
পূর্বাঞ্চলের পর রুশ বাহিনীর কাছ থেকে এবার দক্ষিণের কয়েকটি অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে ইউক্রেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (৩ অক্টোবর) ইউক্রেনের বাহিনী দেশটির দক্ষিণে রুশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে দিনিপ্রো নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রাম দখলে নিয়েছে।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় অপারেশনাল কমান্ড দাবি করেছে, তাঁরা ৩১টি রুশ ট্যাংক ও কয়েকটি রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। এই তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
তবে সদ্য পুনর্দখল করা লাইমান শহরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বেশ কয়েকটি সামরিক পরিবহন নিয়ে আসা হয়েছে। কারণ দনবাস অঞ্চলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য লাইমান গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকেন্দ্র।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, ‘বেশ কয়েকটি জনবসতিপূর্ণ এলাকা স্বাধীন হয়েছে। আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে যুদ্ধ চলছে।’
লুহানস্কের গভর্নর সের্হেই গাইদাই জানান, রুশ বাহিনী সোয়াতোভো শহরের একটি হাসপাতাল দখল করেছে। লিসিচানস্ক ও সেভেরোদনেৎস্ক শহর পুনর্দখলের পথে এই স্থাপনা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এ ছাড়া খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিযুক্ত নেতা ভ্লাদিমির সালদো জানিয়েছেন, দিনিপ্রো নদীর পশ্চিম উপকূলের শহর দাদশেনি পুনর্দখল করেছে ইউক্রেন। খেরসনের আঞ্চলিক কাউন্সিলের সদস্য সের্হেই খলান আরও চারটি গ্রাম পুনর্দখলের কথা জানান।
দিনিপ্রোর পশ্চিম উপকূলে অবস্থানরত ২৫ হাজার রুশ সেনার সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইউক্রেন। ইতিমধ্যে এই অঞ্চলের মূল সেতুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে নদী পার হওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা অবলম্বন করতে বাধ্য হয়েছে সেনারা।
কিয়েভের বাহিনী খুব শিগগির দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থানরত রুশ বাহিনীকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি, রিজার্ভ সেনা সমাবেশ, চার অঞ্চলে গণভোট ও নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করার মতো এত কিছু করেও খুব বড় বিজয়ের খবর দিতে পারছে না রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর যে অবস্থানে ছিল রাশিয়া, সে তুলনায় রণকৌশলে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

পূর্বাঞ্চলের পর রুশ বাহিনীর কাছ থেকে এবার দক্ষিণের কয়েকটি অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে ইউক্রেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (৩ অক্টোবর) ইউক্রেনের বাহিনী দেশটির দক্ষিণে রুশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে দিনিপ্রো নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রাম দখলে নিয়েছে।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় অপারেশনাল কমান্ড দাবি করেছে, তাঁরা ৩১টি রুশ ট্যাংক ও কয়েকটি রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। এই তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
তবে সদ্য পুনর্দখল করা লাইমান শহরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বেশ কয়েকটি সামরিক পরিবহন নিয়ে আসা হয়েছে। কারণ দনবাস অঞ্চলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য লাইমান গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকেন্দ্র।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, ‘বেশ কয়েকটি জনবসতিপূর্ণ এলাকা স্বাধীন হয়েছে। আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে যুদ্ধ চলছে।’
লুহানস্কের গভর্নর সের্হেই গাইদাই জানান, রুশ বাহিনী সোয়াতোভো শহরের একটি হাসপাতাল দখল করেছে। লিসিচানস্ক ও সেভেরোদনেৎস্ক শহর পুনর্দখলের পথে এই স্থাপনা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এ ছাড়া খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিযুক্ত নেতা ভ্লাদিমির সালদো জানিয়েছেন, দিনিপ্রো নদীর পশ্চিম উপকূলের শহর দাদশেনি পুনর্দখল করেছে ইউক্রেন। খেরসনের আঞ্চলিক কাউন্সিলের সদস্য সের্হেই খলান আরও চারটি গ্রাম পুনর্দখলের কথা জানান।
দিনিপ্রোর পশ্চিম উপকূলে অবস্থানরত ২৫ হাজার রুশ সেনার সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইউক্রেন। ইতিমধ্যে এই অঞ্চলের মূল সেতুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে নদী পার হওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা অবলম্বন করতে বাধ্য হয়েছে সেনারা।
কিয়েভের বাহিনী খুব শিগগির দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থানরত রুশ বাহিনীকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি, রিজার্ভ সেনা সমাবেশ, চার অঞ্চলে গণভোট ও নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করার মতো এত কিছু করেও খুব বড় বিজয়ের খবর দিতে পারছে না রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর যে অবস্থানে ছিল রাশিয়া, সে তুলনায় রণকৌশলে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে