আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে দিতে পরিচালিত সামরিক অভিযান শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমনটাই জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস। আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বুধবার প্রথমবারের মতো কুরস্ক সফর করেন। এই অঞ্চলের সামান্য একটি অংশে ইউক্রেনীয় বাহিনী অবস্থান করছে। তিনি এমন এক সময়ে কুরস্ক সফর করলেন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেন সংঘাতের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন আলোচকেরা ‘এই মুহূর্তে’ রাশিয়ার পথে আছেন। কিয়েভ ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এই আলোচনা হতে যাচ্ছে।
তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। হোয়াইট হাউস পরে জানিয়েছে, তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এই সপ্তাহের শেষ দিকে মস্কো যাচ্ছেন।
ট্রাম্প কখন পুতিনের সঙ্গে পরবর্তীবার কথা বলবেন, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি। তবে বলেছেন, ‘আমি আশা করি তিনি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবেন। ” তিনি আরও বলেন, “এটি এখন রাশিয়ার ওপর নির্ভর করছে।’
ইউক্রেন সামরিক ময়দানে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ভূমি হারাচ্ছে। বিপরীতে রাশিয়া পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরস্ক অঞ্চলে দখল পুনরুদ্ধার করেছে। পুতিনকে বুধবার রুশ টেলিভিশনে কুরস্কে সেনাদের সঙ্গে দেখা গেছে। পুতিন বলেন, ‘আমি আশা করছি, আমাদের ইউনিটগুলোর সামনে যে সব যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব আছে, তা সম্পন্ন হবে এবং কুরস্ক অঞ্চলের ভূখণ্ড শিগগিরই সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হবে।’
রাশিয়ার সেনাপ্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানিয়েছেন, ৪৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে বন্দী করা হয়েছে এবং পুতিন তাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে ইউক্রেনের সামরিক প্রধান জেনারেল ওলেকজান্দর সিরস্কি দাবি করেছেন, কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর কিছু ইউনিট ‘আরও সুবিধাজনক অবস্থানে’ সরে যাচ্ছে।

রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে দিতে পরিচালিত সামরিক অভিযান শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমনটাই জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস। আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বুধবার প্রথমবারের মতো কুরস্ক সফর করেন। এই অঞ্চলের সামান্য একটি অংশে ইউক্রেনীয় বাহিনী অবস্থান করছে। তিনি এমন এক সময়ে কুরস্ক সফর করলেন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেন সংঘাতের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন আলোচকেরা ‘এই মুহূর্তে’ রাশিয়ার পথে আছেন। কিয়েভ ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এই আলোচনা হতে যাচ্ছে।
তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। হোয়াইট হাউস পরে জানিয়েছে, তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এই সপ্তাহের শেষ দিকে মস্কো যাচ্ছেন।
ট্রাম্প কখন পুতিনের সঙ্গে পরবর্তীবার কথা বলবেন, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি। তবে বলেছেন, ‘আমি আশা করি তিনি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবেন। ” তিনি আরও বলেন, “এটি এখন রাশিয়ার ওপর নির্ভর করছে।’
ইউক্রেন সামরিক ময়দানে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ভূমি হারাচ্ছে। বিপরীতে রাশিয়া পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরস্ক অঞ্চলে দখল পুনরুদ্ধার করেছে। পুতিনকে বুধবার রুশ টেলিভিশনে কুরস্কে সেনাদের সঙ্গে দেখা গেছে। পুতিন বলেন, ‘আমি আশা করছি, আমাদের ইউনিটগুলোর সামনে যে সব যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব আছে, তা সম্পন্ন হবে এবং কুরস্ক অঞ্চলের ভূখণ্ড শিগগিরই সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হবে।’
রাশিয়ার সেনাপ্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানিয়েছেন, ৪৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে বন্দী করা হয়েছে এবং পুতিন তাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে ইউক্রেনের সামরিক প্রধান জেনারেল ওলেকজান্দর সিরস্কি দাবি করেছেন, কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর কিছু ইউনিট ‘আরও সুবিধাজনক অবস্থানে’ সরে যাচ্ছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
৮ মিনিট আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৪ ঘণ্টা আগে