
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, সিরিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো তাঁর মিত্র এবং দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরও রাশিয়া পরাজিত হয়নি। এ ছাড়া, তিনি জানিয়েছেন—বর্তমানে মস্কোয় অবস্থান করা বাশার আল-আসাদের সঙ্গে তিনি শিগগির সাক্ষাৎ করবেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে রাশিয়ার জনগণের সঙ্গে সরাসরি এক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে পুতিন এসব তথ্য জানান। এই অনুষ্ঠানে সিরিয়া ইস্যুতে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে প্রথম প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন পুতিন। তিনি বলেছেন, তিনি এখনো সাবেক সিরিয়ান শাসকের সঙ্গে দেখা করেননি। তবে তিনি ‘অবশ্যই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন’ এবং মস্কোতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা করছেন।
পুতিন উল্লেখ করেছেন, তিনি আশার আল-আসাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ সাংবাদিক অস্টিন টাইসের ভাগ্যে কি ঘটেছে সে সম্পর্কে জানতে চাইবেন। যুক্তরাষ্ট্র অস্টিন টাইসের মুক্তিকে হোয়াইট হাউস ‘শীর্ষ অগ্রাধিকার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সিরিয়ায় ২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ শুরু হওয়ার পর বিদ্রোহীদের দমনে ব্যাপক পীড়ন শুরু করেন বাশার আল-আসাদ। যা শিগগির রক্তক্ষয়ী জটিল গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। পরে ২০১৫ সালে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করায় আপাতত গৃহযুদ্ধের ফলাফল বাশার আল-আসাদের পক্ষে যায়। সেই ঘটনার ৯ বছর সিরিয়ায় বিদ্রোহীর হাতে বাশার আল-আসাদের সরকারের পতন হয়।
অনেক বিশ্লেষক বলেন, মূলত বাশার আল-আসাদের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে তাঁর দুই মিত্র রাশিয়া ও ইরান সমর্থন প্রত্যাহার করায়। এই অবস্থায় অনেকে মনে করছেন, সিরিয়ায় রাশিয়ার পরাজয় হয়েছে। অনুষ্ঠানে পুতিন রাশিয়ার পরাজয়ের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা সিরিয়ায় যা ঘটছে তা রাশিয়ার পরাজয় হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, এমনটা নয়...আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করেছি।’
পুতিন বলেন, ‘রাশিয়া সিরিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিল সেখানে একটি সন্ত্রাসী ঘাঁটি তৈরি হওয়া রোধ করতে এবং “আজ ইউরোপের অনেক দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের (সিরিয়ার নতুন শাসকদের) সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়, এটি নিছক নতুন কিছু নয়।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকারী সব গোষ্ঠী এবং এই অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখি। তাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমাদের বলে যে, সিরিয়ায় আমাদের সামরিক ঘাঁটি বজায় থাকলে তারা খুশি হবে।’ তিনি বলেন, রাশিয়া সেখানে ঘাঁটি বজায় রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ‘মানবিক উদ্দেশ্যে।’ তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বাশার সরকারের পতনের পর সিরিয়া থেকে ৪ হাজার ইরানি যোদ্ধাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানেই পুতিন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনকি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনায় আপস করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি তিনি ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে রাশিয়ার তরফ থেকে কোনো শর্ত নেই।
পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে রাশিয়ার কোনো শর্ত নেই এবং যে কারও সঙ্গে আলোচনার জন্য রাশিয়ার প্রস্তুত। এমনকি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও। তবে তিনি এটাও বলেন, যেকোনো চুক্তি কেবল ইউক্রেনের বৈধ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হতে পারে এবং বর্তমানে ক্রেমলিন ইউক্রেনের পার্লামেন্টকেই বৈধ মনে করে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, সিরিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো তাঁর মিত্র এবং দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরও রাশিয়া পরাজিত হয়নি। এ ছাড়া, তিনি জানিয়েছেন—বর্তমানে মস্কোয় অবস্থান করা বাশার আল-আসাদের সঙ্গে তিনি শিগগির সাক্ষাৎ করবেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে রাশিয়ার জনগণের সঙ্গে সরাসরি এক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে পুতিন এসব তথ্য জানান। এই অনুষ্ঠানে সিরিয়া ইস্যুতে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে প্রথম প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন পুতিন। তিনি বলেছেন, তিনি এখনো সাবেক সিরিয়ান শাসকের সঙ্গে দেখা করেননি। তবে তিনি ‘অবশ্যই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন’ এবং মস্কোতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা করছেন।
পুতিন উল্লেখ করেছেন, তিনি আশার আল-আসাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ সাংবাদিক অস্টিন টাইসের ভাগ্যে কি ঘটেছে সে সম্পর্কে জানতে চাইবেন। যুক্তরাষ্ট্র অস্টিন টাইসের মুক্তিকে হোয়াইট হাউস ‘শীর্ষ অগ্রাধিকার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সিরিয়ায় ২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ শুরু হওয়ার পর বিদ্রোহীদের দমনে ব্যাপক পীড়ন শুরু করেন বাশার আল-আসাদ। যা শিগগির রক্তক্ষয়ী জটিল গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। পরে ২০১৫ সালে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করায় আপাতত গৃহযুদ্ধের ফলাফল বাশার আল-আসাদের পক্ষে যায়। সেই ঘটনার ৯ বছর সিরিয়ায় বিদ্রোহীর হাতে বাশার আল-আসাদের সরকারের পতন হয়।
অনেক বিশ্লেষক বলেন, মূলত বাশার আল-আসাদের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে তাঁর দুই মিত্র রাশিয়া ও ইরান সমর্থন প্রত্যাহার করায়। এই অবস্থায় অনেকে মনে করছেন, সিরিয়ায় রাশিয়ার পরাজয় হয়েছে। অনুষ্ঠানে পুতিন রাশিয়ার পরাজয়ের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা সিরিয়ায় যা ঘটছে তা রাশিয়ার পরাজয় হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, এমনটা নয়...আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করেছি।’
পুতিন বলেন, ‘রাশিয়া সিরিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিল সেখানে একটি সন্ত্রাসী ঘাঁটি তৈরি হওয়া রোধ করতে এবং “আজ ইউরোপের অনেক দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের (সিরিয়ার নতুন শাসকদের) সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়, এটি নিছক নতুন কিছু নয়।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকারী সব গোষ্ঠী এবং এই অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখি। তাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমাদের বলে যে, সিরিয়ায় আমাদের সামরিক ঘাঁটি বজায় থাকলে তারা খুশি হবে।’ তিনি বলেন, রাশিয়া সেখানে ঘাঁটি বজায় রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ‘মানবিক উদ্দেশ্যে।’ তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বাশার সরকারের পতনের পর সিরিয়া থেকে ৪ হাজার ইরানি যোদ্ধাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানেই পুতিন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনকি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনায় আপস করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি তিনি ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে রাশিয়ার তরফ থেকে কোনো শর্ত নেই।
পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে রাশিয়ার কোনো শর্ত নেই এবং যে কারও সঙ্গে আলোচনার জন্য রাশিয়ার প্রস্তুত। এমনকি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও। তবে তিনি এটাও বলেন, যেকোনো চুক্তি কেবল ইউক্রেনের বৈধ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হতে পারে এবং বর্তমানে ক্রেমলিন ইউক্রেনের পার্লামেন্টকেই বৈধ মনে করে।

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৩ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকায় দেশ ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক হস্তক্ষেপের পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার প্রেসিডেন্ট করার একটি প্রস্তাবের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, বিষয়টি তাঁর কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল
৩ ঘণ্টা আগে