
সমুদ্রে পারমাণবিক বর্জ্য পানি নিষ্কাশন নিয়ে চীনের সঙ্গে জাপানের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। দক্ষিণ কোরিয়াও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। এর মধ্যে রেকর্ড প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করল জাপান। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) ২০২৪ অর্থবছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ৭ লাখ ৭০ হাজার কোটি ইয়েনের (৫ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার) বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব পাস হলে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার পাঁচ বছর মেয়াদে ৪৩ লাখ কোটি ইয়েন ব্যয়ে সামরিক খাত উন্নয়ন পরিকল্পনার নতুন পদক্ষেপ।
গত বছর ঘোষিত এই পরিকল্পনা অনুসারে, জাপান ২০২৭ সাল নাগাদ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করে দ্বিগুণ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায়। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী মনোভাব এবং উত্তর কোরিয়ার বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় এই পরিকল্পনা নিয়েছে জাপান।
গত সপ্তাহে জাপান ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের পরিশোধিত তেজস্ক্রিয় পানি সমুদ্রে ছাড়তে শুরু করেছে। জাপানের সি ফুড আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে চীন এই পদক্ষেপের নিন্দা জানায়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেট গত বছরের চেয়ে ১ লাখ কোটি ইয়েন বেশি। অর্থাৎ গত বছরের প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি।
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন জাহাজভিত্তিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ গোলাবারুদ ও অস্ত্রের জন্য ৯০ হাজার কোটি ইয়েন বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করেছে।
জরুরি অবস্থার সময় দক্ষিণ-পশ্চিম দ্বীপপুঞ্জে অস্ত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য রসদের ক্ষমতা বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি ইয়েন ব্যবহার করা হবে।
বাজেটে তিনটি নতুন ল্যান্ডিং জাহাজের জন্য ১ হাজার ৭০০ কোটি ইয়েন, ১৭টি হেলিকপ্টারের জন্য ৩০ হাজার কোটি ইয়েন এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন সক্ষমতা উন্নত করার জন্য একটি নতুন বিশেষায়িত পরিবহন দলের প্রস্তাব করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
জাপান সুপারসনিক যুদ্ধাস্ত্র মোকাবিলা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে ৭ হাজার ৫০০ কোটি ইয়েন ব্যয় করবে। এ ছাড়া ব্রিটেন ও ইতালির সঙ্গে মিলে ৬ হাজার ৪০০ কোটি ইয়েন ব্যয়ে নেক্সট জেনারেশন ফাইটার জেট তৈরি করবে জাপান।
কয়েক দশক ধরে শান্তিবাদী নীতি মেনে চলার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই মিত্র দেশ এবার প্রতিরক্ষায় রেকর্ড পরিমাণ ব্যয় করতে যাচ্ছে। ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওপর যুদ্ধবিরোধী সংবিধান চাপিয়ে দেয়। ফলে দীর্ঘ দিন সেই অর্থে আনুষ্ঠানিক সামরিক বাহিনীই ছিল না জাপানের।
কিন্তু সমুদ্রে প্রভাব বিস্তারে চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, বিশেষ করে তাইওয়ান নিয়ে আগ্রাসী মনোভাব এবং ক্রমে সশস্ত্র হয়ে ওঠা উত্তর কোরিয়ার কারণে জাপানের চিন্তায় পরিবর্তন ঘটেছে। এ ছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পর উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং এর আগে আগ্রাসনের কারণে এখনো এশিয়ার কয়েকটি দেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ। জাপান আশ্বস্ত করেছে, তার ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি অন্য দেশের জন্য কোনোভাবেই হুমকি হবে না। জাপান বলছে, ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সংলাপকেই গুরুত্ব দেবে টোকিও।

সমুদ্রে পারমাণবিক বর্জ্য পানি নিষ্কাশন নিয়ে চীনের সঙ্গে জাপানের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। দক্ষিণ কোরিয়াও বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। এর মধ্যে রেকর্ড প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করল জাপান। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) ২০২৪ অর্থবছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ৭ লাখ ৭০ হাজার কোটি ইয়েনের (৫ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার) বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব পাস হলে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার পাঁচ বছর মেয়াদে ৪৩ লাখ কোটি ইয়েন ব্যয়ে সামরিক খাত উন্নয়ন পরিকল্পনার নতুন পদক্ষেপ।
গত বছর ঘোষিত এই পরিকল্পনা অনুসারে, জাপান ২০২৭ সাল নাগাদ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ২ শতাংশ ব্যয় করে দ্বিগুণ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায়। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী মনোভাব এবং উত্তর কোরিয়ার বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় এই পরিকল্পনা নিয়েছে জাপান।
গত সপ্তাহে জাপান ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের পরিশোধিত তেজস্ক্রিয় পানি সমুদ্রে ছাড়তে শুরু করেছে। জাপানের সি ফুড আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে চীন এই পদক্ষেপের নিন্দা জানায়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেট গত বছরের চেয়ে ১ লাখ কোটি ইয়েন বেশি। অর্থাৎ গত বছরের প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি।
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন জাহাজভিত্তিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ গোলাবারুদ ও অস্ত্রের জন্য ৯০ হাজার কোটি ইয়েন বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করেছে।
জরুরি অবস্থার সময় দক্ষিণ-পশ্চিম দ্বীপপুঞ্জে অস্ত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য রসদের ক্ষমতা বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি ইয়েন ব্যবহার করা হবে।
বাজেটে তিনটি নতুন ল্যান্ডিং জাহাজের জন্য ১ হাজার ৭০০ কোটি ইয়েন, ১৭টি হেলিকপ্টারের জন্য ৩০ হাজার কোটি ইয়েন এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন সক্ষমতা উন্নত করার জন্য একটি নতুন বিশেষায়িত পরিবহন দলের প্রস্তাব করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
জাপান সুপারসনিক যুদ্ধাস্ত্র মোকাবিলা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে ৭ হাজার ৫০০ কোটি ইয়েন ব্যয় করবে। এ ছাড়া ব্রিটেন ও ইতালির সঙ্গে মিলে ৬ হাজার ৪০০ কোটি ইয়েন ব্যয়ে নেক্সট জেনারেশন ফাইটার জেট তৈরি করবে জাপান।
কয়েক দশক ধরে শান্তিবাদী নীতি মেনে চলার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই মিত্র দেশ এবার প্রতিরক্ষায় রেকর্ড পরিমাণ ব্যয় করতে যাচ্ছে। ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওপর যুদ্ধবিরোধী সংবিধান চাপিয়ে দেয়। ফলে দীর্ঘ দিন সেই অর্থে আনুষ্ঠানিক সামরিক বাহিনীই ছিল না জাপানের।
কিন্তু সমুদ্রে প্রভাব বিস্তারে চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, বিশেষ করে তাইওয়ান নিয়ে আগ্রাসী মনোভাব এবং ক্রমে সশস্ত্র হয়ে ওঠা উত্তর কোরিয়ার কারণে জাপানের চিন্তায় পরিবর্তন ঘটেছে। এ ছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পর উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং এর আগে আগ্রাসনের কারণে এখনো এশিয়ার কয়েকটি দেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ। জাপান আশ্বস্ত করেছে, তার ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি অন্য দেশের জন্য কোনোভাবেই হুমকি হবে না। জাপান বলছে, ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সংলাপকেই গুরুত্ব দেবে টোকিও।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে