
সামরিক বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে ইউক্রেনের চাকরিজীবী ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, একজন পুতিনবান্ধব প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে যাওয়ার কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে ইউক্রেনের ২৯ বছর বয়সী এক যুবকের কথা বলা হয়েছে। ইহোর একজন চাকরিজীবী। একরাশ হতাশা নিয়ে তিনি মত দিয়েছেন, ট্রাম্পের বিজয় মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জয়ী হয়েছেন। ইহোর বলেন, ‘ক্রেমলিনে এখন দারুণ উদ্যাপন চলছে।’
মার্কিন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনের বিপুলসংখ্যক মানুষের অনুভূতি ঠিক ইহোরের মতোই। এসব মানুষের ট্রাম্পের রাজনৈতিক পুনরুত্থানকে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখেন।
ইহোর বিশ্বাস করেন, নতুন বাস্তবতায় নিশ্চিতভাবেই এমন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হবে, যা রাশিয়াকে দারুণভাবে লাভবান করবে। এমনও হতে পারে, ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চলকে রাশিয়ার বলে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এমন হলে এত দিন ধরে যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনের মানুষের আত্মত্যাগ নিরর্থক হয়ে যাবে।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায় মার্কিন সামরিক সহায়তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের সামরিক বিশেষজ্ঞরাও। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের অধীনে যে মার্কিন সমর্থন পাওয়া গেছে, ইউক্রেনের জন্য তা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইউক্রেনের সামরিক বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে প্রোনিন মনে করেন, বিগত মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইউক্রেন যথেষ্ট সামরিক সহায়তা পেয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনের কাছে যে মজুত রয়েছে তা দিয়ে আরও আট মাস চলা যাবে। কিন্তু তারপরে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্ধারিত শর্তের অধীনে ইউক্রেন হয়তো আলোচনায় যেতে বাধ্য হবে।
ইউক্রেনজুড়ে এই ধারণাটিই এখন বলবৎ হয়েছে যে, ট্রাম্পের সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনায় রাশিয়াকে অনেক ছাড় দেওয়া হবে। ইউক্রেনীয় সামরিক বিশেষজ্ঞ নিকোল মিত্রোখিন যুক্তি দিয়েছেন—এই ধরনের একটি চুক্তি রাশিয়াকে ইউক্রেনে আরও অগ্রসর হতে সাহায্য করবে। সম্ভবত আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ইউক্রেনের দানিপ্রো এবং জাপোরিঝিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর দখল নেবে। এ অবস্থায় যুদ্ধের ময়দান হোক কিংবা বাড়ি, রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহতদের সংখ্যা বাড়বে।
প্রতিবেদনে শুরুতে যার কথা বলা হয়েছিল, সেই ইহোর এখন পর্যন্ত একাধিক আঘাত সহ্য করেছেন। বর্তমানে তিনি ট্রমা-পরবর্তী মানসিক বিষাদে ভুগছেন। তিনি আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের অধীনে কোনো শান্তি চুক্তির ফলে ইউক্রেন যদি তার কোনো অঞ্চলকে হারায় তবে তাঁর পরিবারের দুর্ভোগ অর্থহীন হয়ে যাবে।
অনিশ্চয়তা থাকলেও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, তাঁদের হয়তো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গেও কাজ করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে বসার আগপর্যন্ত প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইউক্রেনের প্রতি তাঁর সমর্থন অব্যাহত রাখবেন।
ইউক্রেনের বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান এখনো অস্পষ্ট থাকলেও ইতিহাস বলছে, ২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তিনি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছিলেন। পাশাপাশি সেই সময়টিতে ট্রাম্পের আরও কিছু পদক্ষেপ এখন ইউক্রেনীয়দের উদ্বেগ আর হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভারতে নিজেদের পণ্যকে ‘এনার্জি ড্রিংক’ হিসেবে প্রচারের ক্ষেত্রে আইনি জয় পেয়েছে অস্ট্রিয়ার পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেড বুল। দেশটির খাদ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রেড বুলের পণ্যে ‘এনার্জি ড্রিংক’ শব্দদ্বয় ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।
১০ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়া। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির সরকার প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করে। এই উদ্যোগের আওতায় শেষ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে মিয়ানমারে পাঠানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের লাহোরে আজারবাইজানের ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে মাদক খাইয়ে তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করেছে পুলিশ এবং তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি ফিলিস্তিনি গ্রামে আজ মঙ্গলবার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। তারা বাড়িঘর ও যানবাহনে আগুন দিয়েছে এবং কুরাইয়ুত গ্রামে এক বৃদ্ধ ফিলিস্তিনি নারীকে মারধর করেছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে