
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর ‘নয়াদিল্লি ঘোষণার’ প্রশংসা করেছে রাশিয়া। দেশটি জোটের ১০ দফা ‘নয়াদিল্লি ঘোষণাকে’ ভারসাম্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে। জি-২০ জোটে নিযুক্ত রাশিয়ার প্রতিনিধি বা আলোচক সভেতলানা লুকাশ এ কথা বলেছেন। রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার কোনো সমালোচনাই করা হয়নি ভারতে অনুষ্ঠিত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে। মস্কোর কোনো সমালোচনা করা ছাড়াই গৃহীত হয়েছে জোটে ১০ দফা ঘোষণাপত্র। সম্মেলনের প্রথম দিন ৯ সেপ্টেম্বর এই ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ ‘এক বিশ্ব, এক পরিবার’ গড়ার বিষয়ে সম্মত হয়। এ লক্ষ্যে জোটের দেশগুলো নয়া দিল্লিতে ১০ দফার ঘোষণা দেয়। যেটিকে বলা হয়েছে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’। জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন।
নয়াদিল্লি ঘোষণার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এই একমাত্র পৃথিবীতে আমরা একটি পরিবার এবং আমাদের ভবিষ্যৎও একই। তবে সারা বিশ্বকে একই পরিবার বলা হলেও এই সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার সরাসরি নাম উল্লেখ করে কোনো সমালোচনা করা হয়নি।
সম্মেলনের প্রথম দিনে জোটের নেতার জোর করে কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করার বিষয়টি সমালোচনা করেন। তবে এ সময় তাঁরা রাশিয়ার নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকেন। এ সময় তাঁরা প্রতিটি দেশের জাতীয় অবস্থান এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার ওপর জোর আরোপ করেন।
সভেতলানা লুকাশ বলেছেন, ‘ইউক্রেন ইস্যুতে সেখানে (জি-২০ সম্মেলনে) গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সেখানে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এবং অন্যান্য অংশীদারেরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি পরিবেশ প্রতিফলিত হয়েছে সেখানে।’
এদিকে ইউক্রেনের নেতারা রাশিয়ার কোনো সমালোচনা না করায় জি-২০ নেতাদের সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এই ঘোষণায় গর্বিত হওয়ার কিছু নেই।’

বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর ‘নয়াদিল্লি ঘোষণার’ প্রশংসা করেছে রাশিয়া। দেশটি জোটের ১০ দফা ‘নয়াদিল্লি ঘোষণাকে’ ভারসাম্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে। জি-২০ জোটে নিযুক্ত রাশিয়ার প্রতিনিধি বা আলোচক সভেতলানা লুকাশ এ কথা বলেছেন। রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার কোনো সমালোচনাই করা হয়নি ভারতে অনুষ্ঠিত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে। মস্কোর কোনো সমালোচনা করা ছাড়াই গৃহীত হয়েছে জোটে ১০ দফা ঘোষণাপত্র। সম্মেলনের প্রথম দিন ৯ সেপ্টেম্বর এই ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ ‘এক বিশ্ব, এক পরিবার’ গড়ার বিষয়ে সম্মত হয়। এ লক্ষ্যে জোটের দেশগুলো নয়া দিল্লিতে ১০ দফার ঘোষণা দেয়। যেটিকে বলা হয়েছে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’। জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন।
নয়াদিল্লি ঘোষণার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এই একমাত্র পৃথিবীতে আমরা একটি পরিবার এবং আমাদের ভবিষ্যৎও একই। তবে সারা বিশ্বকে একই পরিবার বলা হলেও এই সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার সরাসরি নাম উল্লেখ করে কোনো সমালোচনা করা হয়নি।
সম্মেলনের প্রথম দিনে জোটের নেতার জোর করে কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করার বিষয়টি সমালোচনা করেন। তবে এ সময় তাঁরা রাশিয়ার নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকেন। এ সময় তাঁরা প্রতিটি দেশের জাতীয় অবস্থান এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার ওপর জোর আরোপ করেন।
সভেতলানা লুকাশ বলেছেন, ‘ইউক্রেন ইস্যুতে সেখানে (জি-২০ সম্মেলনে) গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সেখানে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এবং অন্যান্য অংশীদারেরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি পরিবেশ প্রতিফলিত হয়েছে সেখানে।’
এদিকে ইউক্রেনের নেতারা রাশিয়ার কোনো সমালোচনা না করায় জি-২০ নেতাদের সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এই ঘোষণায় গর্বিত হওয়ার কিছু নেই।’

ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৫ ঘণ্টা আগে