
আসল নাম বাকারি-ব্রোঞ্জ ও’গারো হলেও টিকটকে তাঁর নাম মিজি। সম্মতি ছাড়া আরেকজনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন লন্ডনের স্ট্র্যাটফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
আজ মঙ্গলবার স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অক্টোবরে সম্মতি ছাড়া অন্যের ভিডিও শেয়ার না করতে আদালতের আদেশ ‘ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন’ করার দায়ে প্র্যাঙ্কস্টার মিজিকে ১৮ সপ্তাহের জন্য কারাবাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার স্ট্র্যাটফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার চলার সময় মিজির উদ্দেশে বিচারক ম্যাথিউ বোন বলেন, ‘সোজাসাপ্টা বললে, আপনার প্র্যাঙ্কগুলো মজার নয়।’
বিচারক আরও বলেন, ‘আপনার আপত্তিকর ঘটনাগুলো বিখ্যাত হওয়ার ইচ্ছা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আপনার কর্মকাণ্ড নিরপরাধ সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি এবং কষ্টের কারণ হয়েছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটকের জন্য ভিডিও বানাতে গিয়ে একটি বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলেন মিজি। তিনি ভিডিওটি শুরু করেছিলেন এই বলে যে, ‘এলোমেলো বাড়িতে হাঁটা, চলো যাই।’
পরে আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে প্রবেশ করেন মিজি। এই অবস্থায় বাড়িটির ভেতরে একজনের সঙ্গে মুখোমুখি হলে তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘পড়ুয়া দলটি কোথায়?’
ভিডিওতে অনুমতি ছাড়াই মিজিকে বাড়িটির একটি সোফায় বসে যেতে দেখা যায়। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই ওই বাড়ি থেকে তাঁরা বের হয়ে আসেন। ভিডিওতে একটি শিশুর গলাও শোনা যায়।
এ বিষয়ে এর আগে দ্য ইনডিপেনডেন্টকে মিজি জানিয়েছিলেন, ঘটনার পরদিন তিনি ওই বাড়ির মালিকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। কারণ, তিনি সহানুভূতি এবং অনুশোচনা অনুভব করেছিলেন। এমন ঘটনা আর না করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পার্কে পোষা কুকুর নিয়ে বসে থাকা এক বয়স্ক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন মিজি। একপর্যায়ে কুকুরটিকে কোলে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে।

আসল নাম বাকারি-ব্রোঞ্জ ও’গারো হলেও টিকটকে তাঁর নাম মিজি। সম্মতি ছাড়া আরেকজনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন লন্ডনের স্ট্র্যাটফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
আজ মঙ্গলবার স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অক্টোবরে সম্মতি ছাড়া অন্যের ভিডিও শেয়ার না করতে আদালতের আদেশ ‘ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন’ করার দায়ে প্র্যাঙ্কস্টার মিজিকে ১৮ সপ্তাহের জন্য কারাবাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার স্ট্র্যাটফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার চলার সময় মিজির উদ্দেশে বিচারক ম্যাথিউ বোন বলেন, ‘সোজাসাপ্টা বললে, আপনার প্র্যাঙ্কগুলো মজার নয়।’
বিচারক আরও বলেন, ‘আপনার আপত্তিকর ঘটনাগুলো বিখ্যাত হওয়ার ইচ্ছা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আপনার কর্মকাণ্ড নিরপরাধ সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি এবং কষ্টের কারণ হয়েছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটকের জন্য ভিডিও বানাতে গিয়ে একটি বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলেন মিজি। তিনি ভিডিওটি শুরু করেছিলেন এই বলে যে, ‘এলোমেলো বাড়িতে হাঁটা, চলো যাই।’
পরে আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে প্রবেশ করেন মিজি। এই অবস্থায় বাড়িটির ভেতরে একজনের সঙ্গে মুখোমুখি হলে তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘পড়ুয়া দলটি কোথায়?’
ভিডিওতে অনুমতি ছাড়াই মিজিকে বাড়িটির একটি সোফায় বসে যেতে দেখা যায়। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই ওই বাড়ি থেকে তাঁরা বের হয়ে আসেন। ভিডিওতে একটি শিশুর গলাও শোনা যায়।
এ বিষয়ে এর আগে দ্য ইনডিপেনডেন্টকে মিজি জানিয়েছিলেন, ঘটনার পরদিন তিনি ওই বাড়ির মালিকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। কারণ, তিনি সহানুভূতি এবং অনুশোচনা অনুভব করেছিলেন। এমন ঘটনা আর না করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পার্কে পোষা কুকুর নিয়ে বসে থাকা এক বয়স্ক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন মিজি। একপর্যায়ে কুকুরটিকে কোলে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাটলার র্যালিতে হওয়া হামলার ফুটেজ ও তাঁর রক্তাক্ত ছবি প্রচার করে এক ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। সম্প্রচারের সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বাক্য—এবার আর টার্গেট মিস হবে না (This time, the bullet won’t miss)।
১৬ মিনিট আগে
মাদুরোকে আটকের পর আজ হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন দেশটির প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তবে এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী একটি জাহাজ জব্দের খবর পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টেট ডিপার্টমেন্টের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যেসব আবেদনকারীর দুটি দেশের নাগরিকত্ব (দ্বৈত নাগরিক) রয়েছে এবং যাঁরা ভিসার জন্য আবেদন করছেন এমন একটি দেশের বৈধ পাসপোর্ট ব্যবহার করে, যে দেশটি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নেই—তাঁরা এই ভিসা স্থগিতের আওতায় পড়বেন না।
২ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বে গভীর মতপার্থক্য ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের চিত্র উঠে এসেছে বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। এই দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। বাইরের হুমকির বদলে সরকারের ভেতরের বিভক্তিই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় উদ্বেগের ক
২ ঘণ্টা আগে