আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানে আসার পর দেশটিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা নিয়ে আগামী মঙ্গলবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আজ রোববার একটি টুইট বার্তায় এমনটি জানিয়েছেন।
টুইট বার্তায় জনসন বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে নিরাপদ উদ্ধার কাজ, একটি মানবিক সংকট রোধ এবং আফগান জনগণ ২০ বছরে যে অর্জন করেছে তা সুরক্ষিত করার জন্য।
জি-৭ এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হল গ্রুপ অফ সেভেন, বা সাতটি দেশের দল। বিশ্বের তথাকথিত উন্নত অর্থনীতির সাতটি বড় দেশ ও একটি সংস্থা নিয়ে এই জোট গঠিত। জোটের সদস্য দেশ হল কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে গ্রুপটির নেতৃত্বে রয়েছে যুক্তরাজ্য।
তালেবান আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর পরিস্থিতি সামলানো নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।
গত বৃহস্পতিবার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে জি৭ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আফগানিস্তান ছেড়ে পালাতে চাওয়াদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তালেবানের প্রতি আহ্বান জানান।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানি হামরা তীব্র হতে থাকায় সৌদি আরব ও কাতারসহ এক ডজনের বেশি দেশ থেকে সব মার্কিন নাগরিককে অবিলম্বে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি-মার্কিন যুদ্ধ এবং সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার পর, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ‘চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান বৈশ্বিক তেল রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তার আগে থেকেই এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। এই জলপথ হয়ে স্বাভাবিক পূর্ব–পশ্চিমমুখী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের প্রায় ৮৬ শতাংশই থমকে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলোতে যে হামলা হয়েছে, তা ইসরায়েলিরাই চালিয়েছে এবং এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অভিযান। অর্থাৎ এই অপারেশন এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে হামলাকারীরা আড়ালে থাকবে এবং দায় হবে অন্য পক্ষের। এমনটি দাবি করেছেন এই বিষয়ে অবহিত এক ইরানি সামরিক সূত্র।
২ ঘণ্টা আগে