
দুই দেশের মাটিতে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর উত্তেজনা নিরসন করে আবারও কূটনীতিক সম্পর্কে ফিরেছে পাকিস্তান ও ইরান। পাকিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার-উল-হক কাকারের কার্যালয় থেকে এ কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের মধ্যে টেলিফোনে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পর এই অগ্রগতি ঘটে। এ সময় ইরানের সঙ্গে সব ইস্যুতে একত্রে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিলানি পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার চেতনার ভিত্তিতে ইরানের সঙ্গে সব বিষয়ে কাজ করার ব্যাপারে পাকিস্তানের ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন। উত্তেজনা নিরসনে তাঁরা সম্মত হয়েছেন। দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিজ নিজ রাজধানীতে ফেরত যাওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের সীমান্তের ভেতরে প্রবেশ করে বিমান হামলা চালিয়েছিল ইরান। তারা দাবি করেছিল, জইশ আল-আদল নামে একটি সুন্নি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়। হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছিল পাকিস্তান।
ওই হামলার ৪৮ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ইরানে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় পাকিস্তান। তাতে চার শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছে, যাদের সবাই বিদেশি নাগরিক বলে জানান ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমদ ওয়াহিদী।
এ অবস্থায় দুই পক্ষই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করার সঙ্গে একে অপরকে তার আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে। গত বুধবার ইরান থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফেরত নিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি ইসলামাবাদ থেকেও ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল যে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বড় আকারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েই ইরানের সারাভান শহরের চারপাশে তারা হামলা করেছিল। তবে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে পাকিস্তান সম্মান করে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি আরও কয়েকটি ফ্রন্টে বিরাজ করছে উত্তেজনা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি এসব হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানে হামলার আগে ইরান তার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী ইরাক ও সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে লড়ছে ইসরায়েল। সেই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী লেবাননের ইরান সমর্থিত গ্রুপ হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘর্ষে লিপ্ত।
অন্যদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে মার্কিন বাহিনীকে। আর ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

দুই দেশের মাটিতে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর উত্তেজনা নিরসন করে আবারও কূটনীতিক সম্পর্কে ফিরেছে পাকিস্তান ও ইরান। পাকিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার-উল-হক কাকারের কার্যালয় থেকে এ কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের মধ্যে টেলিফোনে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পর এই অগ্রগতি ঘটে। এ সময় ইরানের সঙ্গে সব ইস্যুতে একত্রে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিলানি পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার চেতনার ভিত্তিতে ইরানের সঙ্গে সব বিষয়ে কাজ করার ব্যাপারে পাকিস্তানের ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন। উত্তেজনা নিরসনে তাঁরা সম্মত হয়েছেন। দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিজ নিজ রাজধানীতে ফেরত যাওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের সীমান্তের ভেতরে প্রবেশ করে বিমান হামলা চালিয়েছিল ইরান। তারা দাবি করেছিল, জইশ আল-আদল নামে একটি সুন্নি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়। হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছিল পাকিস্তান।
ওই হামলার ৪৮ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ইরানে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় পাকিস্তান। তাতে চার শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছে, যাদের সবাই বিদেশি নাগরিক বলে জানান ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমদ ওয়াহিদী।
এ অবস্থায় দুই পক্ষই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করার সঙ্গে একে অপরকে তার আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে। গত বুধবার ইরান থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফেরত নিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি ইসলামাবাদ থেকেও ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল যে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বড় আকারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েই ইরানের সারাভান শহরের চারপাশে তারা হামলা করেছিল। তবে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে পাকিস্তান সম্মান করে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি আরও কয়েকটি ফ্রন্টে বিরাজ করছে উত্তেজনা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি এসব হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানে হামলার আগে ইরান তার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী ইরাক ও সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে লড়ছে ইসরায়েল। সেই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী লেবাননের ইরান সমর্থিত গ্রুপ হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘর্ষে লিপ্ত।
অন্যদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে মার্কিন বাহিনীকে। আর ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ ও আটকের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার এই অভিযানকে বিশ্ব রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত ওই ছবিতে মাদুরোকে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ডেকে বন্দী অবস্থায় দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৩ ঘণ্টা আগে