আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভিয়েতনাম গুরুতর আট ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—দুর্নীতি, সরকার উৎখাতের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ধ্বংসের মতো অপরাধ। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ভিয়েতনাম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। আজ বুধবার দেশটির জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতভাবে ফৌজদারি আইনের সংশোধনী পাস করেছে, যেখানে আটটি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিয়েতনাম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগামী মাস থেকে ঘুষ, দুর্নীতি, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি, অবৈধভাবে মাদক পরিবহন, গুপ্তচরবৃত্তি, শান্তি বিনষ্ট ও আগ্রাসী যুদ্ধ বাধানোর অপরাধ, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোতে নাশকতা এবং সরকার উৎখাতের চেষ্টার জন্য আর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে না। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে আজীবন কারাদণ্ড।
যেসব আসামি ১ জুলাইয়ের আগে এসব অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন কিন্তু এখনো দণ্ড কার্যকর হয়নি, তাদের সাজাও কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হবে। তবে হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবাদ এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো ১০ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের আইনে এখনো মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মাসে ভিয়েতনামের পার্লামেন্টের আলোচনায় নতুন সংশোধিত ফৌজদারি আইন নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। বিশেষ করে মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড তুলে নেওয়ার বিষয়টি ছিল সবচেয়ে বিতর্কিত। এক এমপি বলেন, ‘অল্প কয়েক গ্রাম হোক বা কয়েক টন হোক, মাদক পরিবহনের ক্ষতি অপরিসীম।’ অন্য একজন বলেন, ‘মাদক পাচারের মতো অপরাধে মৃত্যুদণ্ড তুলে দিলে ভুল বার্তা যাবে, কারণ দেশে মাদক-সম্পর্কিত অপরাধ ক্রমশ বাড়ছে।’
ভিয়েতনামে মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার আওতায়, তাই বর্তমানে কতজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আছে, তা জানা যায় না। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভিয়েতনামে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথা বাতিল করা হয়। বর্তমানে ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ভিয়েতনাম গুরুতর আট ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—দুর্নীতি, সরকার উৎখাতের চেষ্টা এবং রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ধ্বংসের মতো অপরাধ। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ভিয়েতনাম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। আজ বুধবার দেশটির জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতভাবে ফৌজদারি আইনের সংশোধনী পাস করেছে, যেখানে আটটি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিয়েতনাম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগামী মাস থেকে ঘুষ, দুর্নীতি, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি, অবৈধভাবে মাদক পরিবহন, গুপ্তচরবৃত্তি, শান্তি বিনষ্ট ও আগ্রাসী যুদ্ধ বাধানোর অপরাধ, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোতে নাশকতা এবং সরকার উৎখাতের চেষ্টার জন্য আর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে না। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে আজীবন কারাদণ্ড।
যেসব আসামি ১ জুলাইয়ের আগে এসব অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন কিন্তু এখনো দণ্ড কার্যকর হয়নি, তাদের সাজাও কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হবে। তবে হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবাদ এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো ১০ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের আইনে এখনো মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মাসে ভিয়েতনামের পার্লামেন্টের আলোচনায় নতুন সংশোধিত ফৌজদারি আইন নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। বিশেষ করে মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড তুলে নেওয়ার বিষয়টি ছিল সবচেয়ে বিতর্কিত। এক এমপি বলেন, ‘অল্প কয়েক গ্রাম হোক বা কয়েক টন হোক, মাদক পরিবহনের ক্ষতি অপরিসীম।’ অন্য একজন বলেন, ‘মাদক পাচারের মতো অপরাধে মৃত্যুদণ্ড তুলে দিলে ভুল বার্তা যাবে, কারণ দেশে মাদক-সম্পর্কিত অপরাধ ক্রমশ বাড়ছে।’
ভিয়েতনামে মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার আওতায়, তাই বর্তমানে কতজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আছে, তা জানা যায় না। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভিয়েতনামে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রথা বাতিল করা হয়। বর্তমানে ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৪ ঘণ্টা আগে