
ফিলিপাইনের প্রতি কানাডার সমর্থনকে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে বেইজিং। সেই সঙ্গে কানাডার এমন আচরণের নিন্দাও জানিয়েছে কানাডায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয় এ খবর।
কানাডায় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগর সেই অঞ্চলের দেশগুলোর সাধারণ আবাসস্থল এবং কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সেই স্থানকে তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র আরও বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় বাইরের দেশ হিসেবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে কানাডা। সেখানে ফিলিপাইনকে চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করার ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছে তারা। এটি জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং কানাডার পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ চীন সাগরে সেকেন্ড থমাস শোল প্রবালপ্রাচীরকে কেন্দ্র করে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চীনা উপকূলরক্ষী ও প্রতিরক্ষা জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের নৌযানগুলোয় বারবার জলকামান ছোড়ার অভিযোগ এনেছে ম্যানিলা।
পাশাপাশি, চীনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত জলসীমার কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিপাইনের একটি জাহাজকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ করেছে ম্যানিলা। চীনের এই আচরণের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ফিলিপাইনের পাশে আছে।
গত সপ্তাহে বিতর্কিত জলসীমায় একটি সংঘর্ষের ঘটনায় চীনের নিন্দা জানিয়েছে কানাডা। দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের বেসামরিক ও সরকারি জাহাজের বিরুদ্ধে চীন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের নিন্দা করে বিবৃতি প্রকাশ করেছিল কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, প্রায় সমগ্র দক্ষিণ চীন সাগরকে নিজেদের বলে দাবি করে চীন। তারা বারবার বলেছে, ফিলিপাইনের জাহাজগুলো সেই অঞ্চলে চীনের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করছে।

ফিলিপাইনের প্রতি কানাডার সমর্থনকে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে বেইজিং। সেই সঙ্গে কানাডার এমন আচরণের নিন্দাও জানিয়েছে কানাডায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাস। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয় এ খবর।
কানাডায় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগর সেই অঞ্চলের দেশগুলোর সাধারণ আবাসস্থল এবং কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সেই স্থানকে তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র আরও বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর এলাকায় বাইরের দেশ হিসেবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে কানাডা। সেখানে ফিলিপাইনকে চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করার ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছে তারা। এটি জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং কানাডার পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ চীন সাগরে সেকেন্ড থমাস শোল প্রবালপ্রাচীরকে কেন্দ্র করে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চীনা উপকূলরক্ষী ও প্রতিরক্ষা জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের নৌযানগুলোয় বারবার জলকামান ছোড়ার অভিযোগ এনেছে ম্যানিলা।
পাশাপাশি, চীনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত জলসীমার কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিপাইনের একটি জাহাজকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ করেছে ম্যানিলা। চীনের এই আচরণের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ফিলিপাইনের পাশে আছে।
গত সপ্তাহে বিতর্কিত জলসীমায় একটি সংঘর্ষের ঘটনায় চীনের নিন্দা জানিয়েছে কানাডা। দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের বেসামরিক ও সরকারি জাহাজের বিরুদ্ধে চীন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের নিন্দা করে বিবৃতি প্রকাশ করেছিল কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, প্রায় সমগ্র দক্ষিণ চীন সাগরকে নিজেদের বলে দাবি করে চীন। তারা বারবার বলেছে, ফিলিপাইনের জাহাজগুলো সেই অঞ্চলে চীনের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুত গতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৬ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে