
হংকংয়ের একটি আইনজীবী প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে যৌন ও জাতিগত হয়রানির অভিযোগ এনেছেন খান সাইমা বেগম নামে এক বাংলাদেশি নারী। আজ শুক্রবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
এ বিষয়ে আজ হংকংয়ের ‘ইক্যুয়াল অপর্চুনিটিজ কমিশন’ জানিয়েছে, তারা খান সাইমা বেগমের পক্ষে ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলাটি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—এই মামলা কর্মস্থলে অবৈধ যৌন ও জাতিগত হয়রানি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবে।
সাইমা বেগম অভিযোগ করেছেন, তিনি ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘ডব্লিউটি ল অফিসেস’-এ পার্ট-টাইম ল ক্লার্ক হিসেবে কাজ করেছেন। সেখানে তাঁর সাবেক কর্মদাতা চুই পুই-হাং তাঁকে যৌন ও জাতিগতভাবে হয়রানি করেছেন।
সাইমার অভিযোগ, চুই তাঁকে হিন্দি ভাষায় এমন গালি দিয়ে সম্বোধন করতেন, যার মাধ্যমে নারীর যৌন অঙ্গকে নির্দেশ করা হয়। তা ছাড়া তাঁকে ‘পাকি’ বলেও অপমান করতেন। এই শব্দটি পাকিস্তান এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের প্রতি একটি অবমাননাকর শব্দ।
সাইমা আরও অভিযোগ করেন, তিনি চুইকে এসব অপমানজনক শব্দ ব্যবহার বন্ধ করার অনুরোধ করলেও, তিনি তা শোনেননি। শুধু তাই নয়, চুইয়ের ভারতীয় সুপারভাইজার মানুরাজ তাঁকে এই অবমাননাকর শব্দগুলো শিখিয়েছিলেন।
মানুরাজ প্রায় সময়ই সাইমার সামনে তাঁর যৌন সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতেন। সাইমাকে তিনি যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ লিংকও পাঠিয়েছিলেন।
মনুরাজের বিরুদ্ধে সাইমার সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি হলো—কাজের বিষয়ে আলোচনা করতে একবার অফিস ছুটির পর তাঁর সঙ্গে একটি রেস্তোরাঁয় বসেছিলেন সাইমা। কিন্তু মানুরাজ তাঁকে সেখানে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং মাস্ক পরা অবস্থাতেই তাঁর ঠোঁটে চুম্বন করেন।
সাইমা বলেন, এই অভিযোগগুলো দুই অভিযুক্তের কাছে তোলা হলেও তাঁরা বিরত হননি। ধারাবাহিক হয়রানির কারণে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
খান সাইমা বেগম আদালতে আবেদন করেছেন যেন, অভিযুক্তরা তাঁর কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২০০ হংকং-ডলার দাবি করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৬ লাখ টাকার বেশি।
ক্ষতিপূরণের জন্য নির্ধারিত অঙ্কের যৌক্তিকতাও তুলে ধরেছেন সাইমা। এর মধ্যে তিনি তাঁর তিন মাসের বেতন ১৬ হাজার ২০০ হংকং ডলার, মানসিক আঘাতের জন্য ২ লাখ হংকং-ডলার এবং শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে আরও ২০ হাজার ডলার যোগ করেছেন।
হংকংয়ের লিঙ্গবৈষম্য অধ্যাদেশ অনুযায়ী, যৌন হয়রানি হলো—অনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যৌন আচরণ। উদাহরণস্বরূপ—অপ্রত্যাশিত শারীরিক স্পর্শ, চুম্বন বা যৌন ইঙ্গিত। এ ধরনের আচরণ ভুক্তভোগীর জন্য অপমানজনক, বিব্রতকর বা ভয়ংকর হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।
অন্যদিকে হংকংয়ের জাতি বৈষম্য অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জাতিগত হয়রানি হলো—অন্যের জাতি বা বর্ণের ভিত্তিতে অপমানজনক বা অবমাননাকর আচরণ করা।
সাইমার পক্ষে মামলা করা কমিশন বলেছে, ‘এই মামলা হংকংয়ের কর্মস্থলে যৌন ও জাতিগত হয়রানির আইনি পরিণতি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।’
আরও বলা হয়েছে, ‘মামলাটি চাকরিদাতা ও কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেবে যে, কর্মস্থলে যৌন বা জাতিগত হয়রানি অবৈধ এবং এর গুরুতর আইনি পরিণতি রয়েছে।’

হংকংয়ের একটি আইনজীবী প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে যৌন ও জাতিগত হয়রানির অভিযোগ এনেছেন খান সাইমা বেগম নামে এক বাংলাদেশি নারী। আজ শুক্রবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
এ বিষয়ে আজ হংকংয়ের ‘ইক্যুয়াল অপর্চুনিটিজ কমিশন’ জানিয়েছে, তারা খান সাইমা বেগমের পক্ষে ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলাটি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—এই মামলা কর্মস্থলে অবৈধ যৌন ও জাতিগত হয়রানি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবে।
সাইমা বেগম অভিযোগ করেছেন, তিনি ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘ডব্লিউটি ল অফিসেস’-এ পার্ট-টাইম ল ক্লার্ক হিসেবে কাজ করেছেন। সেখানে তাঁর সাবেক কর্মদাতা চুই পুই-হাং তাঁকে যৌন ও জাতিগতভাবে হয়রানি করেছেন।
সাইমার অভিযোগ, চুই তাঁকে হিন্দি ভাষায় এমন গালি দিয়ে সম্বোধন করতেন, যার মাধ্যমে নারীর যৌন অঙ্গকে নির্দেশ করা হয়। তা ছাড়া তাঁকে ‘পাকি’ বলেও অপমান করতেন। এই শব্দটি পাকিস্তান এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের প্রতি একটি অবমাননাকর শব্দ।
সাইমা আরও অভিযোগ করেন, তিনি চুইকে এসব অপমানজনক শব্দ ব্যবহার বন্ধ করার অনুরোধ করলেও, তিনি তা শোনেননি। শুধু তাই নয়, চুইয়ের ভারতীয় সুপারভাইজার মানুরাজ তাঁকে এই অবমাননাকর শব্দগুলো শিখিয়েছিলেন।
মানুরাজ প্রায় সময়ই সাইমার সামনে তাঁর যৌন সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতেন। সাইমাকে তিনি যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ লিংকও পাঠিয়েছিলেন।
মনুরাজের বিরুদ্ধে সাইমার সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি হলো—কাজের বিষয়ে আলোচনা করতে একবার অফিস ছুটির পর তাঁর সঙ্গে একটি রেস্তোরাঁয় বসেছিলেন সাইমা। কিন্তু মানুরাজ তাঁকে সেখানে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং মাস্ক পরা অবস্থাতেই তাঁর ঠোঁটে চুম্বন করেন।
সাইমা বলেন, এই অভিযোগগুলো দুই অভিযুক্তের কাছে তোলা হলেও তাঁরা বিরত হননি। ধারাবাহিক হয়রানির কারণে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
খান সাইমা বেগম আদালতে আবেদন করেছেন যেন, অভিযুক্তরা তাঁর কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২০০ হংকং-ডলার দাবি করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৬ লাখ টাকার বেশি।
ক্ষতিপূরণের জন্য নির্ধারিত অঙ্কের যৌক্তিকতাও তুলে ধরেছেন সাইমা। এর মধ্যে তিনি তাঁর তিন মাসের বেতন ১৬ হাজার ২০০ হংকং ডলার, মানসিক আঘাতের জন্য ২ লাখ হংকং-ডলার এবং শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে আরও ২০ হাজার ডলার যোগ করেছেন।
হংকংয়ের লিঙ্গবৈষম্য অধ্যাদেশ অনুযায়ী, যৌন হয়রানি হলো—অনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যৌন আচরণ। উদাহরণস্বরূপ—অপ্রত্যাশিত শারীরিক স্পর্শ, চুম্বন বা যৌন ইঙ্গিত। এ ধরনের আচরণ ভুক্তভোগীর জন্য অপমানজনক, বিব্রতকর বা ভয়ংকর হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।
অন্যদিকে হংকংয়ের জাতি বৈষম্য অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জাতিগত হয়রানি হলো—অন্যের জাতি বা বর্ণের ভিত্তিতে অপমানজনক বা অবমাননাকর আচরণ করা।
সাইমার পক্ষে মামলা করা কমিশন বলেছে, ‘এই মামলা হংকংয়ের কর্মস্থলে যৌন ও জাতিগত হয়রানির আইনি পরিণতি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।’
আরও বলা হয়েছে, ‘মামলাটি চাকরিদাতা ও কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেবে যে, কর্মস্থলে যৌন বা জাতিগত হয়রানি অবৈধ এবং এর গুরুতর আইনি পরিণতি রয়েছে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে