ইউরোপীয় কমিশন যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনে আরও সাড়ে ৯০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর পক্ষ থেকে এই ঋণ সহায়তার প্রস্তাব করা হয়। চলতি বছরেই এই ঋণ ইউক্রেনকে দেওয়া হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ ইইউয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে ‘ইউক্রেন পুনর্গঠন’ প্যাকেজের আওতায় ইউক্রেনকে এই সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি যুদ্ধে ইউক্রেনের ব্যয়ভার চালিয়ে নিতেও এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় চলতি বছরের জুন নাগাদ এই সহায়তা দেওয়া হতে পারে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের অনুমান, ইউক্রেনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে নিতে প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও জি-সেভেন ভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনকে সহায়তা দেবে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন বলেছেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে নিতে স্বল্প মেয়াদে ইউক্রেনকে সহায়তা দিয়ে যাবে। আমরা ইউক্রেন পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এরই মধ্যে ৪১০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে দেশটিকে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
১০ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১১ ঘণ্টা আগে