর্তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেকটা তড়িঘড়ি করে পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক এবং দক্ষিণাঞ্চলের জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলে গণভোটের আয়োজন করা হয়। এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের ভূখণ্ডের প্রায় ১৫ শতাংশ, যা রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।
লুহানস্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৯৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার রাশিয়ায় যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। জাপোরিঝিয়ার প্রশাসন জানিয়েছে, রাশিয়ায় যোগদানের পক্ষে ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার। খেরসনে রাশিয়ায় যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট পড়েছে প্রায় ৮৭ শতাংশ। স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রধান বলেছেন, ওই অঞ্চলের ৯৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোটারই রাশিয়ায় যোগদানের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
গণভোট সম্পন্ন হওয়া চারটি অঞ্চলের সবগুলোতেই ব্যালট গণনা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। শুক্রবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে এই চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অধিভুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়াকে একই ধরনের গণভোটের পর রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন পুতিন।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য পর্যালোচনাবিষয়ক এক সভায় জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে ভাষণ দিতে পারেন এবং তাঁর ভাষণে ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন।
এর আগে এই গণভোটের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্স বলেছে, তারা এ ধরনের ‘ভুয়া’ ব্যালটের ফলাফলকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না। রাশিয়ার এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলছে পশ্চিমারা। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো বলেছে, গণভোটের এই পরিকল্পনা যুদ্ধের তীব্রতা বাড়াবে।

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি করছে সেখানকার প্রশাসন। পাঁচ দিনের কথিত গণভোটের পর এই ফলাফলের কথা জানান এসব অঞ্চলে রাশিয়া-সমর্থিত কর্মকর্তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেকটা তড়িঘড়ি করে পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক এবং দক্ষিণাঞ্চলের জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলে গণভোটের আয়োজন করা হয়। এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের ভূখণ্ডের প্রায় ১৫ শতাংশ, যা রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।
লুহানস্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৯৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার রাশিয়ায় যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। জাপোরিঝিয়ার প্রশাসন জানিয়েছে, রাশিয়ায় যোগদানের পক্ষে ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার। খেরসনে রাশিয়ায় যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট পড়েছে প্রায় ৮৭ শতাংশ। স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রধান বলেছেন, ওই অঞ্চলের ৯৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোটারই রাশিয়ায় যোগদানের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
গণভোট সম্পন্ন হওয়া চারটি অঞ্চলের সবগুলোতেই ব্যালট গণনা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। শুক্রবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে এই চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অধিভুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়াকে একই ধরনের গণভোটের পর রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন পুতিন।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য পর্যালোচনাবিষয়ক এক সভায় জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে ভাষণ দিতে পারেন এবং তাঁর ভাষণে ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন।
এর আগে এই গণভোটের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্স বলেছে, তারা এ ধরনের ‘ভুয়া’ ব্যালটের ফলাফলকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না। রাশিয়ার এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলছে পশ্চিমারা। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো বলেছে, গণভোটের এই পরিকল্পনা যুদ্ধের তীব্রতা বাড়াবে।

আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে ভেনেজুয়েলায় এক নজিরবিহীন ও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৮ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে ফৌজদারি অপরাধের বিচার করা হবে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি।
৩৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র আসলেই ডেল্টা ফোর্স পাঠিয়ে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে থাকলে— আধুনিককালের ইতিহাসে তা হবে নজিরবিহীন ঘটনা।
১ ঘণ্টা আগে
সংলাপের বিষয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে উদ্ভূত পরিস্থিতির ন্যায্য সমাধান নিয়ে আলোচনা করতে রিয়াদে একটি সর্বাত্মক সম্মেলনের মাধ্যমে সব দক্ষিণাঞ্চলীয় পক্ষকে একত্র করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে