আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেনে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভে চালানো এই হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় কিয়েভে অবস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার প্রতিবাদে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও লন্ডন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে। তবে এখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো এই হামলাকে সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় হামলা বলে বর্ণনা করেছেন। ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় শহরের সবগুলো জেলার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সকালের আলো ফোটার পর উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধারের কাজ শুরু করেন।
হামলার পর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘রাশিয়া আলোচনার টেবিলের পরিবর্তে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বেছে নিয়েছে। তারা যুদ্ধের অবসান না ঘটিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, এই হামলা আরেকটি ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি প্রমাণ করে, ইউক্রেনকে ভয় দেখাতে ক্রেমলিন কোনো কিছুতেই থামবে না, নির্বিচারে বেসামরিকদের হত্যা করছে এবং এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’ তিনি জানান, ইউক্রেনে ইইউ অফিসের ৫০ মিটারের মধ্যে ২০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘পুতিন শিশু ও বেসামরিকদের হত্যা করছেন। তিনি শান্তির আশা নষ্ট করছেন।’
রাশিয়া জানিয়েছে, তাদের এই হামলা সামরিক শিল্প স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিগুলোতে আঘাত করেছে। ক্রেমলিন আরও বলেছে, তারা এখনো শান্তি আলোচনায় আগ্রহী।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৩টি স্থাপনায় রুশ হামলা হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাশিয়া প্রায় ৬০০ ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ৫৬৩টি ড্রোন ও ২৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কথা জানিয়েছে। এক হামলায় মধ্য ইউক্রেনের ভিনিতসিয়া অঞ্চলের একটি রেলওয়ে হাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে ৬০ হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের ছোড়া ১০২টি ড্রোন রুশ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র দিমিত্রো প্লেতেঞ্চুক জানিয়েছেন, দানিউব নদীর মুখে একটি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা নৌকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এই বন্দরগুলো ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি কৃষ্ণসাগরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ইউক্রেনে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে কিয়েভে চালানো এই হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় কিয়েভে অবস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার প্রতিবাদে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও লন্ডন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে। তবে এখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো এই হামলাকে সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় হামলা বলে বর্ণনা করেছেন। ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় শহরের সবগুলো জেলার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সকালের আলো ফোটার পর উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধারের কাজ শুরু করেন।
হামলার পর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘রাশিয়া আলোচনার টেবিলের পরিবর্তে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বেছে নিয়েছে। তারা যুদ্ধের অবসান না ঘটিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, এই হামলা আরেকটি ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি প্রমাণ করে, ইউক্রেনকে ভয় দেখাতে ক্রেমলিন কোনো কিছুতেই থামবে না, নির্বিচারে বেসামরিকদের হত্যা করছে এবং এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’ তিনি জানান, ইউক্রেনে ইইউ অফিসের ৫০ মিটারের মধ্যে ২০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘পুতিন শিশু ও বেসামরিকদের হত্যা করছেন। তিনি শান্তির আশা নষ্ট করছেন।’
রাশিয়া জানিয়েছে, তাদের এই হামলা সামরিক শিল্প স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিগুলোতে আঘাত করেছে। ক্রেমলিন আরও বলেছে, তারা এখনো শান্তি আলোচনায় আগ্রহী।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৩টি স্থাপনায় রুশ হামলা হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাশিয়া প্রায় ৬০০ ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ৫৬৩টি ড্রোন ও ২৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
ইউক্রেনের জাতীয় গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কথা জানিয়েছে। এক হামলায় মধ্য ইউক্রেনের ভিনিতসিয়া অঞ্চলের একটি রেলওয়ে হাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে ৬০ হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের ছোড়া ১০২টি ড্রোন রুশ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র দিমিত্রো প্লেতেঞ্চুক জানিয়েছেন, দানিউব নদীর মুখে একটি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা নৌকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এই বন্দরগুলো ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি কৃষ্ণসাগরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভারতে আফগানিস্তানের দূতাবাসের দায়িত্ব নিতে দিল্লিতে পৌঁছেছেন তালেবান নিয়োগপ্রাপ্ত প্রথম কূটনীতিক। মুফতি নূর আহমদ নূর নামের এই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতা দিল্লিস্থ আফগান মিশনে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে নিকোলাস মাদুরোকে বন্দী করার পর এবার প্রতিবেশী কিউবার দিকে নজর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কিউবাকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
২৯ মিনিট আগে
মুম্বাইকে কথিত অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের হাত থেকে ‘মুক্ত’ করার অঙ্গীকার করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। আজ রোববার মুম্বাই পৌরসভা (বিএমসি) নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন ‘মহায়ুতি’ জোটের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০৩ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের পক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরব অবস্থান ও হামলার প্রচ্ছন্ন হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে