
রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে বেশ অগ্রগতি লাভ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এবার অঞ্চলটিতে তৃতীয় আরেকটি সেতু উড়িয়ে দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কিয়েভের দাবি নিশ্চিত করেছে মস্কো। রাশিয়ার একটি তদন্ত কমিটি আজ সোমবার জানিয়েছে, কুরস্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সেইম নদীর ওপরে অবস্থিত সেতুটি ইউক্রেনীয় বাহিনী উড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে তৃতীয় সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন।
এদিকে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের হামলার লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছে ইউক্রেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের সীমান্ত বরাবর একটি ‘বাফার জোন’ দরকার। কুরস্কে তৃতীয় সেতু উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘণ্টা খানিক পর জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেন।
জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি (বাফার জোন প্রতিষ্ঠা) এখন সামগ্রিকভাবে আমাদের আত্মরক্ষামূলক অপারেশনের প্রাথমিক কাজ। আমরা চাই, যতটা সম্ভব রাশিয়ার আক্রমণের সম্ভাবনাকে ঠেকিয়ে দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণে পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করতে। যাতে করে আগ্রাসী (দেশটির কুরস্ক) অঞ্চলে একটি বাফার জোন তৈরি করা যায়।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় রুশ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এটিই রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় সেনাদের সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অনুপ্রবেশ। মূলত ২০২২ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেন প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডে এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকোলা ওলেশুক রাশিয়ার দ্বিতীয় সেতুতে হামলার ফুটেজসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে বলেছেন, ‘আরও একটি সেতু ধ্বংস করা হয়েছে।’ এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউক্রেন রাশিয়ার গ্লুশকোভো শহরের কাছে সেইম নদীর ওপর আরেকটি সেতু ধ্বংস করে। এই সেতুটি সৈন্য সরবরাহের জন্য ব্যবহার করছিল রাশিয়া।

রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে বেশ অগ্রগতি লাভ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এবার অঞ্চলটিতে তৃতীয় আরেকটি সেতু উড়িয়ে দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কিয়েভের দাবি নিশ্চিত করেছে মস্কো। রাশিয়ার একটি তদন্ত কমিটি আজ সোমবার জানিয়েছে, কুরস্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সেইম নদীর ওপরে অবস্থিত সেতুটি ইউক্রেনীয় বাহিনী উড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে তৃতীয় সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন।
এদিকে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের হামলার লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছে ইউক্রেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের সীমান্ত বরাবর একটি ‘বাফার জোন’ দরকার। কুরস্কে তৃতীয় সেতু উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘণ্টা খানিক পর জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেন।
জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি (বাফার জোন প্রতিষ্ঠা) এখন সামগ্রিকভাবে আমাদের আত্মরক্ষামূলক অপারেশনের প্রাথমিক কাজ। আমরা চাই, যতটা সম্ভব রাশিয়ার আক্রমণের সম্ভাবনাকে ঠেকিয়ে দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণে পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করতে। যাতে করে আগ্রাসী (দেশটির কুরস্ক) অঞ্চলে একটি বাফার জোন তৈরি করা যায়।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় রুশ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এটিই রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় সেনাদের সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অনুপ্রবেশ। মূলত ২০২২ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেন প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডে এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকোলা ওলেশুক রাশিয়ার দ্বিতীয় সেতুতে হামলার ফুটেজসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে বলেছেন, ‘আরও একটি সেতু ধ্বংস করা হয়েছে।’ এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউক্রেন রাশিয়ার গ্লুশকোভো শহরের কাছে সেইম নদীর ওপর আরেকটি সেতু ধ্বংস করে। এই সেতুটি সৈন্য সরবরাহের জন্য ব্যবহার করছিল রাশিয়া।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে