রয়টার্স, সিউল

গভীর রাতে উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং–উন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উল্লসিত জনতা হর্ষধ্বনির মধ্যে বিমানবন্দরে পুতিনকে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।
রুশ গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ঘোড়সওয়ার সেনাদল ও রাজধানীর বুকে তাইডং নদীর ধারে কিম ইল সুং স্কোয়ারে বেসামরিক নাগরিকের বড় জমায়েত তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়। বেলুন উড়িয়ে রুশ নেতাকে স্বাগত জানায় শিশুরা। তখন স্কোয়ারের মূল ভবনে জাতীয় পতাকাসহ দুই নেতার বিশাল প্রতিকৃতি দেখা যায়।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পুতিন পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে পৌঁছার পর কিম তাঁকে আলিঙ্গন করে স্বাগত জানান। তবে পুতিনের অভ্যর্থনা ২০১৯ সালের চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চেয়ে কম জাঁকজমকপূর্ণ ছিল। তাঁর মতো পুতিনকে লালগালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়নি।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ছবিতে দেখা যায়, পিয়ংইয়ংয়ের রাস্তাজুড়ে সারি সারি পুতিনের প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো। আর নির্মাণাধীন ১০১তলা পিরামিড আকৃতির রিয়োগইয়ং হোটেলের সামনে ‘স্বাগত পুতিন’ লেখা নিয়ন আলোকের বিশাল বার্তা টানানো।
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে রাশিয়ার উপহার দেওয়া লিমুজিনে করে শহরের দিকে রওনা হন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। কুমসুসান প্রাসাদে পরে কিম ও পুতিনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হয়।
আলোচনা শুরুর আগে পুতিনের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধসহ রাশিয়ার নীতির প্রতি আপনার ধারাবাহিক ও অটল সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
পুতিনকে উদ্ধৃত করে রুশ গণমাধ্যম বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে মস্কো। আর কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া সম্পর্ক ‘সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায়’ উঠেছে।
কিম আরও বলেন, ‘বিশ্ব পরিস্থিতি জটিলতর হয়ে উঠছে এবং দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এমন সময়ে আমরা রাশিয়া ও রাশিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনার’ বিষয়ে রাশিয়ার সরকার, সেনাবাহিনী ও জনগণের প্রতি উত্তর কোরিয়া পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে।
২৪ বছরের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার রাজধানীতে পুতিনের প্রথম সফর এটি। এমন একসময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন উভয় দেশ বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি। তাই এই সফরে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার কয়েক দশকের সম্পর্ক জোরদার হতে পারে।
ওয়াশিংটনকে খোঁচাতে প্রায়ই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ককে ব্যবহার করে রাশিয়া। আর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা উত্তর কোরিয়া মস্কো থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থনের পাশাপাশি বাণিজ্য সুবিধা পায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ভয় পায়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে নিষিদ্ধ হলেও উত্তর কোরিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণু কর্মসূচিতে সহায়তা করতে পারে রাশিয়া। আর পিয়ংইয়ংয়ের দেওয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি শেল রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে ব্যবহার করেছে বলেও তারা অভিযোগ করছে। যদিও মস্কো ও পিয়ংইয়ং তা অস্বীকার করেছে।
বিকল্প বাণিজ্য কৌশল
রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স পুতিনের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভকে উদ্ধৃত করে বলেছে, বুধবারের অনুষ্ঠানসূচিতে আছে গালা কনসার্ট, রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, অনার গার্ড, চুক্তি সই ও সংবাদ সম্মেলন।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার অধিকারী রাশিয়া যে উত্তর কোরিয়ার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্মূল্যায়ন করছে তার ইঙ্গিত মিলেছে। সফরের আগে মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ, ব্ল্যাকমেল ও হুমকি প্রতিহত করার জন্য পুতিন পিয়ংইয়ংয়ের ব্যাপক প্রশংসা করেন।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ‘পশ্চিম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, এমন বিকল্প বাণিজ্য এবং পারস্পরিক বন্দোবস্তের ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ এবং ‘ইউরেশিয়ায় সমান ও অবিভাজ্য নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণের’ প্রতিশ্রুতি দেন পুতিন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ৩৮ নর্থ প্রোগ্রাম ওয়াশিংটনের বিশ্লেষক রাচেল মিনিয়ং লি বলছেন, রাশিয়ার নেতৃত্বে পশ্চিমবিরোধী অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ আছে, পুতিনের নিবন্ধ সেই ঈঙ্গিত দিচ্ছে। এই বার্তা কিম জং উনের কাছে আকর্ষণীয় হবে বলে ধারণা করা যায়।
তিনি বলেন, ‘কারও কারও কাছে অযৌক্তিক মনে হলেও পিয়ংইয়ং অর্থনীতির উন্নতির জন্য রাশিয়াকে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হিসেবে দেখতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে দেশটির সামনে রাশিয়ার চেয়ে বেশি কোনো প্রণোদনা নেই।’
এই সফরের প্রাক্কালে ডিক্রি জারি করে পুতিন বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ‘সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করতে চায় মস্কো। এই চুক্তির মধ্যে নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যা অগ্রাধিকার পাবে বলে উশাকভ জানান।
তিনি বলেন, অন্য কোনো দেশকে লক্ষ্য করে চুক্তিটি হবে না। এটি দুই দেশের মধ্যে ‘আরও সহযোগিতার সম্ভাবনার রূপরেখা দেবে’।

গভীর রাতে উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং–উন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উল্লসিত জনতা হর্ষধ্বনির মধ্যে বিমানবন্দরে পুতিনকে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।
রুশ গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ঘোড়সওয়ার সেনাদল ও রাজধানীর বুকে তাইডং নদীর ধারে কিম ইল সুং স্কোয়ারে বেসামরিক নাগরিকের বড় জমায়েত তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়। বেলুন উড়িয়ে রুশ নেতাকে স্বাগত জানায় শিশুরা। তখন স্কোয়ারের মূল ভবনে জাতীয় পতাকাসহ দুই নেতার বিশাল প্রতিকৃতি দেখা যায়।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পুতিন পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে পৌঁছার পর কিম তাঁকে আলিঙ্গন করে স্বাগত জানান। তবে পুতিনের অভ্যর্থনা ২০১৯ সালের চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চেয়ে কম জাঁকজমকপূর্ণ ছিল। তাঁর মতো পুতিনকে লালগালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়নি।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ছবিতে দেখা যায়, পিয়ংইয়ংয়ের রাস্তাজুড়ে সারি সারি পুতিনের প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো। আর নির্মাণাধীন ১০১তলা পিরামিড আকৃতির রিয়োগইয়ং হোটেলের সামনে ‘স্বাগত পুতিন’ লেখা নিয়ন আলোকের বিশাল বার্তা টানানো।
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে রাশিয়ার উপহার দেওয়া লিমুজিনে করে শহরের দিকে রওনা হন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। কুমসুসান প্রাসাদে পরে কিম ও পুতিনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হয়।
আলোচনা শুরুর আগে পুতিনের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধসহ রাশিয়ার নীতির প্রতি আপনার ধারাবাহিক ও অটল সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
পুতিনকে উদ্ধৃত করে রুশ গণমাধ্যম বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে মস্কো। আর কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া সম্পর্ক ‘সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায়’ উঠেছে।
কিম আরও বলেন, ‘বিশ্ব পরিস্থিতি জটিলতর হয়ে উঠছে এবং দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এমন সময়ে আমরা রাশিয়া ও রাশিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনার’ বিষয়ে রাশিয়ার সরকার, সেনাবাহিনী ও জনগণের প্রতি উত্তর কোরিয়া পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে।
২৪ বছরের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার রাজধানীতে পুতিনের প্রথম সফর এটি। এমন একসময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন উভয় দেশ বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি। তাই এই সফরে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার কয়েক দশকের সম্পর্ক জোরদার হতে পারে।
ওয়াশিংটনকে খোঁচাতে প্রায়ই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ককে ব্যবহার করে রাশিয়া। আর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা উত্তর কোরিয়া মস্কো থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থনের পাশাপাশি বাণিজ্য সুবিধা পায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ভয় পায়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে নিষিদ্ধ হলেও উত্তর কোরিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণু কর্মসূচিতে সহায়তা করতে পারে রাশিয়া। আর পিয়ংইয়ংয়ের দেওয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি শেল রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে ব্যবহার করেছে বলেও তারা অভিযোগ করছে। যদিও মস্কো ও পিয়ংইয়ং তা অস্বীকার করেছে।
বিকল্প বাণিজ্য কৌশল
রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স পুতিনের পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভকে উদ্ধৃত করে বলেছে, বুধবারের অনুষ্ঠানসূচিতে আছে গালা কনসার্ট, রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, অনার গার্ড, চুক্তি সই ও সংবাদ সম্মেলন।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার অধিকারী রাশিয়া যে উত্তর কোরিয়ার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্মূল্যায়ন করছে তার ইঙ্গিত মিলেছে। সফরের আগে মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ, ব্ল্যাকমেল ও হুমকি প্রতিহত করার জন্য পুতিন পিয়ংইয়ংয়ের ব্যাপক প্রশংসা করেন।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ‘পশ্চিম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, এমন বিকল্প বাণিজ্য এবং পারস্পরিক বন্দোবস্তের ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ এবং ‘ইউরেশিয়ায় সমান ও অবিভাজ্য নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণের’ প্রতিশ্রুতি দেন পুতিন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ৩৮ নর্থ প্রোগ্রাম ওয়াশিংটনের বিশ্লেষক রাচেল মিনিয়ং লি বলছেন, রাশিয়ার নেতৃত্বে পশ্চিমবিরোধী অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ আছে, পুতিনের নিবন্ধ সেই ঈঙ্গিত দিচ্ছে। এই বার্তা কিম জং উনের কাছে আকর্ষণীয় হবে বলে ধারণা করা যায়।
তিনি বলেন, ‘কারও কারও কাছে অযৌক্তিক মনে হলেও পিয়ংইয়ং অর্থনীতির উন্নতির জন্য রাশিয়াকে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হিসেবে দেখতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে দেশটির সামনে রাশিয়ার চেয়ে বেশি কোনো প্রণোদনা নেই।’
এই সফরের প্রাক্কালে ডিক্রি জারি করে পুতিন বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ‘সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করতে চায় মস্কো। এই চুক্তির মধ্যে নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যা অগ্রাধিকার পাবে বলে উশাকভ জানান।
তিনি বলেন, অন্য কোনো দেশকে লক্ষ্য করে চুক্তিটি হবে না। এটি দুই দেশের মধ্যে ‘আরও সহযোগিতার সম্ভাবনার রূপরেখা দেবে’।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
১৮ মিনিট আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৪ ঘণ্টা আগে