
রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে রুশ বাহিনী ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, কিয়েভে অন্তত দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পুরো জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এ ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও রুশ বাহিনী হামলা করেছে বলে খারকিভের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, আজ সোমবার মধ্য ভিন্নিৎসিয়া অঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্বে দিনিপ্রোপেতোভৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া এবং পশ্চিম ইউক্রেনের লভিভেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কিয়েভে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ ছাড়া উত্তর, পূর্ব ও মধ্য ইউক্রেনের শহরগুলোতেও রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিয়েভে অন্তত ১০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর শহরের আকাশজুড়ে ব্যাপক ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা স্বীকার করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকোও। এ দিকে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে বলেছে, মেয়র তাঁর টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে লিখেছেন, হামলার কারণে কিয়েভের কিছু অংশে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেখভ বলেছেন, এখানে অন্তত দুটি শহরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।
ক্রিমিয়ার কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করার দুই দিন পর রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক আকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করল। এর আগে কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য চুক্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহানাত স্থানীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, রাশিয়া এই হামলা চালানোর জন্য তাদের কৌশলগত বোমারু বিমান ব্যবহার করেছে।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয়ের প্রধান আন্দ্রেই ইয়ার্কমাক বলেছেন, পরাজিত রুশ বাহিনী শান্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
গত শনিবার একটি ড্রোন হামলায় ক্রিমিয়ার বন্দর শহর সেভাস্তোপলে একটি রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়া এ হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। তবে মস্কো তার দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি। ইউক্রেনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে রুশ বাহিনী ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, কিয়েভে অন্তত দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পুরো জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এ ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও রুশ বাহিনী হামলা করেছে বলে খারকিভের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, আজ সোমবার মধ্য ভিন্নিৎসিয়া অঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্বে দিনিপ্রোপেতোভৎস্ক ও জাপোরিঝিয়া এবং পশ্চিম ইউক্রেনের লভিভেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কিয়েভে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ ছাড়া উত্তর, পূর্ব ও মধ্য ইউক্রেনের শহরগুলোতেও রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিয়েভে অন্তত ১০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর শহরের আকাশজুড়ে ব্যাপক ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা স্বীকার করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকোও। এ দিকে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে বলেছে, মেয়র তাঁর টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে লিখেছেন, হামলার কারণে কিয়েভের কিছু অংশে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেখভ বলেছেন, এখানে অন্তত দুটি শহরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।
ক্রিমিয়ার কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করার দুই দিন পর রাশিয়া ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক আকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করল। এর আগে কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য চুক্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহানাত স্থানীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, রাশিয়া এই হামলা চালানোর জন্য তাদের কৌশলগত বোমারু বিমান ব্যবহার করেছে।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয়ের প্রধান আন্দ্রেই ইয়ার্কমাক বলেছেন, পরাজিত রুশ বাহিনী শান্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
গত শনিবার একটি ড্রোন হামলায় ক্রিমিয়ার বন্দর শহর সেভাস্তোপলে একটি রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়া এ হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। তবে মস্কো তার দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি। ইউক্রেনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে