
ভ্লাদিমির পুতিনের মালিকানাধীন গোপন আর্কটিক সামরিক ঘাঁটির কাছাকাছি এলাকায় বসবাসরত স্থানীয়রা ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছেন। এই বিস্ফোরণ তাঁদের ঘরবাড়ি কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং আকাশে উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি দেখা গেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডেইলি স্টার জানিয়েছে, নতুন ফুটেজে নৌবাহিনীর সেভেরোমর্স্ক-১ বিমানঘাঁটির ওপর বিস্ফোরণটি ঘটতে দেখা গেছে। কোলা উপদ্বীপে অবস্থিত এই ঘাঁটি রাশিয়ার যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং সামুদ্রিক নজরদারি বিমানের জন্য পরিচিত। পাশাপাশি এই ঘাঁটি অস্ত্র সংরক্ষণ এবং বাংকার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ি ঘাঁটির কাছ থেকে সরে যাচ্ছে এবং কিছুক্ষণ পরই কমলা রঙের আলো জ্বলে উঠেছে।
বিস্ফোরণের পেছনে কে দায়ী তা জানা যায়নি। তবে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের সঙ্গে এটির সম্পর্ক থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে নানা তত্ত্ব উঠে এসেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি পুতিনের নিজস্ব মিসাইল পরীক্ষার ফলাফল হতে পারে, যা ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে একই অঞ্চলে এমন পরীক্ষার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছিল।
স্থানীয় এক বাসিন্দা দ্য ব্যারেন্তস অবজার্ভারকে বলেছেন, ‘দুটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। আমি স্তারোস্তিনা স্ট্রিটে ৮তলায় থাকি। আমার বাড়ি কেঁপে উঠেছিল। এটা ছিল ভীষণ ভয়ংকর।’
আরেকটি তত্ত্ব অনুযায়ী, এটি হতে পারে অস্ত্র নিষ্কাশনের একটি প্রচেষ্টা। ঘাঁটির কাছাকাছি এলাকায় মাঝে মাঝে এই ধরনের কাজ করা হয়।
সিসমোলজির বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা টোরমোড কভার্না জানান, তাঁর স্টেশন থেকে একটি সংকেত পাওয়া গেছে, যা একটি বড় বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়।
একজন বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন, বেলা ২টা ৪৫-এর দিকে পরিষ্কার আকাশে তিনটি উজ্জ্বল আলো দেখা যায়। সেগুলো ধীরে ধীরে নেমে সেভেরোমর্স্ক-৩-এর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে চলে যায়।’
বিস্ফোরণের দিন পুতিন একটি দীর্ঘ টেলিভিশন কল-ইন এবং প্রেস কনফারেন্স শেষ করেন। সেখানে তিনি বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে দায়ী করেন।
কনফারেন্সের সময় তিনি আমেরিকান লেখক মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি ব্যবহার করে কিছুটা হাস্যরস করার চেষ্টা করেন। পুতিন বলেন, ‘আমার মৃত্যু নিয়ে গুজব অনেক অতিরঞ্জিত।’
এই কনফারেন্সকে ‘একটি সুসংগঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত আয়োজন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে বিবিসি। পুতিন জানান, মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চান, তবে তিনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত।

ভ্লাদিমির পুতিনের মালিকানাধীন গোপন আর্কটিক সামরিক ঘাঁটির কাছাকাছি এলাকায় বসবাসরত স্থানীয়রা ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছেন। এই বিস্ফোরণ তাঁদের ঘরবাড়ি কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং আকাশে উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি দেখা গেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডেইলি স্টার জানিয়েছে, নতুন ফুটেজে নৌবাহিনীর সেভেরোমর্স্ক-১ বিমানঘাঁটির ওপর বিস্ফোরণটি ঘটতে দেখা গেছে। কোলা উপদ্বীপে অবস্থিত এই ঘাঁটি রাশিয়ার যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং সামুদ্রিক নজরদারি বিমানের জন্য পরিচিত। পাশাপাশি এই ঘাঁটি অস্ত্র সংরক্ষণ এবং বাংকার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ি ঘাঁটির কাছ থেকে সরে যাচ্ছে এবং কিছুক্ষণ পরই কমলা রঙের আলো জ্বলে উঠেছে।
বিস্ফোরণের পেছনে কে দায়ী তা জানা যায়নি। তবে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের সঙ্গে এটির সম্পর্ক থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে নানা তত্ত্ব উঠে এসেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি পুতিনের নিজস্ব মিসাইল পরীক্ষার ফলাফল হতে পারে, যা ব্যর্থ হয়েছে। এর আগে একই অঞ্চলে এমন পরীক্ষার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছিল।
স্থানীয় এক বাসিন্দা দ্য ব্যারেন্তস অবজার্ভারকে বলেছেন, ‘দুটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। আমি স্তারোস্তিনা স্ট্রিটে ৮তলায় থাকি। আমার বাড়ি কেঁপে উঠেছিল। এটা ছিল ভীষণ ভয়ংকর।’
আরেকটি তত্ত্ব অনুযায়ী, এটি হতে পারে অস্ত্র নিষ্কাশনের একটি প্রচেষ্টা। ঘাঁটির কাছাকাছি এলাকায় মাঝে মাঝে এই ধরনের কাজ করা হয়।
সিসমোলজির বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা টোরমোড কভার্না জানান, তাঁর স্টেশন থেকে একটি সংকেত পাওয়া গেছে, যা একটি বড় বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়।
একজন বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন, বেলা ২টা ৪৫-এর দিকে পরিষ্কার আকাশে তিনটি উজ্জ্বল আলো দেখা যায়। সেগুলো ধীরে ধীরে নেমে সেভেরোমর্স্ক-৩-এর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে চলে যায়।’
বিস্ফোরণের দিন পুতিন একটি দীর্ঘ টেলিভিশন কল-ইন এবং প্রেস কনফারেন্স শেষ করেন। সেখানে তিনি বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে দায়ী করেন।
কনফারেন্সের সময় তিনি আমেরিকান লেখক মার্ক টোয়েনের একটি উক্তি ব্যবহার করে কিছুটা হাস্যরস করার চেষ্টা করেন। পুতিন বলেন, ‘আমার মৃত্যু নিয়ে গুজব অনেক অতিরঞ্জিত।’
এই কনফারেন্সকে ‘একটি সুসংগঠিত এবং নিয়ন্ত্রিত আয়োজন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে বিবিসি। পুতিন জানান, মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চান, তবে তিনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে