
রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। তিনি অভিযোগ করেছেন, ইউরোপ এখন রাশিয়াকে শুধু ‘প্রতিপক্ষ নয়, এমনকি শত্রু হিসেবেও’ দেখছে এবং মস্কোর বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ইইউর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো দৃশ্যমান সম্ভাবনা রাশিয়া দেখছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, ইউরোপ এমন সব বক্তব্য দিচ্ছে—যা থেকে বোঝা যাচ্ছে তারা রাশিয়াকে ‘প্রতিপক্ষ, এমনকি শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করছে। গতকাল শনিবার তিনি বলেন, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সম্পর্ক উন্নতির কোনো সম্ভাবনা মস্কো আপাতত দেখছে না।
তবে পেসকভ কোন কোন বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। তিনি বলেন, ইইউর বর্তমান রাজনীতিকেরা রাশিয়ার প্রতি শুধু কথায় নয়, কাজেও সংঘাতমুখী অবস্থান নিয়েছেন। পেসকভ বলেন, ‘তারা ইউরোপের সামরিক সক্ষমতাকে সংগঠিত করছে এবং তা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত করছে। একই সঙ্গে তারা আমাদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিচ্ছে।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ আরও বলেছেন, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বর্তমানে দৃশ্যমান কোনো ভিত্তি নেই। ইউরোপীয়রা রাশিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক সম্পদ সংগঠিত করছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে ইউরোপের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের উন্নতির আশা করার কোনো কারণ আমি দেখছি না। বর্তমান রাজনীতিকেরা, ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিকদের বর্তমান প্রজন্ম, সংঘাতমুখী। তারা শুধু কথায় নয়, কাজেও সংঘাতমুখী। তারা ইউরোপের সামরিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি সংগঠিত করছে এবং তা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত করছে। একই সঙ্গে তারা আমাদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। অবশ্যই, সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আমাদের উন্মুক্ত থাকা উচিত এবং আমরা বাস্তবেও সেই উন্মুক্ত অবস্থান বজায় রাখছি। কিন্তু আমরা কার সঙ্গে মোকাবিলা করছি, তা আমাদের পুরোপুরি বুঝতে হবে।’

অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরের দক্ষিণে কুসরা গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। কাতারভিত্তিক আল জাজিরার ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের বরাতে জানা গেছে...
২৮ মিনিট আগে
নেপাল ও চীনের তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ৭৩৪ জন এবং তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই দেশে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৪৪ জন, যার মধ্যে নেপালে ২ হাজার ৪৯৮ জন এবং তিব্বতে ৫৪৬ জন।
১ ঘণ্টা আগে
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ২৪০০ জনেরও বেশি। অন্যদিকে তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সরকারি হিসাব অনুযায়ী তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছে ৫৪৬ জন।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাঁর গোপন মস্কো সফরের সময় তিনি এই প্রস্তাব দেন বলে বিষয়টি...
২ ঘণ্টা আগে