
রাশিয়া ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বিষয়ে সেনাপ্রধান ভ্যালেরি জালুঝনি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়ার এমন আক্রমণ বিশ্বের অন্যান্য শক্তিগুলোর সঙ্গে সংঘাতের পাশাপাশি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইউক্রেনফর্মে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জালুঝনি এই আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। দেশটির আইনপ্রণেতা মিখাইলো জাবরোদস্কির সঙ্গে যৌথভাবে লিখিত ওই নিবন্ধে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, গড় ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ আগামী বছরেও চলতে পারে।
ওই নিবন্ধে ইউক্রেনের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ভ্যালেরি জালুঝনি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যা কিছু ঘটেছে তাঁর সার্বিক মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন। তাঁর এই মূল্যায়ন এত দিন ধরে যুদ্ধের বিষয়ে দেশটির সমর নেতারা যে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন তাঁর অনেকটাই বিপরীত। জালুঝনি তাঁর লেখায় বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে রাশিয়ার সেনাবাহিনী কর্তৃক পরমাণু অস্ত্র কিংবা কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সরাসরি হুমকি রয়েছে।’
জালুঝনি আরও বলেন, ‘এমনটা হলে বিশ্বের অন্যান্য শক্তিগুলোরও এই যুদ্ধে “সীমিত পরিসরে” জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যার ফলাফল হিসেবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা সরাসরিই দৃশ্যমান।’ ইউক্রেনের পক্ষ থেকে একাধিকবার দাবি করা হলেও রাশিয়া সব সময়ই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা উড়িয়ে দিয়েছে।
যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ে বলতে গিয়ে জালুঝনি বলেছেন, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলাতে চাইলে মস্কোর যে সামরিক সক্ষমতা সেই অনুসারে আক্রমণের পরিকল্পনা এবং পরিধি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন ঘটাতে হলে নিঃসন্দেহে ২০২৩ সাল জুড়ে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক প্রতি আক্রমণ চালাতে হবে।’

রাশিয়া ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বিষয়ে সেনাপ্রধান ভ্যালেরি জালুঝনি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়ার এমন আক্রমণ বিশ্বের অন্যান্য শক্তিগুলোর সঙ্গে সংঘাতের পাশাপাশি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইউক্রেনফর্মে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জালুঝনি এই আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। দেশটির আইনপ্রণেতা মিখাইলো জাবরোদস্কির সঙ্গে যৌথভাবে লিখিত ওই নিবন্ধে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, গড় ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ আগামী বছরেও চলতে পারে।
ওই নিবন্ধে ইউক্রেনের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ভ্যালেরি জালুঝনি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যা কিছু ঘটেছে তাঁর সার্বিক মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন। তাঁর এই মূল্যায়ন এত দিন ধরে যুদ্ধের বিষয়ে দেশটির সমর নেতারা যে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন তাঁর অনেকটাই বিপরীত। জালুঝনি তাঁর লেখায় বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে রাশিয়ার সেনাবাহিনী কর্তৃক পরমাণু অস্ত্র কিংবা কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সরাসরি হুমকি রয়েছে।’
জালুঝনি আরও বলেন, ‘এমনটা হলে বিশ্বের অন্যান্য শক্তিগুলোরও এই যুদ্ধে “সীমিত পরিসরে” জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যার ফলাফল হিসেবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা সরাসরিই দৃশ্যমান।’ ইউক্রেনের পক্ষ থেকে একাধিকবার দাবি করা হলেও রাশিয়া সব সময়ই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা উড়িয়ে দিয়েছে।
যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ে বলতে গিয়ে জালুঝনি বলেছেন, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলাতে চাইলে মস্কোর যে সামরিক সক্ষমতা সেই অনুসারে আক্রমণের পরিকল্পনা এবং পরিধি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন ঘটাতে হলে নিঃসন্দেহে ২০২৩ সাল জুড়ে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক প্রতি আক্রমণ চালাতে হবে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে