
মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তাপ্রধান আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। সফরে অর্থনৈতিক আলোচনা ও কূটনৈতিক সম্পর্কোন্নয়ন প্রাধান্য পাবে বলে জানা গেছে। মিয়ানমারের স্থানীয় পত্রিকার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
স্থানীয় সময় শনিবার মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তক শহরে অনুষ্ঠিতব্য ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামে যোগ দেবেন মিয়ানমারে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। অর্থনৈতিক এই ফোরামে চীন, ভারত, জাপান, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের জেনারেল দুই দেশের অর্থনীতি ও সরকারের মধ্যে সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করতে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করতে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সামরিক পদক্ষেপের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কই চলতি সময়ে কিছুটা অবনতি হয়েছে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকার পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ফলে মিন অং হ্লাইং আগামী নভেম্বরে কম্বোডিয়ার নমপেনে অনুষ্ঠিতব্য অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস (আসিয়ান) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ না-ও পেতে পারেন। মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের অগ্রগতি না হওয়ায় আসিয়ান হতাশা ব্যক্ত করেছে।
মিয়ানমার বর্তমানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রায়ই বিক্ষোভ করছে মিয়ানমারের মানুষ। বিক্ষোভ দমাতে কঠোর হয়ে উঠেছে দেশটির সামরিক সরকার। আল-জাজিরা জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে রাশিয়া বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জেনারেলেরা মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার চেষ্টা করছে। মিয়ানমারের জান্তাদের মিত্র ও প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে রাশিয়ার পরিচিতি রয়েছে।
গত আগস্টের শুরুতে মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তখন তিনি মিয়ানমারকে স্থিতিশীল করা এবং আগামী বছর একটি জাতীয় নির্বাচন করার সামরিক বাহিনীর প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তাপ্রধান আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। সফরে অর্থনৈতিক আলোচনা ও কূটনৈতিক সম্পর্কোন্নয়ন প্রাধান্য পাবে বলে জানা গেছে। মিয়ানমারের স্থানীয় পত্রিকার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
স্থানীয় সময় শনিবার মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তক শহরে অনুষ্ঠিতব্য ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামে যোগ দেবেন মিয়ানমারে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। অর্থনৈতিক এই ফোরামে চীন, ভারত, জাপান, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের জেনারেল দুই দেশের অর্থনীতি ও সরকারের মধ্যে সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করতে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করতে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সামরিক পদক্ষেপের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কই চলতি সময়ে কিছুটা অবনতি হয়েছে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকার পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ফলে মিন অং হ্লাইং আগামী নভেম্বরে কম্বোডিয়ার নমপেনে অনুষ্ঠিতব্য অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস (আসিয়ান) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ না-ও পেতে পারেন। মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের অগ্রগতি না হওয়ায় আসিয়ান হতাশা ব্যক্ত করেছে।
মিয়ানমার বর্তমানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রায়ই বিক্ষোভ করছে মিয়ানমারের মানুষ। বিক্ষোভ দমাতে কঠোর হয়ে উঠেছে দেশটির সামরিক সরকার। আল-জাজিরা জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে রাশিয়া বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জেনারেলেরা মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার চেষ্টা করছে। মিয়ানমারের জান্তাদের মিত্র ও প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে রাশিয়ার পরিচিতি রয়েছে।
গত আগস্টের শুরুতে মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তখন তিনি মিয়ানমারকে স্থিতিশীল করা এবং আগামী বছর একটি জাতীয় নির্বাচন করার সামরিক বাহিনীর প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে