
রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন খেরসন থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হবে। খেরসনে রাশিয়া নিযুক্ত প্রশাসনের প্রধান ভ্লাদিমির সালদো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সময় আজ বুধবার রাশিয়ার একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্লাদিমির সালদো বলেছেন—‘নিপার নদীর পশ্চিম তীরে খেরসনের অংশ থেকে প্রথমে লোকজনকে সরিয়ে পূর্ব তীরে নেওয়া হবে। পরে সেখান থেকে তাদের রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে নেওয়া হবে।’ সালদো আরও বলেছেন, ‘প্রতিদিন ১০ হাজার করে লোক সরিয়ে নেওয়া হবে।’
রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী সাত দিন কোনো বেসামরিক নাগরিককে খেরসনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ভ্লাদিমির সালদো যেকোনো মূল্যে খেরসনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা কোনোভাবে খেরসনে শহরটিকে কারও হাতে তুলে দেব না।’
এদিকে, রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খেরসন অঞ্চল পুনরুদ্ধারে তীব্র লড়াই চালাচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। রাশিয়া খেরসনকে নিজেদের অংশ বলে ঘোষণার পর থেকে ইউক্রেনের বাহিনী অঞ্চলটির দিকে অগ্রসর হয় এবং অধিকৃত এই অঞ্চলের ওপর থেকে ক্রমশ দখল হারাতে শুরু করে মস্কো। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, খেরসনে অনেকটা বেকায়দায় রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে নিযুক্ত রাশিয়ার কমান্ডার সের্গেই সুরোভিকিন বলেছেন, খেরসনের পরিস্থিতি গুরুতর।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেনারেল সুরোভিকিন বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা হিমার্স রকেট দিয়ে খেরসনের অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকায় আঘাত হানছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া নিশ্চিত করবে রুশ সামরিক বাহিনী। বিশেষ সামরিক অভিযানের পুরো এলাকাজুড়েই উত্তেজনা রয়েছে বলেও জানান জেনারেল সুরোভিকিন।
তাঁর এই বক্তব্য ইউক্রেনে রাশিয়ার সৈন্যদের সংকটে থাকার বিরল এক স্বীকারোক্তি। এর আগে শীর্ষ একজন আঞ্চলিক কর্মকর্তাও এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। রুশ সমর্থিত কর্মকর্তা কিরিল স্তেরেমোসভ খেরসনের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি ইউক্রেনের সৈন্যরা খেরসনে হামলা শুরু করবে।

রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন খেরসন থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হবে। খেরসনে রাশিয়া নিযুক্ত প্রশাসনের প্রধান ভ্লাদিমির সালদো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সময় আজ বুধবার রাশিয়ার একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্লাদিমির সালদো বলেছেন—‘নিপার নদীর পশ্চিম তীরে খেরসনের অংশ থেকে প্রথমে লোকজনকে সরিয়ে পূর্ব তীরে নেওয়া হবে। পরে সেখান থেকে তাদের রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে নেওয়া হবে।’ সালদো আরও বলেছেন, ‘প্রতিদিন ১০ হাজার করে লোক সরিয়ে নেওয়া হবে।’
রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী সাত দিন কোনো বেসামরিক নাগরিককে খেরসনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ভ্লাদিমির সালদো যেকোনো মূল্যে খেরসনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা কোনোভাবে খেরসনে শহরটিকে কারও হাতে তুলে দেব না।’
এদিকে, রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খেরসন অঞ্চল পুনরুদ্ধারে তীব্র লড়াই চালাচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। রাশিয়া খেরসনকে নিজেদের অংশ বলে ঘোষণার পর থেকে ইউক্রেনের বাহিনী অঞ্চলটির দিকে অগ্রসর হয় এবং অধিকৃত এই অঞ্চলের ওপর থেকে ক্রমশ দখল হারাতে শুরু করে মস্কো। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, খেরসনে অনেকটা বেকায়দায় রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে নিযুক্ত রাশিয়ার কমান্ডার সের্গেই সুরোভিকিন বলেছেন, খেরসনের পরিস্থিতি গুরুতর।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেনারেল সুরোভিকিন বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা হিমার্স রকেট দিয়ে খেরসনের অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকায় আঘাত হানছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া নিশ্চিত করবে রুশ সামরিক বাহিনী। বিশেষ সামরিক অভিযানের পুরো এলাকাজুড়েই উত্তেজনা রয়েছে বলেও জানান জেনারেল সুরোভিকিন।
তাঁর এই বক্তব্য ইউক্রেনে রাশিয়ার সৈন্যদের সংকটে থাকার বিরল এক স্বীকারোক্তি। এর আগে শীর্ষ একজন আঞ্চলিক কর্মকর্তাও এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। রুশ সমর্থিত কর্মকর্তা কিরিল স্তেরেমোসভ খেরসনের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি ইউক্রেনের সৈন্যরা খেরসনে হামলা শুরু করবে।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৫ ঘণ্টা আগে