
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের কারাগার থেকে পাঠানো এক ইস্টার বার্তা ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এই বার্তায় তিনি নিজের পরিস্থিতির সঙ্গে যিশুখ্রিষ্টের কষ্টের তুলনা টেনেছেন, যা ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল ও অযৌক্তিক।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, গত ৫ এপ্রিল নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় ইউন বলেন, ‘সময় যতই কঠিন হোক, মুক্তির আশায় দৃঢ় থাকতে হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘যিশুর পুনরুত্থান দেখিয়েছে—দুঃখ-কষ্ট অতিক্রম করলে এই দেশ স্বাধীনতা ও সত্যের মাধ্যমে পুনর্গঠিত হবে।’ একই সঙ্গে তিনি ইস্টার উপলক্ষে জনগণকে কষ্ট সহ্য করে মুক্তির আশায় এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, সিউল ডিটেনশন সেন্টারে ইউন সুক ইওলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর আইনজীবী এই বার্তা প্রকাশ করেন। ইউন এখনো দেশটিতে একটি শক্তিশালী সমর্থক গোষ্ঠী ধরে রেখেছেন, যারা তাঁর কাছ থেকে অনুপ্রেরণামূলক বার্তা প্রত্যাশা করেন।
তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই বার্তার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন ‘শহীদ’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন। দেশটির গণতন্ত্রপন্থী সংগঠন ক্যাথলিক প্রিস্টস অ্যাসোসিয়েশন ফর জাস্টিসের নেতা কিম ইন কুক বলেছেন, ‘তিনি নিজেকে যিশুর সঙ্গে তুলনা করছেন—এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। ধর্মবিশ্বাসী কেউ এমন কথা বলার সাহস পেতেন না।’
রক্ষণশীল দৈনিক ‘ডং-এ ইলবো’-এর এক সম্পাদকীয়তে ইউনকে ‘অনুতাপহীন’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে—তিনি এখনো কোনো অপরাধ স্বীকার করেননি এবং নিজেকে যিশুর মতো ভোগান্তির শিকার হিসেবে দেখাতে চাইছেন।
তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতা পার্ক জি ওনও। তিনি বলেন, ‘পুনরুত্থান মানে অনুশোচনা ও আত্মসমালোচনা। কিন্তু ইউন কি তা করেছেন? ঈশ্বর ও যিশুর নাম ব্যবহার করা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারির চেষ্টা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অপসারিত হওয়ার পর চলতি বছর ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায় দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সাবেক কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির নজির।

গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম দিনই জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে আজ মঙ্গলবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাঁর জারি করা সেই নির্বাহী আদেশ অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। ৬-৩ ভোটের এই রায়ে সুপ্রিম কোর্টের...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া যেকোনো শিশুর জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনি ও সাংবিধানিক ইতিহাস অত্যন্ত দীর্ঘ। এটি যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গেও জড়িত। ল্যাটিন শব্দ ‘জাস সোলি’ বা মাটির অধিকারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই ধারণাটি...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে এক বিলিয়ন ডলার (১০০ কোটি ডলার) জালিয়াতির অভিযোগে চীনের এক সময়ের শীর্ষ ধনী ও আবাসন ব্যবসায়ী গুও ওয়েনগুইকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন মার্কিন আদালত। গতকাল সোমবার (২৯ জুন) নিউইয়র্কের একটি আদালত এই রায় ঘোষণা করেন...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেওয়া এক রায়ে আদালত ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক...
৪ ঘণ্টা আগে