আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি তাঁর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেছেন। গতকাল রোববার তিনি তিনজন নতুন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করেন। আজ সোমবার এই মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে। নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কার্কি সাবেক অর্থসচিব রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী, খ্যাতিমান আইনজীবী ওমপ্রকাশ আর্যালকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক নির্বাহী পরিচালক কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি ও সেচমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ঘিসিংকে আরও দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে—সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।
কার্কির এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, সোমবার নতুন মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলকে জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ১৫-এর মধ্যে সীমিত রাখবেন। ধীরে ধীরে অন্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে তিনি দ্রুত পরামর্শও শুরু করেছেন।
কার্কির ওই ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা, ব্যবসায়ী মহলসহ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করা এবং সাধারণ মানুষকে স্বস্তির বার্তা দিতে অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগের জন্য প্রবল চাপ ছিল। সে কারণেই তিনি এমন কিছু সেরা মানুষকে বেছে নিয়েছেন, যাদের পেশাদার সততা প্রমাণিত।’
উপদেষ্টা জানান, আইনজীবী আর্যাল শুরুতে সরকারের বাইরে থেকে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে তিনি যোগ দিতে রাজি হন। গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউদেল, প্রধানমন্ত্রী কার্কি, জেন–জি প্রতিনিধিরা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছিল, আর্যাল সেখানেও অংশ নিয়েছিলেন।
জেন–জির পতাকাতলে আয়োজিত দুই দিনের দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে ইতিমধ্যে ৭০ জনের বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। গত সোমবার ও মঙ্গলবার সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, অগ্নিসংযোগও করা হয়।
এর আগে খনাল উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক সংস্কার সুপারিশ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে কেপি শর্মা অলি সরকারের কাছে ৪৪৭ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন। ঘিসিং দেশ থেকে ব্যাপকভাবে লোডশেডিং কমিয়ে আনার জন্য প্রশংসিত, তাঁকে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অলি সরকার বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দেয়। জনরোষের মধ্যেই তখন ঘিসিংয়ের স্থলে হিতেন্দ্র দেব শাক্যাকে নিয়োগ দিয়েছিল অলি সরকার।
শনিবার সন্ধ্যায় কার্কি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে পরামর্শ শুরু করেন। রোববার সন্ধ্যায় তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন যে, অ্যাডভোকেট আর্যাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবেন। এর আগেই কার্কি রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী ও কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি তাঁর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেছেন। গতকাল রোববার তিনি তিনজন নতুন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করেন। আজ সোমবার এই মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে। নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কার্কি সাবেক অর্থসচিব রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী, খ্যাতিমান আইনজীবী ওমপ্রকাশ আর্যালকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক নির্বাহী পরিচালক কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি ও সেচমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ঘিসিংকে আরও দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে—সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।
কার্কির এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, সোমবার নতুন মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলকে জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ১৫-এর মধ্যে সীমিত রাখবেন। ধীরে ধীরে অন্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে তিনি দ্রুত পরামর্শও শুরু করেছেন।
কার্কির ওই ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা, ব্যবসায়ী মহলসহ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করা এবং সাধারণ মানুষকে স্বস্তির বার্তা দিতে অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগের জন্য প্রবল চাপ ছিল। সে কারণেই তিনি এমন কিছু সেরা মানুষকে বেছে নিয়েছেন, যাদের পেশাদার সততা প্রমাণিত।’
উপদেষ্টা জানান, আইনজীবী আর্যাল শুরুতে সরকারের বাইরে থেকে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে তিনি যোগ দিতে রাজি হন। গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউদেল, প্রধানমন্ত্রী কার্কি, জেন–জি প্রতিনিধিরা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছিল, আর্যাল সেখানেও অংশ নিয়েছিলেন।
জেন–জির পতাকাতলে আয়োজিত দুই দিনের দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে ইতিমধ্যে ৭০ জনের বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। গত সোমবার ও মঙ্গলবার সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, অগ্নিসংযোগও করা হয়।
এর আগে খনাল উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক সংস্কার সুপারিশ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে কেপি শর্মা অলি সরকারের কাছে ৪৪৭ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন। ঘিসিং দেশ থেকে ব্যাপকভাবে লোডশেডিং কমিয়ে আনার জন্য প্রশংসিত, তাঁকে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অলি সরকার বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দেয়। জনরোষের মধ্যেই তখন ঘিসিংয়ের স্থলে হিতেন্দ্র দেব শাক্যাকে নিয়োগ দিয়েছিল অলি সরকার।
শনিবার সন্ধ্যায় কার্কি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে পরামর্শ শুরু করেন। রোববার সন্ধ্যায় তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন যে, অ্যাডভোকেট আর্যাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবেন। এর আগেই কার্কি রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী ও কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
১০ ঘণ্টা আগে