শিল্প হলো ব্যক্তিগত বিষয়। শিল্পী যখন তাঁর কাজ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান, তখন দর্শক–শ্রোতারা সেই শিল্পের মর্মার্থ বুঝতে পারবেন বা এটি পছন্দ করবেন এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অনেকটা এমন ঘটনা ঘটল আদিবাসী শিল্পী ভিনসেন্ট নামতজিরার একটি চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জিনা রাইনহার্টের প্রতিকৃতি এঁকেছেন তিনি।
রাইনহার্ট এতটাই খেপেছেন যে, ন্যাশনাল গ্যালারি অব অস্ট্রেলিয়াকে (এনজিএ) নিজের প্রতিকৃতিটি সরিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে রাইনহার্ট তাঁর প্রতিকৃতি কেন সরাতে বলেছেন সেটি স্পষ্ট নয়। এটি নামতজিরার ২১টি স্বতন্ত্র কাজের মধ্যে একটি। তাঁর এই একক প্রদর্শনীর নাম দিয়েছেন ‘অস্ট্রেলিয়া ইন কালার’।
গত মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার গ্যালারিতে এই প্রদর্শনী চলছে।
প্রতিকৃতিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, আমেরিকান সংগীতশিল্পী জিমি হেন্ডরিক্স, অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী অধিকার কর্মী ভিনসেন্ট লিঙ্গিয়ারি এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, খনি ব্যবসায়ী রাইনহার্ট ওই শিল্পীর পেইন্টিংটি অপসারণের অনুরোধ করতে এনজিএর পরিচালক এবং চেয়ারপারসনের কাছে গিয়েছিলেন। তবে ছবি সরিয়ে নেওয়ার দাবির পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।
এনজিএ গতকাল বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেছে, তারা তাদের ‘সংগ্রহ এবং প্রদর্শনী’ নিয়ে জনসাধারণের আলোচনাকে স্বাগত জানায়।
নামতজিরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি ‘ধনী, ক্ষমতাবান বা উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের আঁকেন—যারা এই দেশে এবং ব্যক্তিগতভাবে তাঁর ওপর প্রভাব ফেলেছেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, সেটি ভালো হোক বা খারাপ হোক।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বকে যেমন দেখি তেমনই আমি আঁকছি। মানুষকে আমার চিত্রগুলো পছন্দ করার দরকার নেই। তবে আমি আশা করি, তাঁরা দেখবেন এবং ভাববেন—কেন এই আদিবাসী লোক এই ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের এঁকেছে? সে কী বলতে চাইছে?’
রাইনহার্ট হ্যানকক প্রসপেক্টিংয়ের নির্বাহী চেয়ারম্যান। তাঁর মালিকানাধীন খনি কোম্পানি রয়েছে। বাবা ল্যাং হ্যানককের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে এটি তিনি পেয়েছেন।
ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুসারে, রাইনহার্টের সম্পদের আনুমানিক নিট মূল্য ৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফোর্বসের তালিকায় অস্ট্রেলিয়ার ৫০ ধনীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।

ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামোগুলো বেছে বেছে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্তত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য গবেষণা কেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তেহরানের ‘শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’তে
১৭ মিনিট আগে
ইরানে চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয় বরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমনটাই জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয়’ ঘটেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার
১ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়ে চরম বিভ্রান্তি ও সংঘাতের নতুন চিত্র ফুটে উঠেছে লেবাননে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পরপরই ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েল এবং দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ইসরা
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর সব দেশটির সামরিক ইউনিটকে হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সংঘাত যেকোনো সময় আবার শুরু হতে পারে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খামেনি এই অব
৩ ঘণ্টা আগে