ফজলুল বারী, অস্ট্রেলিয়া থেকে

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসসহ বিভিন্ন রাজ্যে আজ বুধবার এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষার মতো এমন দিনে স্কুলের বাইরে অভিভাবকদের ভিড়বাট্টা এখানে নেই। কাজপাগল মানুষের দেশের বেশির ভাগ অভিভাবকের অত সময়ও নেই। ছাত্রছাত্রীরা অন্য স্বাভাবিক দিনগুলোর মতোই স্কুলের শেষ পরীক্ষায় অংশ নিতে গেছেন। বাংলাদেশের মতো দেশের অভিভাবকেরাই হয়তো এমন দিনে ছেলে-মেয়েদের স্কুলে নামিয়ে দিয়েছেন অথবা পরীক্ষা শেষে বাসায় নিয়ে এসেছেন।
ব্রিটিশ কারিকুলামের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের মতো এ দেশের হাইস্কুল দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে কলেজ ওয়ান ও কলেজ টুতে সাজানো হয়। তাই হাইস্কুল শেষেই এ দেশের ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যান। বাংলাদেশে বাংলা বিষয় দিয়ে যেমন পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়, এ দেশের প্রথম দিনের পরীক্ষার বিষয়বস্তু ছিল ইংরেজি।
অস্ট্রেলিয়ার এই পরীক্ষা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীনের কিছু স্কুলেও আজ শুরু হয়েছে। এবার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে প্রায় ৭০ হাজার ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষা দিচ্ছেন।
শিক্ষাব্যবস্থাটি দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ হওয়ায় অভিভাবকদের উদ্বেগ এখানে বাংলাদেশের মতো নয়। স্কুল পর্যন্ত এখানে পড়াশোনা ফ্রি। তাই পরীক্ষার ফিসহ নানা কিছু চিন্তার দায়িত্বও রাষ্ট্রের। ২৩ নভেম্বর এই পরীক্ষা শেষ হবে। ফলাফল বেরোবে ১৪ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে স্কুলগুলোও ক্রিসমাস-গ্রীষ্মের লম্বা ছুটিতে চলে যাবে।
এইচএসএসি পরীক্ষার কোর্স নম্বরের ৫০ ভাগ ছাত্রছাত্রী স্কুলের ক্লাস শেষেই অর্জন করেছেন। পরীক্ষা হচ্ছে বাকি ৫০ ভাগ নম্বরের। বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে আগাম ভর্তির কাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ডাক্তারি তথা মেডিসিনের মতো বিষয়গুলোর চূড়ান্ত সুযোগ নির্ভর করবে এইচএসসির চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর। ডাক্তারি পড়ার জন্য এ দেশে আলাদা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশলী হওয়ার জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় নেই। প্রচলিত পাবলিক বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েই এসবের বিভাগ রয়েছে।
শুধু ডাক্তারি বা প্রকৌশল বিষয়েই পড়তে হবে এমন হাহাকারও এখানকার ছাত্রছাত্রীদের মধ্য নেই। বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী স্কুল শেষে বিভিন্ন কাজের বাজারে চলে যান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল টার্গেট বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিদেশি ছাত্রছাত্রী।
স্থানীয় ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বা উচ্চতর পড়াশোনা নিয়েও কোনো উদ্বেগ নেই অভিভাবকদের। কারণ, এসব পড়াশোনার ব্যয় সরকার দেবে ফি হেল্প নামের শিক্ষা বৃত্তির মাধ্যমে। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর ট্যাক্স ফাইল নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এরই মাঝে তৈরি হয়ে গেছে। এসব অ্যাকাউন্টের অনুকূলে শিক্ষা ঋণ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পর সরকার বেতন থেকে কিস্তি করে কেটে নিয়ে যাবে শিক্ষা ঋণের টাকা।
মা-বাবা পড়াশোনার খরচ দেবেন এমন ধারণা প্রচলিত নয়। ছাত্রছাত্রীদের সিংহভাগই এ দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজও করেন। কাজ না করলে সরকার তাঁদের অস্টাডি, ইয়ুথ অ্যালাউন্স নামের ভাতা দেয়। ছাত্রছাত্রীরা আইনত সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারেন না।
এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মিন্স লেবার সরকার জানিয়েছে, বাজেটে তারা রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় এবার রেকর্ড বিনিয়োগ করেছে, যার মধ্যে রাজ্যের ৯৫ হাজার শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে। ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে ওয়েস্টার্ন সিডনি স্কুলগুলো তৈরি ও আপগ্রেড করতে। আর রাজ্যের গ্রাম অঞ্চলগুলোর স্কুলগুলো আপগ্রেড করতে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে৷
নিউ সাউথ ওয়েলস এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস অথোরিটির সাইবার, তথ্য নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি প্রোগ্রাম, এজেন্সির নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য খরচ করা হচ্ছে ৪৫ মিলিয়ন ডলার।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্স বুধবার পরীক্ষা শুরুর আগে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আজ আমাদের এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। প্রত্যেকের জন্য, যাঁরা তাদের পরীক্ষায় বসে আছেন, আমি আপনাদের সবার জন্য শুভকামনা করছি। আপনি এই পরীক্ষার সময়কালে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যবাসী আপনার পেছনে রয়েছে।’
ডেপুটি প্রিমিয়ার এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘এটি আমাদের সিনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় মুহূর্ত এবং এর জন্য তারা কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর কাটিয়েছে প্রস্তুতির জন্য।
ডেপুটি প্রিমিয়ার এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘২০২৩ সালের এইচএসসি ক্লাসের প্রতি আমার বার্তা হলো, আপনার ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখুন, আপনি যা শিখেছেন, তার প্রতিফলন করুন এবং আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করুন। নিয়মিত ডাউন টাইমের সঙ্গে আপনার পরীক্ষা ও অধ্যয়নের সময়সূচিতে ভারসাম্য বজায় রাখুন, বন্ধু ও প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং প্রচুর ঘুমাবেন।’
ডেপুটি প্রিমিয়ার বিশেষ করে অভিভাবক ও শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেছেন, ‘যারা আমাদের এইচএসসি শিক্ষার্থীদের এই মাইলফলক পৌঁছানোর জন্য সমর্থন করেছেন; সন্তানদের এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার প্রতি অনুপ্রাণিত, শিক্ষিত ও লালন-পালন করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।’
রাজ্যের প্রধান শিক্ষা নির্বাহী কর্মকর্তা পল মার্টিন বলেছেন, এইচএসসি একটি বড় অপারেশন এবং এটি স্কুল, শিক্ষক ও পরীক্ষাকর্মীদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে ৷ আগামী ১৮ দিনের মধ্যে আমরা পরীক্ষা সম্পন্ন করব ৷ এনএসডব্লিউ প্রিন্সিপাল, শিক্ষক এবং স্কুল স্টাফসহ স্কুলের সবাইকে ধন্যবাদ।

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসসহ বিভিন্ন রাজ্যে আজ বুধবার এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষার মতো এমন দিনে স্কুলের বাইরে অভিভাবকদের ভিড়বাট্টা এখানে নেই। কাজপাগল মানুষের দেশের বেশির ভাগ অভিভাবকের অত সময়ও নেই। ছাত্রছাত্রীরা অন্য স্বাভাবিক দিনগুলোর মতোই স্কুলের শেষ পরীক্ষায় অংশ নিতে গেছেন। বাংলাদেশের মতো দেশের অভিভাবকেরাই হয়তো এমন দিনে ছেলে-মেয়েদের স্কুলে নামিয়ে দিয়েছেন অথবা পরীক্ষা শেষে বাসায় নিয়ে এসেছেন।
ব্রিটিশ কারিকুলামের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের মতো এ দেশের হাইস্কুল দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে কলেজ ওয়ান ও কলেজ টুতে সাজানো হয়। তাই হাইস্কুল শেষেই এ দেশের ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যান। বাংলাদেশে বাংলা বিষয় দিয়ে যেমন পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়, এ দেশের প্রথম দিনের পরীক্ষার বিষয়বস্তু ছিল ইংরেজি।
অস্ট্রেলিয়ার এই পরীক্ষা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীনের কিছু স্কুলেও আজ শুরু হয়েছে। এবার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে প্রায় ৭০ হাজার ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষা দিচ্ছেন।
শিক্ষাব্যবস্থাটি দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ হওয়ায় অভিভাবকদের উদ্বেগ এখানে বাংলাদেশের মতো নয়। স্কুল পর্যন্ত এখানে পড়াশোনা ফ্রি। তাই পরীক্ষার ফিসহ নানা কিছু চিন্তার দায়িত্বও রাষ্ট্রের। ২৩ নভেম্বর এই পরীক্ষা শেষ হবে। ফলাফল বেরোবে ১৪ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে স্কুলগুলোও ক্রিসমাস-গ্রীষ্মের লম্বা ছুটিতে চলে যাবে।
এইচএসএসি পরীক্ষার কোর্স নম্বরের ৫০ ভাগ ছাত্রছাত্রী স্কুলের ক্লাস শেষেই অর্জন করেছেন। পরীক্ষা হচ্ছে বাকি ৫০ ভাগ নম্বরের। বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে আগাম ভর্তির কাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ডাক্তারি তথা মেডিসিনের মতো বিষয়গুলোর চূড়ান্ত সুযোগ নির্ভর করবে এইচএসসির চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর। ডাক্তারি পড়ার জন্য এ দেশে আলাদা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশলী হওয়ার জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় নেই। প্রচলিত পাবলিক বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েই এসবের বিভাগ রয়েছে।
শুধু ডাক্তারি বা প্রকৌশল বিষয়েই পড়তে হবে এমন হাহাকারও এখানকার ছাত্রছাত্রীদের মধ্য নেই। বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী স্কুল শেষে বিভিন্ন কাজের বাজারে চলে যান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল টার্গেট বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিদেশি ছাত্রছাত্রী।
স্থানীয় ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বা উচ্চতর পড়াশোনা নিয়েও কোনো উদ্বেগ নেই অভিভাবকদের। কারণ, এসব পড়াশোনার ব্যয় সরকার দেবে ফি হেল্প নামের শিক্ষা বৃত্তির মাধ্যমে। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর ট্যাক্স ফাইল নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এরই মাঝে তৈরি হয়ে গেছে। এসব অ্যাকাউন্টের অনুকূলে শিক্ষা ঋণ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পর সরকার বেতন থেকে কিস্তি করে কেটে নিয়ে যাবে শিক্ষা ঋণের টাকা।
মা-বাবা পড়াশোনার খরচ দেবেন এমন ধারণা প্রচলিত নয়। ছাত্রছাত্রীদের সিংহভাগই এ দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজও করেন। কাজ না করলে সরকার তাঁদের অস্টাডি, ইয়ুথ অ্যালাউন্স নামের ভাতা দেয়। ছাত্রছাত্রীরা আইনত সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারেন না।
এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মিন্স লেবার সরকার জানিয়েছে, বাজেটে তারা রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় এবার রেকর্ড বিনিয়োগ করেছে, যার মধ্যে রাজ্যের ৯৫ হাজার শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে। ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে ওয়েস্টার্ন সিডনি স্কুলগুলো তৈরি ও আপগ্রেড করতে। আর রাজ্যের গ্রাম অঞ্চলগুলোর স্কুলগুলো আপগ্রেড করতে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে৷
নিউ সাউথ ওয়েলস এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস অথোরিটির সাইবার, তথ্য নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি প্রোগ্রাম, এজেন্সির নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য খরচ করা হচ্ছে ৪৫ মিলিয়ন ডলার।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্স বুধবার পরীক্ষা শুরুর আগে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আজ আমাদের এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। প্রত্যেকের জন্য, যাঁরা তাদের পরীক্ষায় বসে আছেন, আমি আপনাদের সবার জন্য শুভকামনা করছি। আপনি এই পরীক্ষার সময়কালে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যবাসী আপনার পেছনে রয়েছে।’
ডেপুটি প্রিমিয়ার এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘এটি আমাদের সিনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় মুহূর্ত এবং এর জন্য তারা কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর কাটিয়েছে প্রস্তুতির জন্য।
ডেপুটি প্রিমিয়ার এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘২০২৩ সালের এইচএসসি ক্লাসের প্রতি আমার বার্তা হলো, আপনার ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখুন, আপনি যা শিখেছেন, তার প্রতিফলন করুন এবং আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করুন। নিয়মিত ডাউন টাইমের সঙ্গে আপনার পরীক্ষা ও অধ্যয়নের সময়সূচিতে ভারসাম্য বজায় রাখুন, বন্ধু ও প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং প্রচুর ঘুমাবেন।’
ডেপুটি প্রিমিয়ার বিশেষ করে অভিভাবক ও শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেছেন, ‘যারা আমাদের এইচএসসি শিক্ষার্থীদের এই মাইলফলক পৌঁছানোর জন্য সমর্থন করেছেন; সন্তানদের এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার প্রতি অনুপ্রাণিত, শিক্ষিত ও লালন-পালন করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।’
রাজ্যের প্রধান শিক্ষা নির্বাহী কর্মকর্তা পল মার্টিন বলেছেন, এইচএসসি একটি বড় অপারেশন এবং এটি স্কুল, শিক্ষক ও পরীক্ষাকর্মীদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে ৷ আগামী ১৮ দিনের মধ্যে আমরা পরীক্ষা সম্পন্ন করব ৷ এনএসডব্লিউ প্রিন্সিপাল, শিক্ষক এবং স্কুল স্টাফসহ স্কুলের সবাইকে ধন্যবাদ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
৪১ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে