
গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়ার উপোলু আইল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূল থেকে মাত্র এক নটিক্যাল মাইল গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর ওই জাহাজটি। তীব্র বাতাস আর উত্তাল সাগরের মধ্যে মূলত একটি জরিপ কাজ পরিচালনা করছিল এটি। এ সময়ই ঘটে বিপত্তি! ৬ অক্টোবর ভোরে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলে ক্যাপটেন ইভন গ্রে সবাইকে এটি ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। সাতজন বিজ্ঞানী এবং চারজন বিদেশি সেনা কর্মকর্তা সহ মোট ৭৫ জন সেদিন চারটি জীবন রক্ষাকারী ভেলা এবং দুটি স্পিডবোট নিয়ে জাহাজটি ত্যাগ করেন। পরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তাঁদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনী।
সেদিন ক্রুরা ত্যাগ করে যাওয়ার এক ঘণ্টা পরই নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর এইচএমএনজেডএস-মানাওয়ানুই জাহাজটি পানিতে তলিয়ে যায়। এই জাহাজের বিষয়ে সামোয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তুয়ালা তেভাগা ইওসেফো পনিফাসিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এইচএমএনজেডএস-মানাওয়ানুই উদ্ধার করা আর সম্ভব নয়। এটি সাগরে ডুবে গেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম অনিচ্ছাকৃতভাবে নিউজিল্যান্ডের কোনো জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা এটি। ডুবে যাওয়ার সময় জাহাজটিতে ৯৫০ টন ডিজেল ছিল। এই তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ এখন এই জাহাজ ডুবির কারণ অনুসন্ধান করছে।
এদিকে জাহাজটির ক্যাপ্টেন ইভন গ্রে একজন নারী হওয়ায় ঘটনার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের ট্রল শুরু হয়েছে। অনলাইনে কমান্ডার গ্রেকে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ এবং আক্রমণ করা হচ্ছে। অনেকেই যুক্তি দিচ্ছেন, একজন নারী এমন কঠিন কাজের জন্য উপযুক্ত নন। তবে নারী ক্যাপটেন নিয়ে ট্রলকারীদের তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছে নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার বিবিসি জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জুডিথ কলিন্স নারী হিসেবে একজন ক্যাপটেনকে খাটো করে দেখার বিষয়টিকে ‘খুব অশোভন’ বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি নিজেও নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
জুডিথ কলিন্স বলেছেন, ‘কীভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা বের করার জন্য তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।’
শুধু নারী বলে ক্যাপটেনের সমালোচকদের ‘আর্মচেয়ার অ্যাডমিরাল’ আখ্যা দিয়ে জুডিথ বলেন, ‘তারা জাহাজের ক্যাপ্টেন কমান্ডার ইভন গ্রেকে ঘটনার জন্য দায়ী করার ষড়যন্ত্র করেছে। কারণ তিনি একজন নারী।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি জিনিস, যা আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে, ক্যাপটেনের লিঙ্গের কারণে জাহাজটি ডুবে যায়নি।’
মন্ত্রী জানান, তিনি ক্যাপটেন গ্রের বিরুদ্ধে অনলাইনে কিছু মন্তব্য দেখে আতঙ্কিত হয়েছিলেন। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে জুডিথ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের মানুষ এর চেয়ে ভালো। ভালো হয়ে যাও।’
জানা গেছে, কমান্ডার ইভন গ্রে ২০১৯ সাল থেকেই ডুবে যাওয়া জাহাজটির ক্যাপটেন ছিলেন। জাহাজটি ডুবে যাওয়ার মুখে প্রাণহানি রোধ করার জন্য তিনি প্রশংসিতও হয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল গ্যারিন গোল্ডিং তাঁকে অত্যন্ত অভিজ্ঞ, দক্ষ কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়ার উপোলু আইল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূল থেকে মাত্র এক নটিক্যাল মাইল গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর ওই জাহাজটি। তীব্র বাতাস আর উত্তাল সাগরের মধ্যে মূলত একটি জরিপ কাজ পরিচালনা করছিল এটি। এ সময়ই ঘটে বিপত্তি! ৬ অক্টোবর ভোরে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলে ক্যাপটেন ইভন গ্রে সবাইকে এটি ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। সাতজন বিজ্ঞানী এবং চারজন বিদেশি সেনা কর্মকর্তা সহ মোট ৭৫ জন সেদিন চারটি জীবন রক্ষাকারী ভেলা এবং দুটি স্পিডবোট নিয়ে জাহাজটি ত্যাগ করেন। পরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তাঁদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনী।
সেদিন ক্রুরা ত্যাগ করে যাওয়ার এক ঘণ্টা পরই নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর এইচএমএনজেডএস-মানাওয়ানুই জাহাজটি পানিতে তলিয়ে যায়। এই জাহাজের বিষয়ে সামোয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তুয়ালা তেভাগা ইওসেফো পনিফাসিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এইচএমএনজেডএস-মানাওয়ানুই উদ্ধার করা আর সম্ভব নয়। এটি সাগরে ডুবে গেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম অনিচ্ছাকৃতভাবে নিউজিল্যান্ডের কোনো জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা এটি। ডুবে যাওয়ার সময় জাহাজটিতে ৯৫০ টন ডিজেল ছিল। এই তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ এখন এই জাহাজ ডুবির কারণ অনুসন্ধান করছে।
এদিকে জাহাজটির ক্যাপ্টেন ইভন গ্রে একজন নারী হওয়ায় ঘটনার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের ট্রল শুরু হয়েছে। অনলাইনে কমান্ডার গ্রেকে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ এবং আক্রমণ করা হচ্ছে। অনেকেই যুক্তি দিচ্ছেন, একজন নারী এমন কঠিন কাজের জন্য উপযুক্ত নন। তবে নারী ক্যাপটেন নিয়ে ট্রলকারীদের তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছে নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার বিবিসি জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জুডিথ কলিন্স নারী হিসেবে একজন ক্যাপটেনকে খাটো করে দেখার বিষয়টিকে ‘খুব অশোভন’ বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি নিজেও নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
জুডিথ কলিন্স বলেছেন, ‘কীভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা বের করার জন্য তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।’
শুধু নারী বলে ক্যাপটেনের সমালোচকদের ‘আর্মচেয়ার অ্যাডমিরাল’ আখ্যা দিয়ে জুডিথ বলেন, ‘তারা জাহাজের ক্যাপ্টেন কমান্ডার ইভন গ্রেকে ঘটনার জন্য দায়ী করার ষড়যন্ত্র করেছে। কারণ তিনি একজন নারী।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি জিনিস, যা আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে, ক্যাপটেনের লিঙ্গের কারণে জাহাজটি ডুবে যায়নি।’
মন্ত্রী জানান, তিনি ক্যাপটেন গ্রের বিরুদ্ধে অনলাইনে কিছু মন্তব্য দেখে আতঙ্কিত হয়েছিলেন। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে জুডিথ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের মানুষ এর চেয়ে ভালো। ভালো হয়ে যাও।’
জানা গেছে, কমান্ডার ইভন গ্রে ২০১৯ সাল থেকেই ডুবে যাওয়া জাহাজটির ক্যাপটেন ছিলেন। জাহাজটি ডুবে যাওয়ার মুখে প্রাণহানি রোধ করার জন্য তিনি প্রশংসিতও হয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল গ্যারিন গোল্ডিং তাঁকে অত্যন্ত অভিজ্ঞ, দক্ষ কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে